honeypreet in police custody

ওয়েবডেস্ক: পুলিশ তাকে হন্যে হয়ে খুঁজছিল। তার জন্য ‘লুক আউট’ নোটিশ জারি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত নোটিশ জারি হওয়ার ৩৬ দিন পরে পলাতকা হানিপ্রীত ধরা পড়ল পুলিশের হাতে। মঙ্গলবার তাকে পঞ্জাব থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে, হানিপ্রীত আত্মসমর্পণ করেনি, তাকে গ্রেফতারই করা হয়েছে। কাল বুধবার হরিয়ানার পাঁচকুলা আদালতে নিম্ন আদালতে হাজির করা হবে।

এক জন মহিলা সহযোগীকে নিয়ে হানিপ্রীত যখন একটা ইনোভা চড়ে জিরকাপুর-পাটিয়ালা সড়ক দিয়ে যাচ্ছিল, তখনই তাকে গ্রেফতার করা হয় বলে এক সিনিয়ার পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন।  এক মাস ধরে হানিপ্রীতকে খুঁজছিল পুলিশ। তার খোঁজ পেতে পুলিশ নেপাল, রাজস্থান, বিহার আর হরিয়ানায় তল্লাশি চালায়।

হানিপ্রীতের গ্রেফতার হওয়া সংক্রান্ত খবরের সত্যতা স্বীকার করেছেন পাঁচকুলার পুলিশ কমিশনার এ এস চাওলা। হানিপ্রীত আত্মসমর্পণ করেছে বলে যে খবর ছড়িয়েছে, তাকে নেহাতই গুজব বলে উড়িয়ে দিয়েছেন চাওলা। তিনি বলেছেন, “এটা আত্মসমর্পণ নয়, এটা গ্রেফতারই।”

বাবা-মেয়ের ‘পবিত্র’ সম্পর্কে কাদা ছেটাচ্ছে মিডিয়া : হানিপ্রীত

পুলিশ খোঁজ পাওয়ার আগে গুরমিত রাম রহিমের ‘পালিত কন্যা’ হানিপ্রীতকে খুঁজে পায় মিডিয়া। এক অপ্রকাশিত স্থান থেকে ইন্ডিয়া টুডেকে সাক্ষাৎকার দেন বাবার ‘পরী’ হানিপ্রীত।

সাক্ষাৎকারে তাঁর সঙ্গে রাম রহিম সর্ম্পক নিয়ে প্রশ্ন করা হলে হানিপ্রীত বলেন, তিনি বুঝতেই পারছেন না কেন কেউ বাবা-মেয়ের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তোলে? মিডিয়াকে তোপ দেগে তিনি বলেন, বাবা কি তার মেয়ের হাতের উপর হাত রাখতে পারে না? মেয়ে কি তার বাবাকে ভালোবাসতে পারে না?

রাম রহিম গ্রেফতার হাওয়ার পর দাঙ্গার পরিকল্পনার পেছনে তার হাত রয়েছে বলে যে অভিযোগ উঠছে সে প্রসঙ্গে হানিপ্রীত বলেন, অভিযোগ উঠছে, তার বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ কেউ দেখাতে পারছেন না।  তিনি বলেন, ‘‘এক জন মেয়ে হিসাবে আমার যা করার আমি তাই করেছি। আমরা সে দিন আদলতে গিয়েছিলাম এই ভেবে যে সব কিছু ঠিক হয়ে যাবে আমরা বিকালে ফিরে আসব। কিন্তু সবটাই আমাদের বিরুদ্ধে গেল। তখন আমাদের মাথা কাজ করছিল না। ওই অবস্থায় কী করে আমরা ষড়যন্ত্র করতে পারি?’’

আরও পড়ুন : হানিপ্রীত সংক্রান্ত সব খবর

সাংবাদিক তাঁকে জিজ্ঞেস করেন কেন তিনি পুলিশের কাছে আত্মসমর্পন করছেন না? উত্তরে বাবার ‘পরী’ বলেন, ‘‘আমি ডিপ্রেশনে ছিলাম। আইনি প্রক্রিয়া কী তা জানতাম না। আমার বাবা চলে যাওয়ার পর আমি ভেঙে পড়েছিলাম। কেউ আমাকে পথ দেখানোর ছিল না। আমি পঞ্জাব-হরিয়ানা হাইকোর্টে যাব। কিন্তু আমার বর্তমান মানসিক অবস্থা কিছুটা সময় চাই।’’

ছবি ইন্ডিয়া টুডে ভিডিও থেকে নেওয়া

ছবি সৌজন্যে দ্য হিন্দুস্তান টাইমস

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here