আহমেদাবাদ : বিশ্ব যোগ দিবসে ২৩টা গিনেস বিশ্ব রেকর্ড করল গুজরাত। বুধবার সকালে বৃষ্টি মাথায় করেও তিন লক্ষেরও বেশি মানুষ হাজির হয়েছিলেন গুজরাতের আমদাবাদের জিএমডিসি-র মাঠ আর বস্তারপুরের আরও তিনটি জায়গায়। শুধু জিএমডিসি-র মাঠেই এ দিন উপস্থিত ছিলেন ৫৪ হাজার ৫২২ জন। ১৮ থেকে ২০ জুন ছিল বিশ্ব যোগ দিবসের আগে যোগচর্চার দিন। সেই ক’ দিনে বিশ্ব রেকর্ড হয়েছে আরও ২২টি বিষয়েও। তার মধ্যে যেমন রয়েছে, ব্যক্তিবিশেষের করা সব থেকে বেশি সংখ্যক সূর্য নমস্কারের রেকর্ড, তেমনই রয়েছে এক ঘণ্টায় সব থেকে বেশি সূর্য নমস্কারের রেকর্ডও। রয়েছে সর্বাধিক পুশ-আপ, এক ঘণ্টার মধ্যে করা সর্বাধিক পুশ-আপ, দীর্ঘ সময় ধরে করা শীর্ষাসন, দীর্ঘ সময় ধরে করা শীর্ষ পদ্মাসন, ৫১ ঘণ্টার যোগ ম্যারাথন। এই সব ক’টি রেকর্ডই ‘গোল্ডেন বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ড’ দ্বারা স্বীকৃত, জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা ।

গুজরাত সরকার ও পতঞ্জলি যোগপীঠ যৌথ ভাবে আমদাবাদে এই অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিল। এ দিন লোক জমায়েতের নিরিখে দু’টি রেকর্ড হয়েছে বলে জানাচ্ছেন উদ্যোক্তারা। তার একটি হল একটি মাত্র জায়গায় সর্বাধিক জমায়েত আর অন্যটি হল বিভিন্ন জায়গা মিলিয়ে সর্বাধিক জমায়েত।

জেলা সংগ্রাহক অবন্তিকা সিংহ আলুয়াখ জানান, গিনেস ইতিমধ্যেই বিশ্ব রেকর্ডের মানপত্র মুখ্যমন্ত্রীকে দিয়ে দিয়েছে। জমায়েতের নিরিখে দ্বিতীয় হয়েছে বস্তার। বাকি মানপত্রগুলি তৈরির কাজ চলছে।

২০১৫ সালে দিল্লির রাজপথে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে যোগ দিবসের জমায়েতের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে এই রেকর্ড। সে বছরে লোকসংখ্যা হয়েছিল ৩৫ হাজার ৯৮৫। যোগগুরু রাম দেব বলেন, এ বছরের ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীই প্রাথমিক পর্যায়ে যাবতীয় নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্য সতেজ রাখতে আর অতিরিক্ত ওজন কমাতেই শুধু নয়, সাংঘাতিক মানসিক চাপ কমাতেও যোগাসনের জুড়ি নেই। আগামী ৫ বছরে দেশের সর্বত্র মোট ১১ লক্ষ ‘ফ্রি যোগ ক্লাস’-এর ব্যবস্থা করা হবে।

এ দিনের অনুষ্ঠান চলেছে সকাল ৭টা থেকে ৭টা ৪৫মিনিট পর্যন্ত। শুরুতে ছিল লখনউ থেকে প্রচারিত প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য। অনুষ্ঠান শেষ হয় জাতীয় সংগীত দিয়ে।

 

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন