kamal haasan

চেন্নাই: তামিলনাড়ু রাজনীতিতে ‘পরিবর্তনের’ প্রক্রিয়া শুরু করতে চাই, এই কথা বলে রাজনীতিতে তাঁর প্রবেশ নিয়ে সব জল্পনার অবসান ঘটালেন অভিনেতা কমল হাসন।

৬২ বছরের বিখ্যাত এই অভিনেতা দ্য কুইন্টকে এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, “তামিলনাড়ুর রাজনীতি পালটাতে পারে। এবং আমিই সেই পরিবর্তনটা আনতে চাই, সেই পরিবর্তন যতই ধীরে হোক না কেন।” হাসন বলেন, “দ্রুত নিরাময়ের প্রতিশ্রুতি আমি দিচ্ছি না। তবে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু করার ব্যাপারে প্রতিজ্ঞা করছি।”

আরও পড়ুন: বামেদের সঙ্গে জোট করে তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নামছেন কমল হাসন

নির্বাচনে নামা নিয়ে কোনো ঢাকঢাক গুড়গুড় না করে হাসন স্পষ্টই বলেন, “ক্ষমতায় আনা আর পাঁচ বছর পরে ক্ষমতা থেকে হটিয়ে দেওয়ার জন্য অপেক্ষা করা, এর জন্য আমাকে ভোট দেবেন না। কিছু করতে না পারলে আমাকে তৎক্ষণাৎ সরিয়ে দেবেন।”

কমল হাসন ঠারেঠোরে বুঝিয়ে দেন রাজনীতিতে দুর্নীতিই তাঁর অস্ত্র। তিনি বলেন, “হয় আমি চলে যাব আর না হয় রাজনীতি থেকে দুর্নীতি যাবে। আমরা দু’ জনে এক সঙ্গে থাকতে পারব না।”

তিনি অবশ্য স্পষ্টই বলেন, তাঁর আদর্শের সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক দলেরই খাপ খায় না। “একটা রাজনৈতিক দলের মূলে থাকে একটা আদর্শ। আমার মনে হয়, রাজনীতিতে আমার যা লক্ষ্য তা কোনো দলের আদর্শের সঙ্গে খাপ খায় না।”

আরও পড়ুন: গেরুয়া তাঁর রঙ নয়, বিজয়নের সঙ্গে সাক্ষাতের পর বললেন কমল হাসন

তবে জানা গিয়েছে, সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরির সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন কমল হাসন। চলতি সপ্তাহের গোড়ার দিকে বামেদের তরফ থেকে বলা হয়, আগামী বছর হায়দরাবাদে অনুষ্ঠিতব্য পার্টি কংগ্রেসে জনপ্রিয় চিত্রতারকাদের আনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

চলতি মাসের একেবারে গোড়ায় কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের সঙ্গে দেখা করেন কমল হাসন। সাক্ষাতের পর কমল সাংবাদিকদের বলেন, “একটা কথা আমি আপনাদের পরিষ্কার বলতে চাই, আমার রং গেরুয়া নয়। বেশির ভাগ বামপন্থী মানুষ আমার হিরো।”

 

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন