নয়াদিল্লি: গোপনীয়তার অধিকার একটি মৌলিক অধিকারই। এই দাবিতে শীর্ষ আদালতে গেল পশ্চিমবঙ্গ-সহ চারটে অ-বিজেপি রাজ্য। গোপনীয়তার অধিকার, মৌলিক কি না এই ব্যাপারে শুনানি চলছে প্রধান বিচারপতি জেএস খেহরের নেতৃত্বাধীন ন’ জন বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে।

কেন্দ্র অবশ্য গোপনীয়তার অধিকারকে মৌলিক বলে মানতে চায় না। তাদের মতে এটি সাধারণ আইনি অধিকার। কেন্দ্রের এই অবস্থানের বিরুদ্ধে বুধবার সুপ্রিম কোর্টে যায় পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও কংগ্রেস শাসিত পঞ্জাব, কর্নাটক এবং পুদুচেরি। এই চারটে রাজ্যের পক্ষে মামলা লড়ছেন আইনজীবী কপিল সিবাল।

ন’ জন বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে খেহর ছাড়াও রয়েছেন বিচারপতি জে চেলামেশ্বর, বিচারপতি এসএ বোবদে, বিচারপতি আরকে আগরওয়াল, বিচারপতি ফলি নরিমান, ভিচারপতি এএম সাপ্রে, বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়, বিচারপতি এসকে কৌল এবং বিচারপতি এসএ নাজির। সাংবিধানিক বেঞ্চের সামনে সিবাল যুক্তি দেন, “গোপনীয়তার অধিকার কখনোই অবাধ অধিকার হতে পারে না বটে, তবে এটা মৌলিক অধিকার। দু’টোর মধ্যে ভারসাম্য আনা উচিত আদালতের।” এই বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি চলছে।

প্রসঙ্গত গোপনীয়তার অধিকারের বিষয় শুনানির জন্য প্রথমে পাঁচ বিচারপতি সাংবিধানিক বেঞ্চ তৈরি করেছিল শীর্ষ আদালত। সেখান থেকে মামলাটি নয় বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে আসে। আধার কার্ডে নিজের তথ্য দিয়ে দিলে তাতে গোপনীয়তার অধিকার খর্ব হয়, আবেদনকারীদের এই মামলার পরিপ্রেক্ষিতেই শুনানি চলছে শীর্ষ আদালতে।

গত ১৯ জুলাই নিজেদের জবাবে শীর্ষ আদালত জানিয়েছিল গোপনীয়তার অধিকার মৌলিক অধিকার নয় এবং এটি শুধুমাত্র সাধারণ আইনি আধিকার।

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন