মৃত্যুর শংসাপত্রে কখন কোভিড লেখা হবে, কখন নয়, নির্দেশিকা দিল আইসিএমআর

0
covid death

খবরঅনলাইন ডেস্ক: মৃত্যুর শংসাপত্রে মৃত্যুর কারণ কখন কোভিড লেখা হবে এবং কখন লেখা হবে না, তা স্পষ্ট করতে একটি নির্দেশিকা জারি করল স্বাস্থ্য মন্ত্রক ও ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)। করোনা সংক্রমণ ধরা পড়ার ৩০ দিনের মধ্যে যদি রোগীর মৃত্যু হয়, সে ক্ষেত্রে মৃত্যুর কারণ অবশ্যই কোভিড ধরা হবে। সুপ্রিম কোর্টের কাছে জবাব পেশ করে এমনই নির্দেশিকার কথা জানাল আইসিএমআর।

কোভিডে মৃত্যুর শংসাপত্র নিয়ে ধন্দ কাটাতে একটি নির্দেশিকা তৈরির প্রস্তাব বরাবরই ছিল কেন্দ্রের কাছে। এ বিষয়ে সরকারি নির্দেশিকা তৈরিতে দেরি হওয়ার জন্য সম্প্রতি কেন্দ্রকে তিরস্কার করেছিল সুপ্রিম কোর্ট। তার দিন দশেকের মাথাতেই হলফনামা পেশ করল স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, কোনো হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রে ভরতি থাকাকালীন আরটি-পিসিআর টেস্ট, মলিকিউলার টেস্ট, র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বা অন্য কোনো পরীক্ষায় যদি করোনাভাইরাস সংক্রমণ ধরা পড়ে, তা হলেই রোগীর কোভিড পজিটিভ ধরা হবে।

বিষক্রিয়া বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে কোভিডে মৃত্যু নয়

অন্যদিকে এটাও লেখা হয়েছে যে করোনা-আক্রান্ত রোগী যদি বিষক্রিয়া বা দুর্ঘটনায় মারা যান, বা আত্মঘাতী হন, সে ক্ষেত্রে সেটি কোভিডে মৃত্যু হিসেবে ধার্য করা হবে না।

উল্লেখ্য, গত বছর এপ্রিল মাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তৎকালীন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা জানিয়েছিলেন যে কোনো কোভিডরোগীর দুর্ঘটনায় মৃত্যু হলে কোভিডে মৃত্যু বলে গণ্য হবে না। কিন্তু তখন রাজীবকে তীব্র ভর্ৎসনা করেছিল রাজ্য সফরে আসা কেন্দ্রের একটি বিশেষ দল।

আইসিএমআর-এর নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘কোনো রোগী হাসপাতাল বা বাড়িতে মারা গেলে যদি জন্ম-মৃত্যু নথিবদ্ধকরণ আইনে যথাযথ মেডিক্যাল শংসাপত্র দেওয়া থাকে, কোভিডে মৃত্যু বলে ধরা হবে।’’

এই পর্যবেক্ষণকে গুরুত্ব দিয়ে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, ‘‘করোনা পরীক্ষা বা চিকিৎসায় যে দিন কোভিড-১৯ ধরা পড়বে, তার ৩০ দিনের মধ্যে রোগীর মৃত্যু হলে, মৃত্যুর কারণ কোভিড ধরা হবে। এ ক্ষেত্রে যদি হাসপাতাল বা কোভিড চিকিৎসা কেন্দ্র থেকে বাড়ি ফেরার পরে রোগীর মৃত্যু হয়, তাতেও মৃত্যুর কারণ কোভিড-ই ধরা হবে।’’

তবে, একটি বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে নির্দেশিকায়। মৃত ব্যক্তির পরিবার যদি শংসাপত্র (মেডিক্যাল সার্টিফিকেশন অব কজ অব ডেথ) নিয়ে সন্তুষ্ট না হয়, সে ক্ষেত্রে তারা স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে। এ জন্য প্রশাসনিক স্তরে একটি কমিটি গঠন করা হবে। ওই কমিটি নির্দিষ্ট পরিবারের অভিযোগ খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবে।

আরও কিছু উল্লেখযোগ্য খবর পড়তে পারেন:

১৭ সেপ্টেম্বর থেকে মুদি দ্রব্য পরিষেবা বন্ধ করছে জোম্য়াটো

ভারতে থেকে বাংলাদেশে ঢুকতেই দাউদাউ করে জ্বলে উঠল পণ্যবাহী ট্রাক, এলাকায় চাঞ্চল্য

জল্পনার অবসান! গুজরাতের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র পটেল

উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে কী ভাবে মা উড়ালপুলের ছবি? বিবৃতি যোগী সরকারের

গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপাণীর অপসারণের আগে সমীক্ষা চালিয়েছিল আরএসএস, উঠে আসে বিস্ফোরক তথ্য!

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন