Connect with us

দেশ

বিজেপি পার্টি অফিসের বাইরে সস্তায় পেঁয়াজ বিক্রি করলেন প্রাক্তন সাংসদ পাপ্পু যাদব

ওয়েবডেস্ক: প্রাক্তন সাংসদ ও জন অধিকার পার্টির (জেএপি) আহ্বায়ক পাপ্পু যাদব মঙ্গলবার পটনায় বিজেপি কার্যালয়ের বাইরে চুটিয়ে পেঁয়াজ বিক্রি করলেন। পেঁয়াজের দাম ক্রমশ বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষের কষ্ট লাঘব করতেই তিনি মাত্র ৩৫ টাকা কেজি দরে তা তাঁদের কাছে পৌঁছে দিলেন বলে দাবি বিহারের দাপুটে নেতার।

গত কয়েক মাস ধরেই পেঁয়াজের দাম দেশ জুড়ে আকাশ ছোঁয়ার লক্ষ্যে। পটনায় প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে পাপ্পু যাদব সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর এবং বিজেপির বিরুদ্ধে আক্রমণ শানাতে এই সুযোগকেই বেছে নিয়েছেন।

এলাকায় কম দামে পেঁয়াজ বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা কেনার জন্য কয়েক’শ লোক বিজেপি কার্যালয়ের বাইরে ভিড় জমান।

ইন্ডিয়া টুডে টিভিতে পাপ্পু বলেন, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পেঁয়াজের দাম বাড়ার পরেও সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তিনি কেন্দ্রীয় ভোক্তা বিষয়ক, খাদ্য ও বিতরণমন্ত্রী রামবিলাস পাসওয়ানের মন্তব্য তুলে ধরে বলেন, মন্ত্রী বলেছিলেন কেন্দ্র পেঁয়াজ আমদানি করছে এবং ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে দাম কমবে। কিন্তু এখন মানুষ কী ভাবে চলবে?

তিনি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, “কেন্দ্র এবং বিহার রাজ্য সরকার সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দেওয়ার জন্য কিছুই করছে না। কেন্দ্র যখন জ্বালানির উপরে ভরতুকি দিতে পারে, তখন কেন তারা পেঁয়াজের উপর ভরতুকি দিতে পারবে না। মন্ত্রী বলেছিলেন যে আগামী দিনগুলিতে দাম কমে যাবে, ততদিন মানুষ কী করবে”?

অন্য দিকে, বিজেপি বিধায়ক ও মুখপাত্র প্রেমরঞ্জন পটেল এ দিন বিজেপি কার্যালয়ের বাইরে সস্তার পেঁয়াজ বিক্রি করা নিয়ে পাপ্পু যাদবের পদক্ষেপকে ‘নাটক’ বলে অভিহিত করেছেন।

এমনিতে পেঁয়াজ নিয়ে দেশের অন্যত্রও সংকটে পড়েছে সাধারণ মানুষ। বিহারে পরিস্থিতি এমনই যে কোথাও কোথাও খোলা বাজারে ৮০-১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রাজ্য সমবায় বিপণন ইউনিয়ন লিমিটেড প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৩৫ টাকায় বিক্রি করছে। জনরোষে পড়ার আশঙ্কায় রাজ্য সমবায় সংস্থার কর্মীরা জনগণের ক্ষোভ থেকে রক্ষা পেতে হেলমেট পরা অবস্থায় পেঁয়াজ বিক্রি করছেন। এমনই দৃশ্য দেখা গিয়েছে বিহারে।

দেশ

করোনায় স্বস্তির খবর, ১.১৩ থেকে আর নম্বর কমে এখন ১.১১

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় পর্যায়ের আনলকে (Unlock 2) এখন রোজ রোজ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে রোগী বৃদ্ধির হার এখন আগের থেকে অনেকটাই কম। এরই মধ্যে আশা এবং স্বস্তির খবর শোনালেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতে করোনার ‘এফেক্টটিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর’ (Effective Reproduction Number) তথা ‘আর নম্বর’ এখন কমে এসেছে ১.১১-এ।

এমনই জানিয়েছন চেন্নাইয়ের ইন্সটিটিউট অব ম্যাথামেটিকাল সায়ান্সেসের (আইএমএস) গবেষক অধ্যাপক সীতভ্র সিনহা জানিয়েছেন। এই ‘আর নম্বর’ (R Number) যদি এমনই থাকে তা হলে ২৯ জুলাই ভারতে করোনায় (Coronavirus) চার লক্ষ সক্রিয় রোগী থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, জুনের শেষ সপ্তাহে এই আর নম্বর ১.১৩ হয়েছিল। তার পর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সেটা বেড়ে ১.১৯ হয়ে যায়। আবার সেটা বেশ কিছুটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক সিনহা।

এই আর নম্বরটি আদতে কী?

এটি হল সংক্রমণের হার মাপার একটি গাণিতিক হিসেব। এক জন করোনা রোগী কত জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করছেন আর সেই সংখ্যার হিসেবে হার কতটা বাড়ছে, সেটাই হিসেব হয় এই নম্বরটি দিয়ে।

এই আর নম্বরটি তিনটে ফ্যাক্টরের ওপরে নির্ভর করে। প্রথমত, এক জন করোনা পজিটিভ রোগীর মধ্যে দিয়ে অন্য জনে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কতটা, দ্বিতীয়ত, আক্রান্ত ও সংক্রমণের সন্দেহে থাকা ব্যক্তিরা কত জনের সংস্পর্শে আসছেন তার গড় হিসেব, তৃতীয়ত, এক জনের থেকে সংক্রমণ কত জনের মধ্যে এবং কত দিনে ছড়াচ্ছে তার গড় হিসেব।

সিনহা জানাচ্ছেন গত এপ্রিলে এই আর নম্বর ছিল ১.৮৩।

উল্লেখ্য, এপ্রিলে ভারতে করোনা রোগীর বৃদ্ধির হার ১৫ থেকে কুড়ি শতাংশের মধ্যে ছিল। কিন্তু এখন তা ৩ শতাংশের আশেপাশে নেমে এসেছে। রোগীবৃদ্ধির হার কমাই, এই আর নম্বর কমে যাওয়ার প্রমাণ।

বিশেষজ্ঞরা আগেও বলেছেন, চিন, ইতালি, আমেরিকায় এই আর নম্বর ছিল ২ থেকে ৩-এর মধ্যে। সে কারণে ওই সব দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে অতি দ্রুত। তুলনায় ভারতে সংক্রমণ ছড়ানোর গতি অনেকটাই কম।

এই আর নম্বর ১-এর নীচে চলে এলেই করোনার ওপর নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে। কারণ সেটা হলে একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে একজন সুস্থ ব্যক্তির সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

তবে আর সতর্কতা অবলম্বন না করলে আর নম্বর যে ফের বাড়তে পারে, সে ব্যাপারেও সতর্ক করে দিয়েছেন সিনহা।

Continue Reading

দেশ

মন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি পদ থেকে অপসারিত সচিন পায়লট

খবরঅনলাইন ডেস্ক: শেষ পর্যন্ত রাজস্থানের (Rajasthan) উপ-মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হল সচিন পায়লটকে (Sachin Pilot)। একই সঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে।

সচিনের পাশাপাশি আরও দুই মন্ত্রীকে রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাঁরা হলেন বিশ্বেন্দ্র সিংহ ও রমেশ মিনা। এই তিন মন্ত্রীকে মন্ত্রীসভা থেকে সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত রাজ্যপাল কলরাজ মিশ্রকে জানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌত (Ashok Gehlot)।

সচিন পায়লটের জায়গায় প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি করা হয়েছে গোবিন্দ সিংহ দোতাসরাকে।

মঙ্গলবার সকালে জয়পুরে কংগ্রেস পরিষদীয় দলের যে দ্বিতীয় সভা বসে তাতেও গরহাজির থাকেন সচিন পায়লট ও তাঁর অনুগামীরা। তার পরেই এই সিদ্ধান্ত হয়।

সচিনের প্রতিক্রিয়া

শেষ কয়েক দিন ধরেই সচিন এবং অশোক শিবিরের দ্বন্দ্ব তীব্র আকার ধারণ করে। বিশেষত, গত সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গহলৌতের সংবাদিক বৈঠকের পর দল ভাঙানোর অভিযোগ নিয়ে বিশেষ তদন্তের ঘটনা অন্য মাত্রা যোগ করে। গত রবিবার নিজের অনুগামী বিধায়কদের নিয়ে সচিনের দিল্লির যাওয়ার ঘটনায় তাঁর দল ছাড়ার ইঙ্গিত আরও জোরালো হয়।

এ দিন কংগ্রেসের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর সচিন টুইটারে লিখেছেন, “সত্যকে হয়রানি করা যায়, তবে হারিয়ে দেওয়া যায় না”।

বিধানসভায় কংগ্রেসের বর্তমান অবস্থান

২০০ সদস্যের রাজস্থান বিধানসভায় এখন কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা একশোর বেশি (নির্দল-সহ)। এর আগে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ছিল ১০৭, অন্য দিকে সমর্থন ছিল ১৩ নির্দল বিধায়কের। কিন্তু বর্তমানে কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা ৯০-এ নেমে এসেছে, অন্য দিকে সমর্থনকারী নির্দল বিধায়কের সংখ্যা কমে হয়েছে সাত।

তবে গত সোমবার সন্ধ্যায় ১০২ জন বিধায়ককে রিসর্টে রেখেছে কংগ্রেস। যা রাজ্যের ক্ষমতা ধরে রাখার জন্য ম্যাজিক ফিগারের থেকে সামান্য হলেও বেশি।

Continue Reading

দেশ

পরিষদীয় দলের দ্বিতীয় বৈঠকেও গরহাজির সচিন পায়লট

রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, আহমেদ পটেল, পি চিদাম্বরম, কেসি বেণুগোপালরা গত কয়েকদিনে বার বার সচিনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আমন্ত্রণ জানানো হলেও ফের পরিষদীয় দলের বৈঠকে গরহাজির রাজস্থানের উপমুখ্যমন্ত্রী সচিন পায়লট (Sachin Pilot)।

কংগ্রেস সূত্রে খবর, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী, আহমেদ পটেল, পি চিদাম্বরম, কেসি বেণুগোপালরা গত কয়েক দিনে বার বার সচিনের সঙ্গে কথা বলে তাঁর মান ভাঙানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সচিন কোনো কথাই শুনতে রাজি হচ্ছেন না।

সূত্রের খবর, সচিনকে বার বার বোঝানো হয়েছে যে এখনও সময় রয়েছে দলে ফিরে আসার। কিন্তু তাঁর তরফ থেকে ইতিবাচক কোনো ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। এই আবহেই মঙ্গলবার সকাল দশটা থেকে কংগ্রেসের দ্বিতীয় পরিষদীয় বৈঠক শুরু হয়ে গিয়েছে, সচিনকে ছাড়াই।

এ দিকে সোমবার রাতে সচিন পায়লট (Sachin Pilot) শিবির একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এনেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে অন্তত ১৫ জন বিধায়ক সচিন শিবিরকে সমর্থন করছে। তারা হরিয়ানার মানেসারের একটি হোটেলে রয়েছেন বলে সংবাদসংস্থা এএনআইয়ের দাবি।

সচিন শিবিরের দাবি তাদের পক্ষে অন্তত ৩০ জন বিধায়ক রয়েছেন। তবে সোমবারের ভিডিওয় ১৫ জনকে দেখা যাচ্ছে। তবে সেটাও যদি হয়, তা হলেও রাজস্থানে সংকট আসন্ন।

সোমবার সকালেই অশোক গহলৌত (Ashok Gehlot) শিবির দাবি করেছিল, তাদের দিকে একশোরও বেশি বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। এর পর পালটা সচিন বলেন, “আমার কাছেই তো ২৫ জন রয়েছেন।” ফলে প্রকৃত সংখ্যাটা কত, কোনো শিবিরই ঠিক করে বলতে পারেননি।

উল্লেখ্য, সোমবার গহলৌত শিবির যে বৈঠক করে, তাতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় যে সচিন-সহ বিদ্রোহী কংগ্রেসিদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থাই নিতে হবে। কাউকে রেয়াত করলে চলবে না।

Continue Reading
Advertisement

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা5 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা7 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে