Chandan Mitra
প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ চন্দন মিত্র

কলকাতা: ২১-এ জুলাইয়ের একটা অঙ্গ হয়ে উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান। সচরাসচর এমনটাই দেখতে অভ্যস্ত বঙ্গবাসী। ২০১১-য় তৃণমূল রাজ্যের ক্ষমতায় আসার পর থেকেই প্রায় প্রতিটি ২১-এ জুলাইয়ে তার নজির রয়েছে।  তবে ২০১৮-এর শহিদ দিবসে সব থেকে বড়ো আলোচ্য বিষয় সম্ভবত বিজেপির দু’বারের প্রাক্তন সাংসদ চন্দন মিত্রের তৃণমূলে যোগ দান।

চার দিন আগেই প্রকাশ্যে এসেছিল বিজেপি থেকে ‘দ্য পাইওনিয়ার’ পত্রিকার সম্পাদক চন্দনবাবুর পদত্যাগের ঘটনা। জানা গিয়েছিল, তিনি দল থেকে পদত্যাগের আবেদন সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু দল তা গ্রহণ করেছে কি না, তা তখনও জানা যায়নি। এখনও পর্যন্ত সে বিষয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কোনো মন্তব্য করেননি। এরই মাঝে তিনি কলকাতার ধর্মতলায় শহিদ দিবসের মঞ্চে সশরীরে উপস্থিত থেকে তৃণমূলে যোগ দিলেন।

এ দিনের সভায় তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন জাতীয় কংগ্রেসের চার বিধায়কও। তবে সমর মুখোপাধ্যায়, আবু তাহের, সাবিনা ইয়াসমিন এবং আখরুজ্জামানরা দলবদল করলেও অপর আর এক বিধায়ক এ দিন অনুপস্থিত ছিলেন। কয়েক দিন ধরেই তাঁর দলবদলের কথা সংবাদ মাধ্যমে চাউর হয়ে গিয়েছিল। অন্য দিকে এ বারের ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সিপিএম বহিষ্কৃত সাংসদ ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং চারবারের প্রাক্তন সাংসদ মইনুল হাসান।

আরও পড়ুন: ২১-এর মঞ্চ থেকে ‘৪২’ দখলের ডাক দিলেন মমতা

যদিও বিজেপি থেকে চন্দনবাবুর তৃণমূলে যোগ দেওয়াকে কেন্দ্র করেই উত্তাল সর্বভারতীয় রাজনীতি। সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের কইরানা লোকসভা উপনির্বাচনের সময় থেকেই নরেন্দ্র মোদী সরকারের সমালোচনায় সরব হন তিনি। কিন্তু আচমকা তাঁর বিজেপি ত্যাগ এবং চার দিন বাদেই তৃণমূলে যোগদান সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের শিরোনাম হয়ে উঠেছে।

একটি সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়েছে, চন্দনবাবু দাবি করেছেন, বিজেপির হয়ে তাঁর মনোনয়ন আদতে ছিল একটি “দুর্ঘটনা”। এ প্রসঙ্গে তিনি “বন্ধুসম” কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির নামও উত্থাপন করেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here