Sandhya Marawi

ওয়েবডেস্ক: না, তিনিই প্রথম নন। আবার একমাত্রও নন। তবে নিজের জীবনদর্শনকে শক্ত ভিতে বেঁধে রাখার অদম্য আত্মবিশ্বাস তাঁকে নিয়ে চলে এসেছে প্রচার মাধ্যমে।

উজ্জ্বল লাল রঙের কুর্তা গায়ে চাপানো সন্ধ্যা কিন্তু বেশ খুশি নিজের কাজে। কারণ, নিজেকে ব্যতিক্রমী করে তোলার থেকেও তাঁর কাছে অনেক বেশি গুরুত্ব রাখে নিজের দায়িত্ববোধ।

যে কারণে নিজের কাজ নিয়ে বিন্দুমাত্র সংশয় বা দু:শ্চিন্তা নেই ৩০ বছরের বিধবা মহিলা সন্ধ্যার। স্বামী মারা গিয়েছেন দীর্ঘ রোগভোগের পর। হাতে নেই কোনো পুঁজি। অগত্যা সংসারের হাল এবং দাঁড় তুলে নিয়েছেন নিজের হাতেই।

২০১৬ সালে স্বামী মারা যাওয়ার পর তিন সন্তান এবং শাশুড়িকে নিয়ে আর্থিক সংকটে পড়ার পরই মাথায় দায়িত্ব তুলে নেন। চেনা পরিচিতদের কাছে অন্য কোনো কাজের আবেদন করেও লাভ হয়নি। তবে কাটনি স্টেশনে কুলির কাজ জোটে তাঁর বরাতে। সেই শুরু। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই তাঁকে বদলি করে দেওয়া হয় দূরের জব্বলপুর স্টেশনে। যা তাঁর গ্রাম কুন্দম থেকে প্রায় ৪০ কিমি দূরে।

jabbalpur station

তবে নিজের গন্তব্যে স্থির থাকার দরুণ এই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে কাজে যাওয়া। এবং সেখানে পুরুষ সহকর্মীদের সঙ্গে সমান তালে হাড়ভাঙা খাটনি। তবে তিনি তো পরিশ্রম করে নিজেরে পরিবারকে সুখে রাখছেন। এটাই দিনে একের পর এক যাত্রীর ভার মাথায় তুলে নেওয়ার শক্তি জুগিয়ে চলেছে সন্ধ্যাকে। বিনিময়ে যে পারিশ্রমিক জোটে, সেটারই উপরই যে নির্ভরশীল তাঁর তিন সন্তানের বর্তমান-ভবিষ্যৎ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here