Prakash Javadekar
[প্রকাশ জাভাড়েকর। ফাইল ছবি]

নয়াদিল্লি: পেড নিউজের থেকেও অনেক বেশি বিপজ্জনক ফেক নিউজ (fake news)! বৃহস্পতিবার এমটাই মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় তথ্য এবং সম্প্রচারমন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর (Prakash Javadekar)।

এ ধরনের সমস্যা কাটিয়ে উঠতে, কোনো জিটিটাল প্রকাশনার ক্ষেত্রে স্ব-নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতি অনুসরণের অনুরোধ জানান কেন্দ্রীয় মন্ত্রী।

এ দিন শিল্প সংগঠন আইএএমএআই আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল অনুষ্ঠানে যোগ দেন জাভাড়েকর। তিনি বলেন, “টাকার বিনিময়ে তৈরি খবর অথবা পেড নিউজগুলি (paid news), ভুয়ো খবর বা ফেক নিউজের থেকে অনেক হালকা। ভুয়ো খবর শান্তি বিঘ্নিত করতে খুব শক্তিশালী একটি কৌশল। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে জনমতের হেরফের ঘটানোর জন্য এই কারসাজি এখন জনজীবনের সামনে নতুন হুমকি হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে”।

ভুয়ো খবরের কু-প্রভাব

তিনি বলেন, “ভুয়ো খবর ছড়িয়ে পড়ার ফলে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। অনেকেই এর প্রতিরোধে পদক্ষেপ নিচ্ছে”।

তিনি বলেন, “স্ব-নিয়ন্ত্রণের জন্য একটা ব্যবস্থা থাকা উচিত। তা না হলে সকলকেই এই বিপর্যয়ের শিকার হতে হবে। এটা শুধু রাজনৈতিক ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ নয়। প্রতিটা ক্ষেত্রেই এটা বিস্তৃত। ভুয়ো খবর সাধারণত পেড নিউজের থেকে বেশি বিপজ্জনক। এই বাস্তবের মুখোমুখি হওয়ার জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে”।

সংবাদপত্রের থেকেও বেশি শক্তিশালী ডিজিটাল কনটেন্ট

জাভাড়েকর বলেন, “সংবাদপত্রে প্রকাশিত কোনো প্রতিবেদনের থেকেও অনেক বেশি শক্তিশালী কোনো ডিজিটাল কনটেন্ট বা তথ্য। হোয়াটসঅ্যাপের মতো সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই ডিজিটাল কনটেন্ট এক বার শেয়ার হয়ে গেলেই সব কিছু শেষ। তার ক্ষতিকারক প্রভাব সঙ্গে সঙ্গে বাস্তবায়িত হতে শুরু হয়ে যায়”।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা পেশ করে জাভাড়েকর বলেন, “আগে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোতে আমরা খবরের কাগজ পড়তাম, চ্যানেলগুলো দেখতাম। প্রতি সন্ধ্যায় আমরা কোনো বিষয়ে ধন্ধ কাটাতে স্পষ্ট করেই সাংবাদিক বিবৃতি পেশ করি। এখন যদি সকালে কোনো টুইট হয় এবং আপনি তার প্রতিক্রিয়া না জানান, তবে তার আগে অনেক ক্ষতি হয়ে যায়। এটা আলোর গতিতে ঘটে”।

ভুয়ো খবর রুখতে সরকারের উদ্যোগ

জাভাড়েকর জানান, ডিজিটাল মাধ্যমে প্রকাশিত কোনো তথ্য যাচাইয়ের জন্য সরকারি ভাবে একটি ফ্যাক্ট চেক টিম তৈরি করা হয়েছে। ভুয়ো খবর রুখতে এই উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেন, “আমরা স্পষ্টতই ভুয়ো খবর সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছি। তাইগত ২০১৯ সালের অক্টোবরে পিআইবি ফ্যাক্ট চেক ইউনিট থেকেও একটি প্রচেষ্টা আমরা শুরু করেছি। আমরা সমস্ত রাজ্যে পিআইবি ফ্যাক্ট চেক ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেছি”।

কী রকম এই ফ্যাক্ট চেক?

সম্প্রতি ভারতীয় রিজার্ভ ব্যাঙ্কের (RBI) লেটারহেড ব্যবহার করে একটি বেসরকারি সংস্থা চাকরির নিয়োগপত্র ইস্যু করেছিল। সেই নিয়োগপত্র যে ভুয়ো, সে ব্যাপারে নিশ্চিত করল কেন্দ্রীয় সরকারি ফ্যাক্ট চেক টিম, পিআইবি ফ্যাক্ট চেক (PIB Fact Check)।

বিস্তারিত পড়ুন এখানে: ফ্যাক্ট চেক: রিজার্ভ ব্যাঙ্কের লেটারহেড ব্যবহার করে জাল নিয়োগপত্র

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন