Employees
সরকারি কর্মী। প্রতীকী ছবি

নয়াদিল্লি: করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের (Coronavirus outbreak) জেরে লকডাউনের কারণে বিভিন্ন সংস্থায় কর্মী এবং বেতন ছাঁটাই অথবা বেতন দিতে বিলম্ব হওয়া-সহ বিভিন্ন বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করছে কেন্দ্রীয় সরকার।

এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড অর্গানাইজেশন (ইপিএফও) এবং এমপ্লয়িজ স্টেট ইন্সুরেন্স কর্পোরেশন (ইএসআইসি)-র কাছ থেকে ওই তথ্য সংগৃহীত হওয়ার পর শ্রমমন্ত্রক ওই পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট পেশ করবে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে (পিএমও)।

মারণ ভাইরাস সংক্রমণের জেরে চরম সংকটে পড়েছে অর্থনীতি। বিভিন্ন সংস্থা কর্মী এবং বেতন ছাঁটাইয়ের প্রস্তাব দিয়েছে ইতিমধ্যেই। সংগঠিত শিল্পক্ষেত্রগুলির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী আগেই অনুরোধ জানিয়েছেন, কর্মীদের প্রতি সহমর্মী হওয়ার। একই সঙ্গে কর্মীদের বসিয়ে না দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

অন্য দিকে শ্রমমন্ত্রকও বিজ্ঞপ্তি জারি করে শিল্পগুলিকে কর্মীদের চাকরি থেকে বরখাস্ত অথবা বেতন ছাঁটাই না করার পরামর্শ দিয়েছে। কিন্তু বাস্তব পরিস্থিতির উপর নির্ভর করেই একাধিক সংস্থা এ বিষয়ে নিজেদের প্রস্তাব পেশ করেছে।

মন্ত্রকের এক আধিকারিক সংবাদ মাধ্যমের কাছে জানান, তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে এপ্রিলের শেষ থেকে আগামী মে মাসের ৭ তারিখ পর্যন্ত বিশেষ পর্যবেক্ষণের সময়। ওই সময়ই কর্মীদের বেতন দেওয়া হয়ে থাকে।

ইপিএফও (EPFO)-র গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি, অন্য দিকে ইএসআইসি (ESIC)-র গ্রাহক প্রায় ৩ কোটি। দু’টির সংখ্যার মধ্যে ফারাকও রয়েছে যথেষ্ট। তবে ইপিএফও-র আঞ্চলিক দফতরগুলি ফোন করে এ বিষয়ে তথ্য সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আরও পড়ুন: কমল রিভার্স রেপো রেট, করোনার সঙ্গে যুঝতে আরও একগুচ্ছ পদক্ষেপ রিজার্ভ ব্যাঙ্কের

শ্রমমন্ত্রক (Labour Ministry) ইতিমধ্যেই সারা দেশে ২০টি কল সেন্টার স্থাপন করেছে। ওই কল সেন্টারগুলির মাধ্যমে সংগঠিত ক্ষেত্রের কর্মীদের বেতন অথবা কর্মী ছাঁটাই সম্পর্কিত অভিযোগগুলি গ্রহণ করা হচ্ছে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন