নোটবন্দির ফলে জানুযারি-মে মাসে বাড়ি বিক্রি ৪১ শতাংশ কমেছে

0
446

নয়াদিল্লি: নোটবন্দির ধাক্কা লেগেছে আবাসনশিল্পে। এর প্রভাবে চাহিদা কমে যাওয়ায় ২০১৭-র জানুয়ারি থেকে মে, এই পাঁচ মাসে বাড়ি বিক্রি কমেছে ৪১ শতাংশ। প্রপইকুউটি নামে একটি অনলাইন তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা জানাচ্ছে, নোটবন্দির পরবর্তী সময়ে দেশের ৪২টি প্রধান শহরে বাড়ি বিক্রি উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে।

ধাক্কা লেগেছে আবাসন তৈরির নতুন প্রকল্পের ক্ষেত্রেও। নোটবন্দির পর নতুন আবাসন তৈরির হার ৬২ শতাংশ কমেছে। প্রথম পাঁচ মাসে নতুন আবাসন তৈরির সংখ্যা ছিল ৭০,৪৫০ ইউনিট। প্রপইকুউটির আধিকারিক সমীর জাসুজা জানাচ্ছেন, ২০১৬-তে ওই সময় আবাসন তৈরি হয়েছিল ১,৮৪,৮২০ ইউনিট। প্রপইকুউটি একটি সাবক্রিপশন-নির্ভর অনলাইন তথ্য বিশ্লেষক সংস্থা।

ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, নোটবন্দির কারণে ডেভেলপাররা দেরিতে বহুতল তৈরির কাজে হাত দিচ্ছেন। এর ফলে সামগ্রিক ভাবে আবাসনশিল্পে লেদদেনের হার কমেছে।

সংস্থাটির মতে, রিয়েল এস্টেট (নিয়ন্ত্রণ এবং উন্নয়ন) আইন চালু হওয়ার ফলেও কিছুটা ধাক্কা লেগেছে আবাসন শিল্পে। ডেভেলপাররা নতুন বাড়ির তৈরি করার আগে জরিমানা এড়ানোর জন্য দ্রুত পুরোনো প্রজেক্ট শেষ করার জন্য হাত লাগাচ্ছেন।

প্রশ্ন হল, এই পরিস্থিতিতে আবাসনশিল্পে কারা টিকে থাকবেন? সংস্থাটি জানিয়েছেন, যাঁরা আর্থিক ভাবে শক্তিশালী, যাঁদের অতীতের ইতিহাস ভালো, যাঁদের ঘাড়ে ঋণের বোঝা নেই, তাঁরাই আবাসনশিল্পে টিকে থাকার লড়াই চালাতে পারবেন।

জিএসটি চালু হওয়ার ফলে কি আবার ধাক্কা লাগবে আবাসন শিল্পে? এই প্রশ্নের উত্তরে প্রপইকুউটির ওই আধিকারিক জানিয়েছেন, জিএসটি চালু হওয়ার পর পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতু না হাওয়া অবধি আবাসনশিল্পে কিছুটা টালমাটাল থাকবে।

গত সপ্তাহেই আবাসন এবং দারিদ্র্য দূরীকরণমন্ত্রী  বেঙ্কাইয়া নাইডু জানিয়েছিলেন, ১ জুলাই থেকে জিএসটি চালু হলে বাড়ির দাম কমবে।

মে মাস থেকে চালু হয়েছে আবাসন নিয়ন্ত্রণ আইন। এই আইনে প্রতিটি চালু এবং নতুন আবাসন প্রকল্পকে রাজ্যের নিয়ন্ত্রকের কাছে নথিভুক্ত করতে হবে।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here