Connect with us

দেশ

লকডাউন না মানলে কোনো কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৩০ দিনে ৪০৬ জনকে সংক্রামিত করতে পারে: আইসিএমআর

Lav Agarwal

নয়াদিল্লি: লকডাউন অথবা সামাজিক দূরত্ব না মানলে কোনো কোভিড-১৯ আক্রান্ত ৩০ দিনে ৪০৬ জনকে সংক্রামিত করতে পারে বলে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট পেশ করল ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (ICMR)।

কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলির তরফে সাধারণ মানুষকে লকডাউন চলাকালীন ঘর থেকে বেরোতে নিষেধ করা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতেও সেই নির্দেশ অমান্য করার প্রবণতা দেখা দিচ্ছে। মঙ্গলবার আইসিএমআরের প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় পরিসংখ্যান-সহ তুলে ধরা হয়েছে, উপরোক্ত নির্দেশ অমান্য করা হলে কী ভয়ঙ্কর ফল হতে পারে।

এ দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রকের যুগ্মসচিব লব আগরওয়াল জানান, এখনও পর্যন্ত সারা দেশে করোনাভাইরাস (Coronavirus) আক্রান্তের সংখ্যা ৪,৪২১ জন। মৃত্যু হয়েছে ১১৪ জনের।

একই সঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, “আইসিএমআরের সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যদি কোনো কোভিড-১৯ আক্রান্ত সামাজিক দূরত্ব বজায় না রাখেন অথবা লকডাউন না মেনে চলেন, তা হলে তাঁর মাধ্যমে ৩০ দিনে ৪০৬ জন করোনাভাইরাসে সংক্রামিত হতে পারেন”।

এ প্রসঙ্গেই লকডাউন প্রত্যাহার নিয়ে আগরওয়াল বলেন, লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি অথবা প্রত্যাহার নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। গত ২৩ মার্চ ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। তাঁর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১৪ এপ্রিল দেশ জুড়ে লকডাউন বজায় থাকার কথা।

গোষ্ঠী সংক্রমণ রোধ করার কৌশল পর্যালোচনা করে এই আগরওয়াল আরও বলেন, এই ধরনের কৌশল অবলম্বন করে ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষত আগরা, গৌতমবুদ্ধ নগর, পথানামথিট্টা, ভিলওয়াড়া ও পূর্ব দিল্লিতে এই কৌশল বেশ কার্যকরী।

আরও পড়ুন: এখনও লকডাউন বাড়ানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি, অনুমান করবেন না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

তাঁর কথায়, স্মার্ট সিটিগুলিতে কোভিড-১৯ (COVID-19)- এর সন্দেহভাজন বিষয়গুলিতে নজরদারি চালানোর জন্য যৌথ প্রচেষ্টা নিশ্চিত করা হয়েছে। কোভিড ব্যবস্থাপনার জন্য সরকার তিন ধরনের কেন্দ্র গড়ে তুলেছে।

দেশ

গুজরাতের কারখানায় বিস্ফোরণ থেকে আগুন, মৃত ৮, জখম ৪০

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বুধবার বিকেলে গুজরাতের (Gujarat) দহেজে (Dahej) একটি রাসায়নিক কারখানায় (chemical plant) বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে আট জন শ্রমিক প্রাণ হারান এবং অন্তত পক্ষে ৪০ জন আহত হন। গোটা কারখানা আগুনে ঢেকে যায়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দমকলের ১০টি ইঞ্জিন কাজে লাগানো হয়।

কারখানার আশেপাশের দু’টি গ্রামের অধিবাসীদের নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। রাসায়নিক থেকে সৃষ্ট আগুনের ধোঁয়া বিষাক্ত বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক।

পুলিশ ইনসপেক্টর বিপুল গগিয়া সংবাদসংস্থা পিটিআইকে জানান, “রাসায়নিক কারখানায় বয়লার ফেটে (boiler blast) ৮ জন মারা গিয়েছেন।”

কারখানাটি একটি খোলামেলা জায়গায় অবস্থিত। বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে গেলে গোটা জায়গাটি ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায়।

ভারুচের কালেক্টর এমডি মদিয়া বলেন, “একটি অ্যাগ্রো-কেমিক্যাল বয়লার বিস্ফোরণের পরে আগুন লেগে যায়। গোটা কারখানায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ৩৫-৪০ জন শ্রমিক অগ্নিদগ্ধ হন। এঁদের ভারুচের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।”

এই কারখানার মালিক যশস্বী রসায়ন প্রাইভেট লিমিটেড (Yashashvi Rasayan Pvt Ltd)। এখানে শিল্পে ব্যবহারযোগ্য ১৫টি রাসায়নিক দ্রব্য উৎপাদিত হয়।

উল্লেখ্য, গত মাসে অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে এলজি পলিমার্স ইন্ডিয়ার একটি কারখানা থেকে রাসায়নিক লিক করে ১১ জনের মৃত্যু হয় এবং ২০০ জন অসুস্থ ব্যক্তিকে হাসপাতালে পাঠাতে হয়। আরও হাজারের বেশি লোক অল্পবিস্তর অসুস্থ বোধ করেন, তবে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়নি। করোনাভাইরাস লকডাউনের জেরে ওই কারখানাটি বন্ধ ছিল।  

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লি ও তার আশেপাশে ফের ভূমিকম্প

খবরঅনলাইন ডেস্ক: আবার ভূমিকম্প (earthquake) দিল্লি (Delhi) ও তার আশেপাশে। রিখটার স্কেলের (Richter Scale) মাত্রায় এই ভূমিকম্প খুব বেশি না হলেও, পর পর কম্পনে ওই অঞ্চলের অধিবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হচ্ছে। এ দিনের ভূমিকম্পে অবশ্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি।

বুধবার রাত ১০.৪২ মিনিটে দিল্লি, নয়ডা এবং তার আশেপাশে কম্পন অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে এই কম্পনের মাত্রা ছিল ৩.২।

আরও পড়ুন: রাত্রে ভূমিকম্প দিল্লি ও তার আশেপাশে, উৎসস্থল রোহতক

ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (NCS) পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসকেন্দ্র ছিল নয়ডার ১৯ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে, পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগর জেলার একটি জায়গায়। ভূপৃষ্ঠের ৪ কিমি গভীরে এই ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৯ মে রাতে ৪.৬ ও ২,৯ মাত্রার ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছিল রোহতকে। যার ফলে দিল্লি ও তার আশেপাশের এলাকা কিছুক্ষণ সময়ের তফাতে দু’ বার কেঁপে উঠেছিল।

পড়তে থাকুন

দেশ

দিল্লিতে পৌঁছোলেই সাত দিনের জন্য বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারান্টাইন

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ট্রেন, বিমান বা বাস – যিনি যে ভাবেই দিল্লি (Delhi) পৌঁছোন না কেন, তাঁকে বাধ্যতামূলক ভাবে সাত দিন হোম কোয়ারান্টাইনে (home quarantine) থাকতে হবে। দিল্লি সরকার তাদের আগের নির্দেশিকা সংশোধন করে এ কথা জানিয়েছে।

আগে বলা হয়েছিল, কাউকে কোনো কোয়ারান্টাইনে থাকতে হবে না। নতুন নির্দেশিকা মেনে চলা হচ্ছে কিনা তা দেখার জন্য জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আগে যে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছিল তাতে বলা হয়েছিল, কেউ বাইরে থেকে দিল্লিতে এলে তাঁকে ১৪ দিন নিজেকে নজরে রাখতে হবে। করোনাভাইরাসের (coronavirus) কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ডিসট্রিক্ট সার্ভেইল্যান্স অফিসার বা ন্যাশনাল কল সেন্টারের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

গত সপ্তাহ থেকে দিল্লিতে কিছু কড়াকড়ি শিথিল করা হয়েছে। ফলে করোনাভাইরাসে সংক্রমিতের সংখ্যা বেশ বেড়েছে। তাই নির্দেশিকা সংশোধন করা হয়েছে।

এখন দিল্লিতে সংক্রমিতের সংখ্যা ২৩৬৪৫। গত সাত দিন ধরে গড়ে দৈনিক ১২০০ মতো মানুষ সংক্রমিত হচ্ছেন। এখনও কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যা প্রচুর। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন ছাড়া অন্য সব কাজের জন্য সীমানা সিল করে দিয়েছে দিল্লি।

পড়তে থাকুন

নজরে