অনলাইনে ভোটার আইডি কার্ডে আপনার ঠিকানা কী ভাবে পরিবর্তন করবেন

0
voter ID card
ভোটার পরিচিতিপত্র।

ওয়েবডেস্ক: সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন চলছে। এরই মাঝে নিজের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের অন্যতম অনুষঙ্গ ভোটার কার্ড নিয়ে বেশ কিছু বিষয়ে সচেতন হওয়া জরুরি।

এখন অনলাইনে ভোটার কার্ড সংক্রান্ত একাধিক পরিষেবা দিয়ে থাকে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। যেগুলির মধ্যে রয়েছে ভোটার আইডি কার্ড বা পরিচয়পত্রে নিজের ঠিকানা পরিবর্তন।

অর্থাৎ আপনি যদি আপনার বাসস্থান পরিবর্তন করে একটি নতুন জায়গায় চলে যান তা হলে আপনি আপনার ভোটার আইডি কার্ডের ঠিকানাটি অনলাইনে পরিবর্তন করতে পারেন। ‘ফর্ম ৬’ পূরণ করে এই কাজ করা যেতে পারে। এটি ন্যাশনাল ভোটার্স সার্ভিস পোর্টালের ওয়েবসাইটে https://www.nvsp.in/Forms/Forms/form6 -এ গিয়ে করা সম্ভব।  শুধু তাই নয়, প্রথমবার ভোটার আইডি কার্ড পাওয়ার জন্য একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যেতে পারে। একটি নতুন ভোটার নিবন্ধনের জন্য অনলাইনে আবেদন করতে বা নিকটতম নির্বাচনী এলাকার নির্বাচনী তালিকাতে আপনার নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্যও এখানে ক্লিক করতে পারেন।

মনে রাখবেন, নির্দিষ্ট একটি এলাকার ঠিকানা সম্বলিত একটি মাত্র ভোটার আইডি কার্ডই একজন নাগরিকের কাছে থাকা বাঞ্ছনীয় । অতিরিক্ত ব্যবহার করলে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ হিসাবে গণ্য হয়।

‘ফর্ম ৬’ পূরণ করতে কী কী লাগবে

১. স্ক্যান করা একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি।

২. ঠিকানা এবং বয়সের প্রমাণপত্রের স্ক্যান করা কপি।

৩. প্রত্যেক ফাইলের আকার যাতে ২ এমবি-র বেশি না হয়, তা মাথায় রাখতে হবে।

৪. বয়সের প্রমাণপত্র হিসাবে ব্যবহার করা যেতে পারে- জন্ম শংসাপত্র, ৫ম, ৮ম অথবা ১০ম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়ার মার্কশিট, ভারতীয় পাসপোর্ট, ড্রাইভিং লাইসেন্স অথবা আধার কার্ড।

৫. ঠিকানার প্রমাণপত্র হিসাবে ব্য়বহার করা যেতে পারে ড্রাইভিং লাইসেন্স, ভারতীয় পাসপোর্ট, রেশন কার্ড, আয়কর অ্যাসেসমেন্ট অর্ডার, ভাড়ার চুক্তিপত্র, জলের বিল, টেলিফোনের বিল, ব্যাঙ্ক/ কিষান/ পোস্ট অফিস পাসবই, গ্যাস সংযোগের বিল, বিদ্যুতের বিল ইত্যাদি।

আবেদন কী ভাবে করবেন

১. নিজের মোবাইল ফোন, ল্যাপটপ বা ডেস্কটপে ন্যাশনাল ভোটার্স সার্ভিস পোর্টালের ওয়েবসাইটে https://www.nvsp.in খুলুন।

২.  বেছে নিতে পারেন পছন্দের ভাষা।

৩. ঠিকানা পরিবর্তনের জন্য নির্ধারিত ‘অ্যাপ্লাই অনলাইন ফর রেজিস্ট্রেশন অব নিউ ভোটার/ ডিউ টু শিফটিং ফ্রম এসি’- তে ক্লিক করুন।

৪. এর পর হাতের কাছে রাখা তথ্য়গুলি দিয়ে ‘ফর্ম ৬’ পূরণ করে সাবমিট করুন।

৫. এই ফর্মটি ছয়টি অংশে বিভক্ত। বাধ্যতামূলক বিবরণ, ঠিকানা, ঐচ্ছিক বিবরণ, সহায়ক নথি এবং ডিক্লেয়ারেশন বা ঘোষণা।

৬. আবেদন সম্পূর্ণ হওয়ার পর উল্লেখিত মোবাইল নম্বরে আসবে কনফার্মেশন এসএমএস।

[ আরও পড়ুন: অনলাইনে কত কম সময়ে ভোটার তালিকায় নিজের নাম দেখে নেওয়া যায়! ]

আবেদনটি পোর্টাল থেকেই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী দফতরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আবেদনের স্টেটাস চেক করতে পারেন আবেদনকারী।

উত্তর দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here