chandan mitra

ওয়েবডেস্ক: ১১টি রাজ্যের লোকসভা ও বিধানসভার উপনির্বাচনের ফলাফল প্রকাশ হতে নরেন্দ্র মোদী-অমিত শাহ জুটির সামনে বড়ো প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে এনডিএ-র শরিক দলগুলি। এ বার দলের প্রাক্তন সাংসদ তথা গত লোকসভা ভোটে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি থেকে প্রার্থী হওয়া বিজেপি নেতা চন্দন মিত্রও সংশয় প্রকাশ করলেন আগামী ভোটে বিজেপির সম্ভাব্য ফল নিয়ে। লোকসভা ভোটের এক বছর আগে ঠিক কী কারণে এতটাই দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়লেন চন্দনবাবু?

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নায়ডু আগেই ঘোষণা করে দিয়েছেন তাঁর দল তেলুগু দেশম পার্টি (টিডিপি) এনডিএ-র সঙ্গে সম্পর্ক ত্যাগ করল। মহারাষ্ট্রের শিবসেনা প্রথম এনডিএ সরকারের শরিক ছিল। কিন্তু দলের প্রধান উদ্ধব ঠাকরের কথা ও কাজে এখন বোঝা মুশকিল তিনি এনডিএ-তে আছেন কি না। মহারাষ্ট্রের পালঘর লোকসভার উপনির্বাচনে তাঁর দল বিজেপির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার পর এটা অবশ্য স্পষ্ট এনডিএ নিয়ে এখনও কোনো স্থির সিদ্ধান্ত না নিলেও বিজেপি সম্পর্কে নিজের দলের অবস্থান স্থির করে ফেলেছেন।

আরও পড়ুন: কৃষকের সমস্যা থেকে পেট্রোলের দাম, মোদী সরকারের সমালোচনায় চন্দন মিত্র

অন্য দিকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের দল জেডি(ইউ) সাম্প্রতিক উপনির্বাচনের পর এনডিএ-তে থাকা নিয়ে ঘোর সংশয়ে পড়েছে। কিন্তু সে রাজ্যেরই অন্য এক শরিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী উপেন্দ্র কুশওয়াহার দল রাষ্ট্রীয় লোক সমতা পার্টিও (আরএলএসপি) ইতিমধ্যেই মোদী-শাহের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সমালোচনায় সরব।

সব মিলিয়ে চুপ থাকতে পারেননি প্রবীণ বিজেপি নেতা তথা অটলবিহারী বাজপেয়ীর ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচত চন্দনবাবু। তিনি বলেছেন, বিজেপি আশা করছে আগামী লোকসভা ভোটে ৩০০-৩৩০টি আসন দখলে রাখবে। কিন্তু এনডিএ-র শরিকরা যে ভাবে বিদ্রোহ করছে, তাতে বিজেপির দরকার আরও নমনীয় হওয়া। তা না হলে ওই লক্ষ্যমাত্রা অধরাই থেকে যাবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here