ওয়েবডেস্ক: ইংরেজি কোনো এক শব্দের মানে জানা নেই? মুশকিল আসান গুগল তো আছেই। অনলাইন হয়ে শুধু প্রশ্ন করার অপেক্ষা। নিমেষের মধ্যে উত্তর দিয়ে দেবে গুগল। দু’দশক আগেও সমস্যার সমাধান এত সহজ ছিল না কিন্তু। ঘরে ঘরে রাখা হত মোটা সোটা অভিধান। সেই অভিধান ঘেঁটে তবে উদ্ধার করা হত শব্দের মানে। আর এই অভিধান তৈরির কাজটা করতেন কারা? ইংরেজিতে গালভরা এক নামও রয়েছে তাদের – লেক্সিকোগ্রাফার। স্যামুয়েল জনসন সেই রকমই এক জন লেক্সিকোগ্রাফার। ১৭৫৫ সালে প্রকাশিত হয় স্যামুয়েলের ইংরেজি অভিধান। ইতিহাস কিন্তু আধুনিক অভিধানের জনক হিসেবেই মনে রেখেছে স্যামুয়েল জনসনকে। তাঁর ৩০৮তম জন্মদিনে গুগল ডুডলের অনলাইন প্রচ্ছদে তাই সোমবার দিনভর তারই ছবি।

কেমন ছিল আধুনিক অভিধান তৈরির কাজ? ভেবেছিলেন তিন বছরে কাজ সম্পূর্ণ হবে। শেষমেশ লেগেছিল ন’বছর। তবে এত বড়ো এক কাজের জন্য নাকি শুধু বিকেলটুকুই বরাদ্দ ছিল ব্রিটিশ এই আভিধানিকের। ১৯২৮-এ অক্সফোর্ড অভিধান প্রকাশিত হওয়ার আগে পর্যন্ত এটাই ছিল সব চেয়ে বেশি ব্যবহৃত ইংরেজি অভিধান। সে ভাষায় যদিও জনসনের অভিধানই প্রথম নয়, তবে গুণগত মানের দিক থেকে সেটি ছিল সবার সেরা।

অষ্টাদশ শতকে প্রকাশিত সেই অভিধানে শব্দের সংখ্যা ছিল ৪২৭৭৩। আর দাম? ৪১০ ডলার। এখনকার সময়ে যার মূল্য ৩০ হাজার ৫০০ টাকার কাছাকাছি। আভিধানিক ছাড়াও আরও নানা পরিচয় ছিল স্যামুয়েলের। কবি, সমালোচক, রচনাকার, জীবনীকার, সম্পাদক সে সব পরিচয়ের কয়েকটা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here