নাবালিকার হাত ধরা মানেই যৌন হয়রানি নয়, বলল পকসো আদালত

0
নাবালকের হাত ধরা নিয়ে পর্যবেক্ষণ পকসো আদালতের। প্রতীকী ছবি

২০১৭ সালে এক সপ্তদশী কিশোরীর সঙ্গে এমন আচরণ করে অভিযোগের ভিত্তিতে আটক এবং গ্রেফতার হয়েছিলেন এক যুবক।

খবর অনলাইন ডেস্ক: নাবালকের হাত এক বার ধরে রাখা এবং এ ভাবে নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করা যৌন হেনস্থার সমতুল্য নয়। ২৮ বছর বয়সি এক যুবককে খালাস করে দিয়ে এমনটাই বলল বিশেষ পকসো (POCSO) আদালত।

২০১৭ সালে এক সপ্তদশী কিশোরীর সঙ্গে এমন আচরণ করে অভিযোগের ভিত্তিতে আটক এবং গ্রেফতার হয়েছিলেন ওই যুবক। আদালত তাঁকে খালাস করে দিয়ে বলে, যৌন উদ্দেশ্য নিয়ে ওই যুবক এই কাজ করেছিলেন, তার প্রেক্ষিতে কোনো প্রমাণ মেলেনি।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, “যুবকের তরফে ওই নাবালিকাকে অবিরাম অনুসরণ করা হয়েছিল বা ওই নাবালিকাকে পৃথক কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলেও প্রমাণ পাওয়া যায়নি”। এতে আরও বলা হয়েছে, “অভিযুক্ত যে অপ্রাপ্তবয়স্কের শ্লীলতাহানির উদ্দেশ্যে অপরাধমূলক আচরণ করেছিলেন, এমন কোনো প্রমাণও নেই”।

Shyamsundar

আদালতের বক্তব্য, “যাবতীয় তথ্যপ্রমাণের উপর নজর রেখে প্রমাণ করা যায়নি যে, অভিযুক্ত কোনো অপরাধমূলক কাজ করেছেন। অতএব শুধুমাত্র সন্দেহের ভিত্তিতে তাঁকে অপরাধী প্রমাণ করা যায় না। যুক্তিসঙ্গত ভাবে অভিযুক্ত খালাস পাওয়ার অধিকারী”।

প্রসঙ্গত, শিশুদের যৌন নির্যাতন থেকে সুরক্ষা (পকসো) আইন ২০১২-র আওতায় নাবালকদের উপর যৌন হেনস্থার বিষয় সম্পর্কিত অভিযোগের বিচার করা হয়।

আরও পড়তে পারেন: Pegasus Spyware: বৃহস্পতিবার পেগাসাস মামলার শুনানি সুপ্রিম কোর্টে

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন