Connect with us

দেশ

ভয়াবহ দাবানলে ক্ষতিগ্রস্ত অতি পরিচিত পাহাড়ি রাজ্য, নষ্ট বনাঞ্চল

ওয়েবডেস্ক: ভয়াবহ দাবানলের কবলে পড়েছে উত্তরাখণ্ড। বন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গত এক সপ্তাহে রাজ্যে দু’হাজারের বেশি দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এর ফলে আগুনের গ্রাসে চলে গিয়েছে রাজ্যের ১৭০০ হেক্টর বনাঞ্চল।

গ্রীষ্মের শুরু থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় দাবানল শুরু হয়। কিন্তু ২১ মে’র পর থেকে সেটা চরম আকার ধারণ করেছে। ফরেস্ট সার্ভে অব ইন্ডিয়ার থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গিয়েছে, এই বুধবার পর্যন্ত গত এক সপ্তাহে ২,১৮১টা দাবানলের ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে ৬৪টা দাবানল সাংঘাতিক ভয়বাহ আকার ধারণ করে। দাবানলের জেরে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত টেহরি জেলার জঙ্গল। যদিও গোটা গাড়োয়াল অঞ্চলই সামগ্রিক ভাবে ক্ষয়ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে রাজ্যের পারদ ক্রমশ চড়ছে। উত্তরাখণ্ড মূলত পাহাড়ি রাজ্য হলেও, সমুদ্রতলের কাছাকাছি থাকা এলাকায় পারদ ৪০ ছাড়িয়ে গিয়েছে। এর ফলেই আগুন ক্রমশ ছড়িয়ে যাচ্ছে জঙ্গলগুলিতে। এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে একমাত্র বৃষ্টিই ভরসা, যদিও আগামী অন্তত এক সপ্তাহ বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনাই নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

আরও পড়ুন অনাস্থা প্রস্তাব নিয়ে ধন্ধুমার কাণ্ড দার্জিলিং পুরসভায়

এ দিকে রাজ্যের বন দফতরের আধিকারিকরা জানিয়েছেন, এই আগুনের জেরে ১,৭৯৮ হেক্টর জঙ্গল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে ১,৩৪১ হেক্টর সংরক্ষিত বনাঞ্চল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। এই বনাঞ্চল আবার কী ভাবে পুনরায় গড়ে উঠবে সেই নিয়ে চিন্তিত উত্তরাখণ্ড প্রশাসন।  

এই দাবানলের জেরে কোনো রকমে একটি বড়ো দুর্ঘটনা এড়ানো গিয়েছে। দাবানলের ধোঁয়ায় দৃশ্যমানতা কমে যাওয়ায় হেমকুন্ড সাহেবগামী একটি হেলিকপ্টারকে চামোলিতে জরুরি অবতরণ করতে হয়েছে। অবতরণ না করলে একটা বড়ো দুর্ঘটনা ঘটতে পারত বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল।

দেশ

গালোয়ান থেকে সেনা সরাচ্ছে চিন

লাদাখের প্যাংগং লেকের উত্তরে ‘ফিঙ্গার এরিয়া’য় পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) লাদাখ (Ladakh) সফরের তিন দিনের মাথায় গালোয়ান উপত্যকা থেকে সেনা সরাতে শুরু করল চিন।

সংবাদ সংস্থা এএনআই এ খবর দিয়ে জানিয়েছে, গালোয়ানের উত্তেজনাপ্রবণ এলাকা থেকে নিজেদের সেনা অন্তত ২ কিলোমিটার পিছিয়ে নিয়েছে চিন (China)। সেনার পাশাপাশি তাঁবুও খুলে নেওয়া হয়েছে আর সেনার গাড়িগুলিকেও সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

উত্তেজনা কমাতে ‘বাফার জোন’ তৈরির উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ বলে সরকারি সূত্রে জানানো হয়েছে। সে কারণে গালোয়ান উপত্যকার ওই উত্তেজনাপ্রবণ জায়গা থেকে কিছুটা পিছিয়ে এসেছে ভারতীয় সেনাও।

তবে গালোয়ান থেকে চিন সেনা সরলেও এখনও লাদাখের প্যাংগং লেকের উত্তরে ‘ফিঙ্গার এরিয়া’য় পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন হয়নি।

গত ১৫ জুন গালোয়ানের পেট্রোলিং পয়েন্ট-১৪ অদূরে চিনা সেনার সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় সেনার মৃত্যু হয়েছিল। চিনের তরফেও প্রায় ৪৫ জন সেনা হতাহত হয় বলে সেনা সূত্রের খবর।

সেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের পরেই দু’ দেশের সেনার মধ্যে তিনটি লেফটেন্যান্ট জেনারেল স্তরের বৈঠক হয়। এই তিনটি বৈঠকে গোটা এলাকায় শান্তি প্রতিস্থাপনের উপরে সব থেকে বেশি গুরুত্ব দেয় দু’দেশের সেনা৷

অবশেষে সেনা সরাতে রাজি হয়েছে চিন। এতে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমবে বলেই আশা করা যায়।

Continue Reading

দেশ

ছয় রাজ্যে ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নতুন করে সংক্রমিত ১৭,৬৪৭, বাকি দেশে ৬,৬০১

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতের ২৮টি রাজ্য আর ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশে নতুন করে করোনায় (Coronavirus) যত জন সংক্রমিত হয়েছেন তার ৭২.৭৭ শতাংশ হয়েছেন ৫টি রাজ্য আর একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে। অন্যদিকে দেশের বাকি ২৩টি রাজ্য এবং ৭টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে মাত্র ২৭.২৩ শতাংশ সংক্রমণ হয়েছে।

আক্রান্তের সংখ্যায় রাশিয়াকে পেরোলো ভারত, কিন্তু…

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪১৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৮৭। সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৪৩৩। মৃত্যু হয়েছে ১৯,৬৯৪ জনের।

আক্রান্তের সংখ্যায় রাশিয়াকে (Russia) পেরিয়ে এখন তিন নম্বরে উঠে এল ভারত। যদিও ভারতের জনসংখ্যার কথাটি মাথায় রাখলে দেখা যাবে যে ভারতের অবস্থা ততটা খারাপ নয়। এ দেশে এখন প্রতি দশ লক্ষে ৫০৬ জন, যা বাকি সব করোনা-আক্রান্ত দেশের থেকে কম।

কমল মৃত্যু, বাড়ল সুস্থতা

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,২৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৩৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪২৫ জনের। রবিবার মৃত্যু হয়েছিল ৬০৮ জনের। অর্থাৎ, ভারতে মৃতের সংখ্যা একটু হলেও কমেছে।

পাশাপাশি সুস্থতার হার আরও কিছুটা বেড়েছে। বর্তমানে ভারতে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৬০.৮৫ শতাংশ মানুষ। রবিবার, এটা ছিল ৬০.৭৭ শতাংশ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হিসেব বলছে ২১টি রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে সুস্থতার হার জাতীয় গড়ের থেকে বেশি।

সংক্রমণে এগিয়ে যে ৬টি রাজ্য আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন সংক্রমণে সবার ওপরে রয়েছে মহারাষ্ট্র (৬৫৫৫)। এর পর তামিলনাড়ু (৪১৮০), দিল্লি (২২৪৪), কর্নাটক (১৯৫০), তেলঙ্গানা (১৫২০) আর উত্তরপ্রদেশে (১১৫৩) উদ্বেগজনক ভাবে বেড়েছে নতুন সংক্রমণের সংখ্যা।

নতুন সংক্রমণের সংখ্যায় এর পরেই রয়েছে অন্ধ্রপ্রদেশ (৯৯৮) আর পশ্চিমবঙ্গ (৮৯৫)।

আক্রান্তের তালিকায় অষ্টম স্থানে নামল পশ্চিমবঙ্গ

ষষ্ঠ স্থান থেকে অষ্টম স্থানে নামল পশ্চিমবঙ্গ। করোনা-আক্রান্তের তালিকায় তেলঙ্গানা আর কর্নাটক এখন পশ্চিমবঙ্গকে ছাপিয়ে ওপরে উঠে গিয়েছে। কিছুটা হলেও এটা রাজ্যবাসীর কাছে স্বস্তির খবর।

