Hardik patel and jignesh mevani and Mamata Banarjee

কলকাতা: আগামী ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির বিরুদ্ধে আন্দোলন জোরদার করতে মমতা বন্দ্যোপাধায়কেই মধ্যমণি করে এগনোর তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে একটি মহলে। যার ইঙ্গিতও মিলেছে সাম্প্রতিক অতীতে। উত্তরপ্রদেশের পুরসভা ভোটের ফলাফল ঘোষণার পরেই সে রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সমাজবাদী পার্টির নতুন প্রজন্মের নেতা অখিলেশ যাদব মমতার বা়ড়িতে হাজির হয়েছিলেন । একই ভাবে গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর মমতা সেখানকার যুবনেতা হার্দিক পটেল এবং জিগনেশ মেবানিদের সঙ্গে কথা বলেছেন। তা হলে কি তাঁরাও অখিলেশের মতোই আন্দোলনের রূপরেখা নির্ধারণে মমতার কাছে আসতে পারেন? তৃণমূল নেতৃত্বের সাম্প্রতিক কথাবার্তায় সেই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে বাংলার রাজনৈতিক মহলে।

গত কাল দিল্লিতে তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন বলেছেন,আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি-কে রুখতে দেশের প্রায় সমস্ত তরুণ নেতৃত্ব মমতার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলছেন। বিজেপির বিরুদ্ধে বিশ্বস্ত মুখ হিসাবে তাঁদের কাছে মমতার কোনো বিকল্প এই মুহূর্তে সারা দেশে নেই। তিনি বলেন, ‘আমি মোটেই অবাক হব না, যদি সারা দেশ থেকে তরুণ নেতৃত্ব মমতার অভিজ্ঞতা এবং নির্দেশ নিতে তাঁর কাছে আসেন। কারণ ২০১৯-এর জন্য মমতাই সব থেকে যোগ্য এবং মানানসই নেত্রী।’

ডেরেক আরও বলেছেন, মমতা মনে করেন আগামী লোকসভাতে বিজেপি-কে পরাস্ত করা তখনই সম্ভব হয়ে উঠবে, যদি দেশের সমস্ত বিজেপি-বিরোধী শক্তি এক জোট হয়ে লড়াই করে। গুজরাত নির্বাচনের ফলাফল থেকে তাঁর সেই ধারণা আরও শক্ত ভিতের উপর প্রতিষ্ঠা পেয়েছে।

যদিও বিজেপি শিবির ডেরেকের এমন মন্তব্যকে ধর্তব্যের মধ্যে আনতে চায় না। রাজ্যের এক বিজেপি নেতার কথায়, বিজেপি-কে পরাস্ত করে দিল্লিতে আপ সরকার গঠন করেছে দু’বছর আগে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেশ কিছু এক ফ্রেমের ছবি তখন সংবাদ মাধ্যমে দেখা যেত। এখন সে সব হারিয়ে গিয়েছে। আসলে বিজেপির বিরোধিতা করার নামে দলীয় স্বার্থের রাজনীতি করতে গিয়ে এ ধরনের দু’-একটা কথা বলে ফেলে তৃণমূল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here