Connect with us

দেশ

‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানে কানহাইয়াকে সম্ভাষণ, জবাবে তিনি কী বললেন

kanhaiya kumar at mangalore

ওয়েবডেস্ক: মেঙ্গালুরুর এক সমাবেশে এক ছাত্রী জানতে চেয়েছিলেন ‘এক রাষ্ট্র’ তত্ত্ব, ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান আর ‘রামায়ণ’ সম্পর্কে তাঁর মত কী। জবাবে কমিউনিস্ট নেতা কানহাইয়া কুমার যা বললেন তা রীতিমতো ভাইরাল হয়ে গেল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সিপিআই নেতা বিভি কক্কিলয়ার জন্মশতবর্ষ উপলক্ষ্যে মেঙ্গালুরুতে ‘ইউথ অ্যাট ক্রসরোডস’ শীর্ষক এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই অনুষ্ঠানে অন্যতম প্রধান বক্তা ছিলেন জেএনইউ প্রাক্তনী কমিউনিস্ট নেতা কানহাইয়া কুমার।

আরও পড়ুন হাওড়ায় জোম্যাটো কর্মীদের বিক্ষোভে ধর্ম বা খাবারের কোনো যোগ নেই: প্রতিষ্ঠাতা

কানহাইয়া বক্তৃতা দিতে উঠলে শ্রোতাকুলের মধ্য থেকে এক ছাত্রী তাঁকে বিব্রত করার চেষ্টা করেন। তিনি কানহাইয়াকে ‘জয় শ্রীরাম’ বলে সম্ভাষণ করেন এবং স্বাধীনতা দিবসের আগে ‘জয়হিন্দ’ ধ্বনি দেওয়ার দাবি করতে থাকেন।

“আপনি বলেছেন ‘জয় শ্রীরাম’। কিন্তু আমি যে অঞ্চল থেকে এসেছি, সেখানে আমরা বলি ‘সীতারাম’” – বিপুল হর্ষধ্বনির মধ্যে জবাব দেন কানহাইয়া।

এর পর সেই ছাত্রী কার্যত আক্রমণ করে বসেন কানহাইয়াকে, জানতে চান ‘এক রাষ্ট্র, এক রাজনীতি’ সম্পর্কে তাঁর অভিমত কী।

“রাষ্ট্র একটাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু যে সংবিধান দেশের প্রতিনিধিত্ব করে, সেই সংবিধানে আছে ৩০০-র বেশি অনুচ্ছেদ। যে সংসদ এক রাষ্ট্রকে প্রতিনিধিত্ব করে, সেই সংসদের রয়েছে দু’টি কক্ষ – লোকসভা আর রাজ্যসভা। আর এই লোকসভায় যাঁরা নির্বাচিত হন, তাঁদের সংখ্যা ৫৪৫। সুতরাং যে ‘অনন্যতা’র কথা আমরা বলি, তার মধ্যেই রয়েছে বৈচিত্র্য” – জবাবে বলেন কানহাইয়া।

তিনি বলেন, “আপনি ‘জয় শ্রীরাম’, ‘জয় হনুমান’ বা যা খুশি বলতে পারেন। আপনার সেই স্বাধীনতা আছে এবং সেই স্বাধীনতা আপনাকে দিয়েছে সংবিধান। সুতরাং আমি আপনাকে অনুরোধ করছি, যে সংবিধান আপনাকে এই স্বাধীনতা দিয়েছে, মাঝে মাঝে সেই সংবিধানের নামেও জয়ধ্বনি দিন।”

সেই ছাত্রীকে উদ্দেশ করে কানহাইয়া কুমার আরও বলেন, “আমি আশা করি আপনি একদিন পিএইচডি করবেন। যদি কোনো দিন পিএইচডি করেন, আমি আপনাকে অনুরোধ করব, আমাদের দেশে রামায়ণের যে সব লিখিত ভাষ্য আছে, তা নিয়ে পিএইচডি করুন। আমি আপনাকে বলতে চাই, আমাদের দেশে রামায়ণের লিখিত ভাষ্য আছে ৩০০-রও বেশি।”

দেশকে তিনি কী ভাবে ভালোবাসেন তা ব্যাখ্যা করেন কানহাইয়া – “আপনার দেশ আপনার, যেমন আপনার মা আপনার। কিন্তু মা-কে কী ভাবে ভালোবাসবেন সেটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু আপনি যখন রাস্তা দিয়ে হাঁটবেন, তখন যদি কেউ কোনো রঙের পতাকা নিয়ে এবং মুখে কোনো ধ্বনি নিয়ে আপনার কাছে আসে এবং আপনাকে আপনার মায়ের প্রতি ভালোবাসার প্রমাণ দিতে বলে, আপনার জবাব কী হবে? এই দেশটা আমাদের, আমরা এই দেশকে ভালোবাসি এবং আমাদের কাছে ভালোবাসাটা কোনো দেখানোর জিনিস নয়। আমরা আমাদের অন্তরের অন্তস্তল থেকে ভালোবাসি।”

কানহাইয়ার এই জবাবে দেশ জুড়ে প্রশংসার বন্যা বয়ে গিয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় হয়েছে ভাইরাল।

দেশ

নতুন রোগী বৃদ্ধির হার আরও কমল দেশে, কমল মৃত্যুহারও

খবর অনলাইনডেস্ক: ভারতে করোনায় আক্রান্ত নতুন রোগী বৃদ্ধির হারে অনেকটাই পতন দেখা গেল মঙ্গলবার। সোমবারের তুলনায় মঙ্গলবার নতুন রোগী বাড়ল মাত্র ৪.২৮ শতাংশ। রোগী বৃদ্ধির হার এতটা কম কিন্তু এখনও পর্যন্ত দেখা যায়নি ভারতে। পাশাপাশি মৃত্যুহারেও আরও কিছুটা পতন দেখা গিয়েছে।

মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এই মুহূর্তে করোনায় মোট সংক্রমিতের সংখ্যা এক লক্ষ ৯৮ হাজার ৭০৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৯৭,৫৮১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৫,৫২৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫,৫৯৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে করোনায় (Coronavirus) নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৮,১৭১ জন। সুস্থ হয়েছেন ৩,৭০৮ জন। এই সময়ে ২০৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

ভারতে এই মুহূর্তে মৃত্যুহার কমে এসেছে ২.৮১ শতাংশে। ফলে বোঝা যাচ্ছে করোনাভাইরাস এমন সাংঘাতিক কোনো ভাইরাস নয়। যেমন আরও হাজারটা ভাইরাসের সঙ্গে সাধারণ মানুষকে মোকাবিলা করতে হয়, করোনা ঠিক তেমনই। তফাৎ বলতে, অন্য সব ভাইরাসের থেকে করোনা একটু বেশি ছোঁয়াচে।

৪৮ ঘণ্টা পর ভারতে করোনায় নতুন আক্রান্তের সংখ্যা যেমন কমেছে, তেমনই কমেছে রোগী বৃদ্ধির হার। শুকনো অঙ্কই বুঝিয়ে দিচ্ছে ভারতে আনলক ১ শুরু হলেও এখনও প্রত্যাশিত ভাবেই করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা এগোচ্ছে, নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রয়েছে সব কিছু।

ফলে অযথা আতঙ্কিত হবেন না। যাঁদের রাস্তায় বেরোতে হচ্ছে তাঁদের মধ্যেও কোনো আতঙ্ক তৈরি করবেন না। এখন আতঙ্কিত নয়, সতর্ক থাকার সময়।

Continue Reading

দেশ

দুর্বল ঘূর্ণিঝড় হিসেবে নিসর্গ আঘাত হানতে পারে মুম্বইয়ে

মুম্বই: সম্ভবত মামুলি ঘূর্ণিঝড় হিসেবেই উপকূল পেরোবে নিসর্গ (Cyclone Nisarga)। ল্যান্ডফলের সময়ে হাওয়ার গতিবেগ খুব বেশি হলে ঘণ্টাপ্রতি ১০০ কিলোমিটারের আশেপাশে থাকতে পারে। কিন্তু তাতেই কার্যত ত্রস্ত হয়ে গিয়েছে মুম্বই-সহ গোটা মহারাষ্ট্র (Maharashtra) উপকূল।

আসলে মহারাষ্ট্র খুব একটা ঘূর্ণিঝড়প্রবণ নয়। ২০০৯ সালে শেষবার একটি ঘূর্ণিঝড় মহারাষ্ট্রে আছড়ে পড়েছিল ঠিকই, কিন্তু সেও মামুলি ঝড় হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি খুব একটা হয়নি। তাই ঘূর্ণিঝড়ের সঙ্গে ঠিক ভাবে পরিচিত নয় মহারাষ্ট্রে। ফলে মামুলি ঘূর্ণিঝড় হলেও তা নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মুম্বইয়ে।

এ বার করোনাভাইরাসের (Coronavirus) কারণে আতঙ্ক অনেকটাই বেশি। সোমবারের হিসেব বলছে মহারাষ্ট্রে আক্রান্তের সংখ্যা ৭০ হাজার ছাড়িয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র মুম্বইয়েই ৪০ হাজার। শহরে অসংখ্য কনটেনমেন্ট জোন। প্রশাসনের আশঙ্কা, ঝড়ের কারণে কোনটেনমেন্ট জোনে নজরদারি কমতে পারে। এর ফলে শহরে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

আবহাওয়া দফতরের থেকে ঘূর্ণিঝড়ের গতিপথের যে মানচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে তাতে বলা হয়েছে যে মহারাষ্ট্রের হরিহরেশ্বর (Harihareswar) আর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দমনের (Daman) মধ্যে দিয়ে ঝড়টি স্থলভাগে ঢুকবে। মুম্বই, ঠানে, পালঘর অঞ্চলগুলি ঝড়ের গতিপথেই পড়েছে।

বুধবার রাতের দিকে এই ঝড় স্থলভাগে ঢুকতে পারে। তবে ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের (Cyclone Amphan) সঙ্গে তুলনা করলে নিসর্গ খুবই মামুলি ঝড় তাতে সন্দেহ নেই। কিন্তু এই ঝড়ের সঙ্গেই প্রচুর বৃষ্টির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। মহারাষ্ট্র আর দক্ষিণ গুজরাত উপকূলে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা রয়েছে।

ঘূর্ণিঝড়ের মোকাবিলা করতে রাজ্যে ন’টি দল পাঠিয়েছে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী (এনডিআরএফ)। এর মধ্যে শুধুমাত্র মুম্বইয়েই তিনটে দল রয়েছে। পালঘরে ২টি দল রয়েছে। এ ছাড়া একটি করে দল রয়েছে ঠানে, রায়গড়, রত্নাগিরি, সিন্ধুদুর্গে।”

তবে নিসর্গকে মোকাবিলা করা যে অনেকটাই সহজ হবে, সেটা জানিয়েছেন এনডিআরএফের (NDRF) ডিজি এসএন প্রধান। তিনি বলেন, “নিসর্গতে হাওয়ার গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিমি থাকতে পারে। এটা মোকাবিলা করা অনেকটাই সহজ। তবুও আমরা ঢিলে দিচ্ছি না। উপকূলে বসবাসকারী মানুষদের নিরাপদে সরাতে শুরু করেছি।”

ঘূর্ণিঝড় উম্পুনের তাণ্ডবে কলকাতা তছনছ হওয়ার পর এ বার মুম্বইয়ের পালা। তবে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, হাওয়ার গতিবেগ কম থাকায় কলকাতার মতো ভয়াবহ অবস্থা মুম্বইয়ের হবে না।

Continue Reading

দেশ

১৮টি রাজ্যসভা আসনে ভোট আগামী ১৯ জুন: নির্বাচন কমিশন

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে রাজ্যসভার ১৮টি আসনে নির্বাচন স্থগিত ছিল।

Parliament

নয়াদিল্লি: দেশের সাতটি রাজ্য থেকে ১৮টি রাজ্যসভা আসনের স্থগিত থাকা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানায়, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে রাজ্যসভার (Rajya Sabha) যে ১৮টি আসনে নির্বাচন স্থগিত ছিল, সেগুলিতে আগামী ১৯ জুন ভোটগ্রহণ হবে।

কোন রাজ্যে ক’টি আসন?

অন্ধ্রপ্রদেশ-৪টি

গুজরাত-৪টি

মধ্যপ্রদেশে-৩টি

রাজস্থান-৩টি

ঝাড়খণ্ড- ২টি

মণিপুর-১টি

মেঘালয়-১টি

একই সঙ্গে একটি বিবৃতিতে কমিশন জানায়, ১৯ জুন সন্ধ্যায় ভোটগণনা হবে।

ভোটগ্রহণে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবকে কোভিড-১৯ (Covid-19) প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

গত মার্চ মাসে এই আসনগুলিতে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারি (Coronavirus pandemic) এবং লকডাউনের জেরে তা স্থগিত হয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে ১৭টি রাজ্যের ৫৫ আসনে ভোট ঘোষণা করে কমিশন। সেগুলির মধ্যে ১০টি রাজ্যের ৩৭ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং