Connect with us

দেশ

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ধাক্কা খেলেন সাইরাস মিস্ত্রি

নয়াদিল্লি: সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে ধাক্কা খেলেন সাইরাস মিস্ত্রি। টাটা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে তাঁকে পুনর্বহালের জন্য গত ১৮ ডিসেম্বর যে রায় ন্যাশনাল ল’অ্যাপেলেট ট্রাইব্যুনাল (এনসিএলএটি) দিয়েছিল, তার ওপরে শুক্রবার স্থগিতাদেশ দিয়ে দিল শীর্ষ আদালত।

উল্লেখ্য, গত ১৮ ডিসেম্বর এনসিএলটি টাটা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসাবে সাইরাস মিস্ত্রিকে পুনর্বহালের রায় দেয়। মিস্ত্রিকে সরিয়ে এন চন্দ্রশেখরনকে তাঁর স্থলাভিষিক্ত করার পদক্ষেপকেও অবৈধ ঘোষণা করে তারা।

টাটা সন্সের সঙ্গে টিসিএস, টাটা ইন্ডাস্ট্রিজ এবং মহারাষ্ট্রের টাটা টেলিসার্ভিসেসেরও প্রধান হিসাবে পুনর্বহাল করতে নির্দেশ দেয় এনসিএলএটি।

তবে সেই রায় কার্যকর করার জন্য চার সপ্তাহ সময় দিয়েছিল এনসিএলএটি। জানিয়ে দিয়েছিল, এই সময়ের মধ্যে রায়কে চ্যালেঞ্জ করে উচ্চতর আদালতে যাওয়া যাবে। গত ২ জানুয়ারি টাটারা সেই পথই নেয়। এনসিএলটির সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা হয়।

আরও পড়ুন জেএনইউয়ের উপাচার্যকে তলব কেন্দ্রের

টাটাদের সেই আবেদনের ভিত্তিতেই এ দিন পদক্ষেপ করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

উল্লেখ্য, রতন টাটার পর ২০১২ থেকে টাটা সন্সের চেয়ারম্যান ছিলেন মিস্ত্রি। কিন্তু চার বছর পর, ২০১৬-য় মিস্ত্রিকে চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। পরে মিস্ত্রিকে সরিয়ে দেওয়া হয় ডিরেক্টরস’ বোর্ড থেকেও।

Continue Reading
Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দেশ

১৮টি রাজ্যসভা আসনে ভোট আগামী ১৯ জুন: নির্বাচন কমিশন

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে রাজ্যসভার ১৮টি আসনে নির্বাচন স্থগিত ছিল।

Parliament

নয়াদিল্লি: দেশের সাতটি রাজ্য থেকে ১৮টি রাজ্যসভা আসনের স্থগিত থাকা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন।

সোমবার নির্বাচন কমিশন (Election Commission) জানায়, করোনাভাইরাস মহামারির কারণে রাজ্যসভার (Rajya Sabha) যে ১৮টি আসনে নির্বাচন স্থগিত ছিল, সেগুলিতে আগামী ১৯ জুন ভোটগ্রহণ হবে।

কোন রাজ্যে ক’টি আসন?

অন্ধ্রপ্রদেশ-৪টি

গুজরাত-৪টি

মধ্যপ্রদেশে-৩টি

রাজস্থান-৩টি

ঝাড়খণ্ড- ২টি

মণিপুর-১টি

মেঘালয়-১টি

একই সঙ্গে একটি বিবৃতিতে কমিশন জানায়, ১৯ জুন সন্ধ্যায় ভোটগণনা হবে।

ভোটগ্রহণে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির মুখ্যসচিবকে কোভিড-১৯ (Covid-19) প্রতিরোধে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

গত মার্চ মাসে এই আসনগুলিতে নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারি (Coronavirus pandemic) এবং লকডাউনের জেরে তা স্থগিত হয়ে যায়।

প্রসঙ্গত, গত ফেব্রুয়ারিতে ১৭টি রাজ্যের ৫৫ আসনে ভোট ঘোষণা করে কমিশন। সেগুলির মধ্যে ১০টি রাজ্যের ৩৭ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।

Continue Reading

দেশ

করোনা নিয়ে বিএসএফের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের

আগরতলা: করোনাভাইরাস (Coronavirus) নিয়ে সীমান্তরক্ষীবাহিনী তথা বিএসএফের (BSF) বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব (Biplab Deb)। তাঁর অভিযোগ, বিএসএফ জওয়ান এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা কোয়ারান্টাইন এবং শারীরিক দূরত্ববিধির নিয়ম লঙ্ঘন করায় রাজ্যে করোনা পরিস্থিতি এতটা খারাপ হয়ে গিয়েছে।

উল্লেখ্য, এপ্রিলের শেষ সপ্তাহে ত্রিপুরাকে করোনামুক্ত ঘোষণা করেন বিপ্লব। কারণ তার আগে সনাক্ত হওয়া দুই রোগীই সুস্থ হয়ে ওঠেন। কিন্তু আচমকা পরিস্থিতি অন্য দিকে মোড় নেয়। হুহু করে বাড়তে থাকে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। ২ মে’র মধ্যে ১৫১ জনের শরীরে করোনা ধরা পড়ে।

এর পর আরও বাড়ে সংক্রমিতের সংখ্যা। বিপ্লব জানান, রাজ্যে বিএসএফের দু’টি ব্যাটিলিয়ন করোনার হটস্পট হয়েছে। সাধারণ মানুষের মধ্যে করোনা না ছড়ালেও বিএসএফের দুই ব্যাটিলিয়নে সংক্রমণ বাড়তে থাকা যে খুব চিন্তার পর্যায়ে চলে যায় সেটা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ত্রিপুরায় হাজির হয় কেন্দ্রীয় দল। দলটি করোনার পরিস্থিতির ওপরে একটি রিপোর্ট তৈরি করে বিপ্লবের কাছে পাঠান। বিপ্লব সেটা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের কাছে পাঠান।

ওই রিপোর্টের কথা উল্লেখ করতে গিয়ে বিপ্লব সোমবার বলেন, “বিএসএফ জওয়ান এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যে হেতু ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসেছেন, তাই তাঁদের কোয়ারান্টাইনে থাকা উচিত ছিল। শারীরিক দূরত্ববিধিও মানা উচিত ছিল।” অর্থাৎ, জওয়ানরা কোয়ারান্টাইনে থাকেননি বলেই প্রকারান্তরে বুঝিয়ে দিয়েছেন বিপ্লব।

এখনও পর্যন্ত ত্রিপুরায় করোনারোগীর সংখ্যা ৩১৩। এর মধ্যে ১৭৩ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন, বাকিরা চিকিৎসাধীন। এখনও পর্যন্ত এ রাজ্যে করোনায় কারও মৃত্যু হয়নি।

Continue Reading

দেশ

নির্দিষ্ট দিনেই কেরলে হাজির বর্ষা, পশ্চিমবঙ্গে কবে?

খবর অনলাইনডেস্ক: গত কয়েক দিন ধরেই কেরলে (Kerala) বৃষ্টি হচ্ছে তেড়ে। এই বৃষ্টির হাত ধরেই কেরলে বর্ষা এসে গিয়েছে বলে শনিবার ঘোষণা করে দিয়েছিল বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা স্কাইমেট। কিন্তু কেন্দ্র তা মানতে চায়নি। অবশেষে সোমবার কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়ে দিল যে এ দিনই, অর্থাৎ ১ জুন নির্দিষ্ট সূচি মেনেই কেরলে প্রবেশ করেছে দক্ষিণপশ্চিম মৌসুমি বায়ু (Monsoon 2020)।

কেরল ছাড়াও বর্ষা এ দিন তামিলনাড়ুর কিছুটা অংশেও ঢুকে গিয়েছে। বর্তমানে বর্ষার উত্তরের সীমাটি প্রবাহিত হচ্ছে কান্নুর, কোয়েমবত্তুর আর কন্যাকুমারী দিয়ে।

কেরলে নির্দিষ্ট দিনেই বর্ষা হাজির হয়ে যাওয়ার পেছনে আরব সাগরে (Arabian Sea) তৈরি হতে চলা ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের (Cyclone Nisarga) অনেকটাই হাত রয়েছে। বর্তমানে সে গভীর নিম্নচাপ হিসেবে অবস্থান করছে কেরল উপকূলের সমান্তরাল ভাবে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে পরবর্তী কালে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, এই ঘূর্ণিঝড় (তৈরি হলে নাম হবে নিসর্গ) ৩ জুন রাতে মহারাষ্ট্রের হরিহরেশ্বর আর দমনের মধ্যে দিয়ে স্থলভাগে প্রবেশ করবে। মুম্বইয়ে পূর্ণ শক্তিতেই আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে তার।

এই কারণে আগামী ৪৮ ঘণ্টায় মহারাষ্ট্র আর দক্ষিণ গুজরাত উপকূলে চরম অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির ল্যান্ডফলের সময়ে ঘণ্টায় ১১৫ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

এই ঘূর্ণিঝড়ের কারণে পশ্চিম উপকূল দিয়ে মৌসুমি বায়ু, রাতারাতি অনেকটাই পথ অতিক্রম করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন থাকছে কেরলে যখন নির্ঘণ্ট মেনেই বর্ষা এল, তখন পশ্চিমবঙ্গে কবে আসবে।

গত বছর পর্যন্তও ৮ জুনকে কলকাতা তথা দক্ষিণবঙ্গে বর্ষা আগমনের নির্দিষ্ট দিন হিসেবে ধরা হত। কিন্তু এ বার থেকে সেটাকে পিছিয়ে ১১ জুন করা হয়েছে। একই ভাবে উত্তরবঙ্গে বর্ষা প্রবেশের নির্দিষ্ট দিন ৫ জুন থেকে পিছিয়ে ৯ জুন করা হয়েছে।

বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ বছর রাজ্যে নির্ধারিত সময়েই ঢুকে যাবে বর্ষা, বেশি দেরি করবে না।

তবে আগামী এক সপ্তাহ দক্ষিণবঙ্গে অসহনীয় গরম পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা ওয়েদার আল্টিমা।

আগামী সপ্তাহান্ত পর্যন্ত কলকাতা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা যেমন রয়েছে, তেমন ঝড়বৃষ্টিরও সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলে পারদ ৪০ ডিগ্রি ছাড়াতে পারে। কলকাতায় পারদ থাকতে পারে ৩৯ ডিগ্রির কাছাকাছি। তবে রোজই দুপুর অথবা সন্ধ্যার দিকে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। দিনের বেলায় ছড়ি ঘোরাতে পারে অতিরিক্ত আর্দ্রতা। অবশ্য বর্ষা আসার ঠিক আগের মুহূর্তে এই রকম অতিরিক্ত আর্দ্রতা খুব একটা অস্বাভাবিক কিছুই নয়।

অন্য দিকে উত্তরবঙ্গে মোটের ওপরে মনোরম আবহাওয়াই থাকবে। বৃষ্টি চলতে থাকবে। আগামী সপ্তাহান্তে বৃষ্টির দাপট বাড়তেও পারে।

এ ক্ষেত্রে ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ পশ্চিমবঙ্গের বর্ষার ক্ষেত্রে সাপে বর হিসেবে দেখা দিতে পারে। কারণ ঘূর্ণিঝড়টি যে হেতু মহারাষ্ট্র দিয়ে ভারতে ঢুকতে পারে, তাই ভারতীয় মূল ভূখণ্ডে জলীয় বাষ্পের জোগান দেবে সে। নিসর্গ যদি ভারতের বদলে পাকিস্তান বা ওমানের দিকে ঘুরে যেত তা হলে এখান থেকে জলীয় বাষ্প শুষে নিত। যার ফলে বিলম্বিত হত বর্ষা, দীর্ঘায়িত হত গরম।

মনে করা হচ্ছে, আগামী সপ্তাহের শুরুতে বঙ্গোপসাগরে (Bay of Bengal) একটি নিম্নচাপ তৈরি হতে পারে। সেই নিম্নচাপের হাত ধরেই রাজ্যে ঢুকতে পারে বর্ষা।

Continue Reading

ট্রেন্ড্রিং