বর্তমানে সংক্রমণের নিরিখে সবার ওপরে রয়েছে মহারাষ্ট্র (২,০৬,৬১৯)। এর পর তামিলনাড়ু (১,১১,১৫১)। তৃতীয় আর চতুর্থ স্থান যথাক্রমে রয়েছে দিল্লি (৯৯,৪৪৪) আর গুজরাত (৩৬,০৩৭)। পঞ্চমে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ (২৭,৭০৭)। ষষ্ঠ আর সপ্তম স্থানে রয়েছে তেলঙ্গানা (২৩,৯০২) আর কর্নাটক (২৩,৪৭৪)। পশ্চিমবঙ্গে এখন আক্রান্তের সংখ্যা ২২,১২৬।

Continue Reading

দেশ

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৪২৪৮, সুস্থ ১৫৩৫০

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় কোনো রকম লাগাম না টানা গেলেও লকডাউনের কড়াকড়ি অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই এখন আক্রান্তের সংখ্যা আগের থেকে অনেকটাই বাড়বে। মঙ্গলবার, তথা ১ জুলাই থেকে নতুন করে কোভিড আপডেট শুরু করল খবরঅনলাইন। ৩০ জুন পর্যন্ত যাবতীয় আপডেট পড়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে

==================================================================

৬ জুলাই, সকাল সাড়ে দশটা

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪১৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৮৭। সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৪৩৩। মৃত্যু হয়েছে ১৯,৬৯৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,২৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৩৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪২৫ জনের। রবিবার মৃত্যু হয়েছিল ৬০৮ জনের।

৫ জুলাই, সকাল দশটা

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৭৩ হাজার ১৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮১৪। সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৯ হাজার ৮৩। মৃত্যু হয়েছে ১৯২৬৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,৮৫০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৩৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬১৩ জনের। দেশে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬০.৭৭ শতাংশ।

৪ জুলাই, সকাল দশটা

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩১৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৪৩৩। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ২২৭। মৃত্যু হয়েছেন ১৮,৬৫৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,৭১১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৪,৩৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪২। দেশে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬০.৮০ শতাংশ।

৩ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৪৪। এর মধ্যে সুস্থতার হারই পৌঁছে গিয়েছে ৬০.৭৯ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৯২ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

দেশে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৩৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮,২১৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২০,৯০৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ২০,০৩২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৭৯ জনের। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগী বেড়েছে মাত্র ৮৯২।

২ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৪ হাজার ৬৪১। যদিও এর মধ্যে ৫৯.৫১ শতাংশ মানুষই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৬০। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৪৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭,৮৩৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯,১৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১১,৯১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৩৪ জনের। রোগীবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে এখন রয়েছে ৩.২৭ শতাংশ।

১ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে পরিসংখ্যান দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪৯৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ২০ হাজার ১১৪। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯৪৮। মৃত্যু হয়েছে ১৭,৪০০ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৬৫৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩,১২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৭ জনের।

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা1 day ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

DIY DIY
কেনাকাটা6 days ago

সময় কাটছে না? ঘরে বসে এই সমস্ত সামগ্রী দিয়ে করুন ডিআইওয়াই আইটেম

খবর অনলাইন ডেস্ক :  এক ঘেয়ে সময় কাটছে না? ঘরে বসে করতে পারেন ডিআইওয়াই অর্থাৎ ডু ইট ইওরসেলফ। বাড়িতে পড়ে...

smartphone smartphone
কেনাকাটা1 week ago

লকডাউনের মধ্যে ফোন খারাপ? রইল ৫ হাজারের মধ্যে স্মার্টফোনের হদিশ

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনা সংক্রমণের হাত থেকে বাঁচতে ঘরে বসে যতটা কাজ সারা যায় ততটাই ভালো। তাই মোবাইল ফোন খারাপ...

কেনাকাটা1 week ago

১০টি ওয়াশেবল মাস্ক দেখে নিন

খবর অনলাইন ডেস্ক : বাইরে বেরোচ্ছেন। মাস্ক অবশ্যই ব্যবহার করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্ক...

নজরে