rameshchandra-fefar

ওয়েবডেস্ক: তিনি কল্কি অবতার। ‘বিশ্বের চৈতন্যের জন্য’ তিনি ‘ব্রত’ নিয়েছেন। সেই কারণে অফিস যেতে পারছেন না। শোকজ নোটিশে এমন জবাব দিলেন গুজরাতের এক সরকারি আধিকারিক। এই জবাবের পরেই সারা দেশেই এখন শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

গুজরাতের সর্দার সরোবর প্রকল্পের সুপারিন্টেনডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার রমেশচন্দ্র ফেফার। অভিযোগ, গত আট মাসে মাত্র ১৬ দিন কাজে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তাঁর এই অনুপস্থিতির কারণ দর্শানোর জন্য একটি শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়। সেই নোটিশের জবাবেই এমন আজগুবি কথা বলেছেন ফেফার।

তাঁর দাবি, এই মুহূর্তে তিনি ব্রত নিয়েছেন। সেই ব্রতর জন্য গত ১৯ দিন ধরে ভারতে ভালো বৃষ্টি হচ্ছে। তাই এখন তাঁর পক্ষে অফিস যাওয়া সম্ভব নয়।  এই জবাব দেওয়ার পরে শুক্রবার রাজকোটে নিজের বাসভবনে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন তিনি। সেখানেই একই কথা। তিনি বলেন, “আপনারা যদি বিশ্বাস না-ও করেন, আমি সত্যিই বিষ্ণুর দশম অবতার। আমি কিছু দিনের মধ্যেই সেটা প্রমাণ করে দেব। ২০১০-এর মার্চে অফিসে থাকাকালীন আমি আমার দৈবশক্তির ব্যাপারে বুঝতে পারি।”

তিনি আরও বলেন, “এই মুহূর্তে আমি ব্রত নিয়েছি। এই ব্রতর মধ্যে আমি অফিস যেতে পারব না।” এর পর প্রকল্পের কর্তৃপক্ষের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ওদের ভাবা উচিত আমাকে অফিসে বসিয়ে রেখে খালি টাইম পাস করানো ভালো নাকি আমাকে ব্রতর মধ্যে থাকতে দেওয়া ভালো! আমার ব্রতর জন্য ভারতের খরা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত হয়েছে।”

এই জবাবে যে প্রকল্প কর্তৃপক্ষ আদৌ সন্তুষ্ট নয় তা বলাই বাহুল্য। তাঁর বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির কথা ভাবছে তারা।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here