khalistani terrorist
খালিস্তানি জঙ্গি অটওয়ালের সঙ্গে ট্রুদোর স্ত্রী সফি।

ওয়েবডেস্ক: প্রথম থেকেই কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুদোর ভারত সফর ঘিরে খালিস্তানি বিতর্ক ছিল। সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করল তাঁর একটি অনুষ্ঠানে খালিস্তানি জঙ্গির উপস্থিতি। এই ঘটনায় ফাঁপরে পড়েছে কেন্দ্রও। কারণ ওই জঙ্গির ভারতের প্রবেশাধিকারে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও কী ভাবে সবার চোখ এড়িয়েই ঢুকে পড়ল সে, প্রশ্ন উঠছে তা নয়ে।

১৯৮৬ সালে তৎকালীন পঞ্জাবের এক মন্ত্রী মালকিয়ত সিংহ সান্ধুকে খুনে কুড়ি বছরের সাজা হয়েছিল খালিস্তানি জঙ্গি জসওয়াল অটওয়ালের। সেই অটওয়ালই ট্রুদোর একটি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে বিতর্ক বাড়িয়েছেন। ট্রুদোর স্ত্রী সোফি এবং কানাডার এক মন্ত্রী অমরজিত সোহির সঙ্গে ছবিতেও দেখা গিয়েছে তাকে।

কিন্তু প্রশ্ন হল, তার ভারতে আসার ওপরে নিষেধাজ্ঞা থাকলেও সবার চোখে ফাঁকি দিয়ে সে এল কী ভাবে। এই ঘটনায় মুখ পুড়েছে বিদেশ মন্ত্রকের। মন্ত্রকের মুখপাত্র রবীশ কুমার বলেছেন, “আমি এখনই বলতে পারব না সে কী ভাবে ভারতে এল। ভারতে বিভিন্ন ভাবে মানুষ ঢুকতে পারে। কানাডায় আমাদের দূতের থেকে সব তথ্য নেওয়া হচ্ছে।”

এমনিতে ভারতে প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ এমন খালিস্তানি জঙ্গিদের তালিকা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে রয়েছে। বিদেশে অবস্থিত ভারতের মিশনরা কারও ভিসায় সম্মতি দেওয়ার আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে। মন্ত্রক তাদের তালিকা দেখে বলে দেয় ওই ব্যক্তি ভারতে আসতে পারবে কি না। মন্ত্রকের সম্মতিতে ওই ব্যক্তিকে ভিসা দেওয়া হয়।

বিশেষজ্ঞদের একটা অংশের ধারণা হয়তো অটওয়ালের নাম কখনোই ওই তালিকায় তোলা হয়নি, বা এমনও হতে পারে যে ওই তালিকা থেকে তার নাম কখন মুছে দেওয়া হয়েছে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাতে দিল্লিতে ট্রুদোর নৈশভোজেও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, তবে তার জঙ্গি পরিচয় জানাজানি হওয়ার পর সেই আমন্ত্রণ বাতিল করে দেওয়া হয়েছে।

ট্রুদোর অনুষ্ঠানে অটওয়ালের উপস্থিতি নিয়ে বিতর্ক শুরু হতেই মুখ খুলেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী। অটওয়ালের উপস্থিতি তিনি মেনে নেননি বলে মন্তব্য করেছেন ট্রুদো।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here