নয়াদিল্লি মূল কারণ ইঁদুরের দৌরাত্ম্য। তা ছাড়াও অন্য কারণ রয়েছে – এ-দিক ও-দিক খাবারের উচ্ছিষ্ট পড়ে থাকা, স্টল ঘিরে প্রচণ্ড ভিড় ইত্যাদি। এই সব কারণে দিলির বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে খাবারের কিয়স্কগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দিল্লি মেট্রো রেল কর্পোরেশন (ডিএমআরসি) ঠিক করেছে, স্টেশন চত্বরে নতুন করে আর খাবার স্টল খুলতে দেওয়া হবে না। আর যাদের লাইসেন্স রয়েছে, তারা ওই লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ না হওয়া পর্যন্ত দোকান চালিয়ে যেতে পারবেন। তার পর আর ওই জায়গা লিজ দেওয়া হবে না।

ডিএমআরসি-র এক আধিকারিক বলেন, “মেট্রো স্টেশনগুলোর একটা নান্দনিক ব্যাপার তো আছেই, তার ওপর সিগন্যালের তার কেটে দিচ্ছে ইঁদুর। উচ্ছিষ্ট খাবার পড়ে থাকে, দোকানগুলো তাদের জায়গা ঠিকমতো পরিষ্কার করে না। আর সেই খাবার খেতে ইঁদুর আসে। কোন কোন দোকানের জন্য যাত্রীদের চলাফেরায় অসুবিধা হচ্ছে, কোন কোন দোকান স্টেশনের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশের জন্য দায়ী, ইত্যাদি বিষয় নিয়ে একটা সমীক্ষা করা হয়েছে।”

ডিএমআরসি সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশির ভাগ দোকানের চুক্তি তিন বছরের। মাঝপথে এগুলো বন্ধ করে দেওয়া যায় না। তবে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে আর নতুন করে চুক্তি করা হবে না। ওই আধিকারিক বলেন, “আমরা ওই সব চুক্তির নবীকরণ করব না। নতুন করে দোকান খোলার লাইসেন্সও দেব না। কিছু কিছু দোকান রয়েছে টোকেন কাউন্টার আর সিকিউরিটি চেকের মাঝখানে। ফলে প্রায়ই জায়গাটা জনাকীর্ণ হয়ে যায়। মেট্রোয় যাতায়াতকারীর সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। বাণিজ্যিক ক্রিয়াকলাপের চেয়ে আমরা যাত্রীদের অবাধ চলাফেরাকেই বেশি গুরুত্ব দিই।”

ইতিমধ্যেই হুডা সিটি সেন্টার, নয়ডা সিটি সেন্টার, চাঁদনি চক, নিউ দিল্লি স্টেশন, বোটানিক্যাল গার্ডেন, চওরি বাজার, লক্ষ্মী নগর প্রভৃতি মেট্রো স্টেশনে মূল স্টেশন চত্বর থেকে দোকান সরিয়ে বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here