School-student

ওয়েবডেস্ক: গত শনিবার মানবসম্পদ উন্নয়নমন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর ঘোষণা করেন, আগামী ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকেই এনসিইআরটি পাঠক্রমের বহর ছেঁটে অর্ধেক করা হবে।

মন্ত্রীর মতে, এখনকার স্কুল পড়ুয়াদের উপর স্নাতক স্তরের থেকেও বেশি পাঠক্রম চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে। একজন ছাত্র-ছাত্রীকে বিএ-বিকম পড়তে হয় যে বহরের সিলেবাস মেনে, ওই সব স্কুল পড়ুয়ারা তাদের সমতুল্য চাপ নিয়ে চলেছে। ফলে শিক্ষার মান উন্নত করতে হলে এখনই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলার দরকার রয়েছে। স্থির হয়েছে, আগামী ২০১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকেই নতুন পাঠক্রম কার্যকর হবে। তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। ওই নতুন পাঠক্রম অনুযায়ী পরীক্ষা নেওয়ার জন্য বিশেষ পদ্ধতি অনুসরণেরও রূপরেখা তৈরি করছে কাউন্সিল।

আরও পড়ুন: বিএড: ২৮ মার্চের মধ্যেই জমা পড়ছে শিক্ষকদের যোগ্যতা নির্দেশক কমিটির রিপোর্ট

পরীক্ষা এবং ফলাফলের গুরুত্ব বিচারেও অভিনবত্ব নিয়ে আসতে চলেছে কাউন্সিল। মন্ত্রী বলেন, পরীক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে সুস্থ প্রতিযোগিতা অবশ্যই থাকবে। প্রতিযোগিতা না থাকলে লক্ষ্য বলে আর কিছুই থাকবে না। কিন্তু পাশ-ফেলের আবর্তে ফেলে কোনো পড়ুয়াকে একই শ্রেণীতে আটকে রাখা বা স্কুল থেকে বহিষ্কারের ব্যাপারে নির্দিষ্ট নীতি গ্রহণ করবে কাউন্সিল। এই সংক্রান্ত্র বিলটি সংসদের আগামী অধিবেশনে প্রস্তাবাকার উত্থাপন করা হবে। বিলটির খসড়া চলতি মাসের মধ্যেই তৈরি হয়ে যাবে বলে মন্ত্রী জানান।

আরও পড়ুন: স্কুল শিক্ষকদের নিয়ে সংসদীয় কমিটির রিপোর্ট, বাংলার হালও বেহাল

শিক্ষকদের গুণগত মান সম্পর্কে তাঁর সোজাসাপটা মন্তব্য, শিক্ষা ব্যবস্থা যদি দুর্বল হয়, তা হলে সেখান তেকে তৈরি হওয়া শিক্ষকরাও সবল হবেন কী ভাবে? ২০১৫ সালে সংগৃহীত পরিসংখ্যান থেকে জানা গিয়েছে, দেশের ২০ লক্ষ শিক্ষকের মধ্যে মাত্র পাঁচ লক্ষের শিক্ষকতার প্রশিক্ষণ রয়েছে। কোনো শিক্ষকের প্রাথমিক কাজ হওয়া উচিত, ছাত্র-ছাত্রীর দক্ষতা এবং দুর্বলতার নিরূপণ করা।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন