akhilesh yadav, mayawati and adityanath yogi

ওয়েবডেস্ক: বিজেপি ৭১, কংগ্রেস ২, সমাজবাদী পার্টি ৫, আপনা দল ২।

গত ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে এটাই ছিল উত্তর প্রদেশের ফলাফল। তবে দু’টি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে সমাজবাদী পার্টি বিজেপির কাছ থেকে গোরক্ষপুর এবং ফুলপুর ছিনিয়ে নেওয়ায় সামান্য বদল হয়েছে পরিসংখ্যানে। কিন্তু এই বদলের হাত ধরেই বৃহত্তর পরিবর্তন ঘটে যেতে পারে আগামী ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে।

সরল পাটিগণিতের অঙ্ক বলছে, আগামী সাধারণ নির্বাচনে অখিলেশ-মায়াবতী জুটি এক সঙ্গে লড়লে ওই হিসাব আমূল বদলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিজেপির ভাগ্যে জুটতে পারে খুব বেশি হলে মাত্র ২৩টি আসন। তাঁদের এই দাবি যে নিছক স্বপ্ন-ভিত্তিক নয়, তার স্বপক্ষে রয়েছে জোরালো যুক্তি। এ ক্ষেত্রে তাঁরা সামনে নিয়ে এসেছেন গত ২০১৭ সালে উত্তর প্রদেশে হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে দুই দলের প্রাপ্ত ভোটের সংখ্যা। জোট নেতৃত্ব লক্ষ্য করেছেন, ওই নির্বাচনে এমন ৫০টি আসন রয়েছে যেখানে বহুজন সমাজ পার্টি এবং সমাজবাদী পার্টির ভোটের যোগফল বিজেপির প্রাপ্ত ভোটকে ছাপিয়ে গিয়েছে।

এর সঙ্গে অখিলেশের ঝুলিতে থাকা আরও সাতটি আসনকে ধরলে দেখা যাচ্ছে, মোট ৫৭টি আসনে আধিপত্য থাকবে জোটের। অন্য দিকে মাত্র ২৩টি আসনে জয়ের সম্ভাবনা রয়েছে বিজেপির।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গত ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে দুই বিরোধী দল যদি এক সঙ্গে লড়াই করে তা হলে বিজেপির পক্ষে উত্তর প্রদেশে নিজেদের আধিপত্য ধরে রাখা কঠিনতর হয়ে পড়বে। মূলত এই দুই দলের ভোট কাটাকাটির অঙ্কের সৌজন্যেই বিজেপি সরকার গঠনে সমর্থ হয়েছিল। ওই নির্বাচনে সমাজবাদী পার্টি পায় ৪৭টি এবং বহুজন সমাজ পার্টি পায় ১৯টি আসন। কিন্তু দুই দলের ভোট কাটাকাটিতে বিজেপি পেয়ে যায় ৩২৫টি আসন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here