প্রবল বৃষ্টিতে গুজরাতে মৃত ৬১, আরও দুর্যোগের সতর্কতা আবহাওয়া দফতরের

0
376

আহমেদাবাদ: এ যেন আবহাওয়ার উলটপুরান। এখনও পর্যন্ত এই মরশুমে উল্লেখযোগ্য কোনো বৃষ্টি পায়নি চেরাপুঞ্জি, অন্য দিকে প্রবল বৃষ্টিতে ভেসে যাচ্ছে শুখা রাজ্য গুজরাত। এখনও পর্যন্ত বৃষ্টি এবং বন্যার ফলে রাজ্যে ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

জুলাইয়ের শুরু থেকেই দফায় দফায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হচ্ছে গুজরাতে। গত সপ্তাহেই এক দিনে সাড়ে তিনশো মিলিমিটার বৃষ্টি পেয়েছিল রাজকোট। সেই সঙ্গে প্রবল বৃষ্টি হয়েছিল রাজ্যের বাকি অংশে। তার পর কিছু দিন ভারী বৃষ্টি না হলেও, বৃহস্পতিবার থেকে আবার ভারী বৃষ্টি শুরু হয়েছে রাজ্যে।

গত ২৪ ঘণ্টায় গুজরাতে সব থেকে বেশি বৃষ্টি হয়েছে ভেরাবলে। দেড়শো মিলিমিটার। প্রবল বৃষ্টি হয়েছে আহমেদাবাদ, দ্বারকা, পোরবন্দর এবং দিউতেও। গত সপ্তাহের বৃষ্টির ফলে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল রাজ্যের বিভিন্ন অংশে। বৃহস্পতিবার নতুন করে শুরু হওয়া বৃষ্টির ফলে সেই বন্যা পরিস্থিতি আরও ঘোরালো হয়েছে।

বৃহস্পতিবারই সুরেন্দ্রনগর জেলায় বন্যার জলে ভেসে যাওয়া এক যুবকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত রাজ্যের মৃতের সংখ্যা ৬১-তে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে রাজ্যে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। এর পাশাপাশি ৯৬৬টি পশুরও মৃত্যু হয়েছে।

এ দিকে বৃহস্পতিবার প্রবল বৃষ্টির ফলে অধিকাংশ বড়ো শহরের মতো আহমেদাবাদেরও বেহাল নিকাশি ব্যবস্থার চিত্র ধরা পড়েছে। শহরের অধিকাংশ রাস্তা এখন জলমগ্ন। এখনই অবশ্য কোনো আশার কথা বলেনি আবহাওয়া দফতর। বরং আগামী কয়েক দিনের পূর্বাভাসে রাজ্য সরকার এবং স্থানীয় প্রশাসনের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়তে বাধ্য।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস আগামী পাঁচ দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে গুজরাত। এর মধ্যে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় চরম অতি ভারী, অর্থাৎ ২৪ ঘণ্টায় আড়াইশো মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যে। প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে গির অরণ্যে, এর ফলে সমস্যায় পড়তে পারে সিংহরা। সিংহগুলিকে বাঁচানোর জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আবেদন জানিয়েছেন বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমার কর্ণধার আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ রবীন্দ্র গোয়েঙ্কা।

গুজরাতের পাশাপাশি ভারী থেকে অতি ভারী, এমনকি চরম অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে কোঙ্কন উপকূল এবং পূর্ব রাজস্থানে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here