অমিত শাহ কথা রাখলে এনসিপি-কংগ্রেসের সঙ্গে জোট গড়ার দরকার হতো না, আক্ষেপ উদ্ধবের

0
উদ্ধব ঠাকরে এবং অমিত শাহ। সংগৃহীত ছবি

মুম্বই: শিবসেনার বিদ্রোহী নেতা একনাথ শিন্ডে নাটকীয় ভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেওয়ার পর দিনই বিজেপি-র কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ‘প্রতিশ্রুতি’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরে। শুক্রবার তিনি বলেন, শিবসেনা-এনসিপি-কংগ্রেসকে নিয়ে কোনো মহা বিকাশ আঘাডী হতো না, যদি জাতীয় দল তাঁর কথা রাখত।

রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক সংঘাত সম্পর্কে সংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছিলেন উদ্ধব। তিনি বলেন, ২০১৯ সালের নির্বাচনে বিজেপি-শিবসেনার মধ্যে সমঝোতার মূল বিষয়টিই ছিল মুখ্যমন্ত্রীর মেয়াদ নিয়ে। স্থির হয়েছিল, আড়াই বছরের জন্য মুখ্যমন্ত্রিত্ব পাবে শিবসেনা, পরের অর্ধেক সময় তা পাবে বিজেপি।

উদ্ধব বলেন, “এখন যে ভাবে তথাকথিত শিবসেনা কর্মীকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে, এটাই তখন আমি বলেছিলেন অমিত শাহকে। তাতেই গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারত। তখন মূল শিবসেনা আপনার সঙ্গে ছিল। এখনকার মুখ্যমন্ত্রী শিবসেনার নন”।

তিনি আরও বলেন, “এখন সেটাই করা হল। অথচ, অমিত শাহ যদি ২০১৯ সালে কথা রাখতেন এবং আমার সঙ্গে সরকার গঠন করতেন, তা হলে মহা বিকাশ আঘাডীর জন্ম হতো না”।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী পদে একনাথ শিন্ডে এবং উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নেন বিজেপির দেবেন্দ্র ফড়ণবীস। উদ্ধব বলেন, “গতকাল যা ঘটল, আমি অমিত শাহকে আগেই সেটা বলেছিলাম। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদে এক জন শিবসৈনিকেরও থাকা উচিত। শিবসেনা-বিজেপি জোটের ক্ষেত্রে অন্তত আড়াই বছরের জন্যে। তাঁরা আগে এটা করলে মহা বিকাশ আঘাডী আসতোই না।”

এ প্রসঙ্গেই শিন্ডেকে একহাত নেন উদ্ধব। তিনি বলেন, “তিনি (শিন্ডে) শিবসেনার মুখ্যমন্ত্রী নন। আপনি এখন শিবসেনাকে ত্যাগ করতেও পারছেন না, তবে নিজেকে সেনা মুখ্যমন্ত্রীও বলতে পারবেন না”।

আরও পড়তে পারেন:

আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি, প্রতি ১০ গ্রাম সোনার দাম বাড়তে পারে ২,০০০ টাকা!

শিক্ষকদের জন্য সুসংবাদ! জাতীয় পুরস্কারের জন্য নাম রেজিস্ট্রেশনের সময় বাড়াল শিক্ষামন্ত্রক

‘দ্রৌপদী মুর্মুর জয়ের সম্ভাবনা বেশি, আগে জানালে সমর্থনের কথা ভাবতাম’, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে মন্তব্য মমতার

কনভয়ে ট্রাকের ধাক্কা, অল্পের জন্য বাঁচলেন শুভেন্দু অধিকারী

৪ জুলাই আস্থাভোটের মুখোমুখি মহারাষ্ট্রে শিন্ডে সরকার, প্রমাণ করতে হবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন