বন্যায় কেরলে মৃত ৭২, নতুন করে অতিবৃষ্টির পূর্বাভাস

0

ওয়েবডেস্ক: বন্যার কবলে দক্ষিণ এবং পশ্চিম ভারতের একটা বড়ো অংশ। আট রাজ্যে বন্যায় মৃত্যু হয়েছে ১৭২ জনের। এর মধ্যে সব থেকে খারাপ অবস্থা কেরলের। সে রাজ্যেই মৃত্যু হয়েছে ৭২ জনের।

কেরলে কেন এই অস্বাভাবিক পরিস্থিতি, একটা তথ্য দিলেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত রাজ্যে বৃষ্টির ঘাটতি ছিল ৪৫ শতাংশ। সেই ঘাটতি এখন কমে এসেছে মাত্র ৬ শতাংশে। অর্থাৎ পনেরো দিনের মধ্যে কী বিপুল পরিমাণ বৃষ্টি হলে এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে সেটা সহজেই অনুমেয়।

Loading videos...

সোমবার সকালে কেরল সরকারের তরফে পাওয়া তথ্য জানা গিয়েছে, ৭২ জনের মৃত্যুর পাশাপাশি ৫৮ জনের কোনো খোঁজ নেই। রাজ্য জুড়ে ১,৬৩৯টা ত্রাণশিবির তৈরি করা হয়েছে। সেখানে স্থানান্তরিত করা হয়েছে আড়াই লক্ষেরও বেশি মানুষকে। কোড়িকোড়, মল্লাপুরম, ত্রিসুর এবং ওয়েনাড় জেলার অবস্থা সব থেকে খারাপ। পাহাড়ি ওয়েনাড় এবং মল্লাপুরমে বন্যার পাশাপাশি তাণ্ডব চালিয়েছে ধসও। বন্যা এবং ধসে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার ঘরবাড়ি।

রবিবার সকাল থেকে আবহাওয়ার একটু উন্নতি হওয়ায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছিলেন সাধারণ মানুষ। কিন্তু সেই স্বস্তি বেশিক্ষণের জন্য নয়। কারণ আবহাওয়া দফতরের সতর্কবার্তায় জানানো হয়েছে, সোমবার থেকে বুধবার পর্যন্ত রাজ্যের বেশ কিছু অঞ্চলে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

আরও পড়ুন ইদ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর

এ দিকে বন্যা এবং ধসের খবরাখবর জানতে আপাতত ওয়েনাড়েই রয়েছেন স্থানীয় সাংসদ রাহুল গান্ধী। রবিবার সকালে তিনি কেরল পৌঁছোন। প্রথমে কোড়িকোড়ে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে তার পর ওয়েনাড়ে আসেন। রাজ্য সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তাঁর বিস্তারিত কথাবার্তা হয়েছে বলে জানান রাহুল।

এ দিকে কর্নাটক এবং মহারাষ্ট্রে বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হলেও গুজরাতের অবস্থা জটিল। বিশেষ করে ‘শুখা’ কচ্ছ অঞ্চলে এ বার দাপট দেখাতে শুরু করেছে অতি বৃষ্টি। মধ্যপ্রদেশের কিছু অঞ্চলেও বন্যার ছবিটার বিশেষ উন্নতি হয়নি।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন