নীতীশ কুমার। ফাইল ছবি

খবর অনলাইন ডেস্ক: বিহারের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে নীতীশ কুমারের ফিরে আসার স্বপ্ন এখন পুরোপুরি তাঁর সহযোগী দল, বিজেপির উপর নির্ভর করছে।

সকালের ছবিটা আমূল বদলে গিয়ে দুপুরের প্রবণতা বলছে, একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়ে উঠতে চলেছে বিজেপি। সেই জায়গায় প্রত্যাশিত ফল করতে পারেনি নীতীশের দল জেডিইউ। এমন জায়গা থেকেই স্বাভাবিক ভাবেই যে প্রশ্নটি উঠে আসছে, তা হল বিহারে এনডিএ ক্ষমতায় ফিরলে নীতীশ কুমার কি মুখ্যমন্ত্রী থাকবেন?

পাশাপাশি রয়েছে, ভোটের প্রচারে রাজনীতি থেকে তাঁর স্বেচ্ছাবসরের ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য। পূর্ণিয়ার তৃতীয় তথা শেষ দফার ভোটের প্রচারসভায় নীতীশ এ দিন জানিয়ে দেন, এটাই তাঁর শেষ ভোট। জনসভায় তিনি বলেন, ‘‘জেনে নিন, আজই ভোটের প্রচারের শেষ প্রহর। পরশু ভোটগ্রহণ (তৃতীয় তথা শেষ দফার)। আর এটাই আমার শেষ ভোট’’। নীতীশের এই মন্তব্য নিয়ে কম জলঘোলা হয়নি!

তবে নীতীশ কুমারের ঘনিষ্ঠ নেতারা জোরের সঙ্গে বলছেন. “ব্র্যান্ড নীতীশ” অস্বীকৃত নয়। একই সঙ্গে তাঁরা স্বীকার করছেন, বিহারের ওই ফলাফল শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতার প্রতিফলন ঘটায়।

বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয় এ ব্যাপারে সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেন, “এই ভোটে আমাদের মূল প্রচারের মাধ্যম ছিল মোদীর ইমেজ”। তিনি এনডিটিভি-কে বলেন, “আজ সন্ধ্যে নাগাদ আমরা সরকার গঠন ও নেতৃত্বের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব”।

গেরুয়া শিবিরের একটি অংশের ধারণা, বিজেপি বিহারে বৃহত্তম দলের অবস্থানে পৌঁছালে মুখ্যমন্ত্রীপদে অন্য কাউকে ভাবতেই পারে। তবে ভোটের আগে এনডিএ-র তরফে নীতীশকেই নেতা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছিল। সে কথা স্মরণে রেখেই বিজয়বর্গীয় বলেন, “আমরা প্রতিশ্রুতির প্রতি দৃঢ় থাকবে”।

নীতীশের মুখ্যমন্ত্রীত্বের প্রশ্নে বিজেপির বিহার প্রধান সঞ্জয় জয়সওয়াল বলেন, “নীতীশই মুখ্যমন্ত্রী হবেন। কে ক’টা বেশি আসন পেল, সেটা বড়ো কথা নয়। আমরা এক সঙ্গে বিহারের উন্নয়ন এগিয়ে নিয়ে যাব”।

নীতীশের দল অবশ্য এ বারের ভোটে প্রত্যাশিত ফলাফল করতে না পারার কারণ হিসেবে একাধিক বিষয়ের উল্লেখ করছে। বিশেষ করে কোভিড-১৯ মহামারি এবং এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ানের দিকেই আঙুল তুলছে তারা।

আরও পড়তে পারেন: ব্যাপক ভাবে এগিয়ে বিজেপি, মুখ পুড়ছে নীতীশ কুমারের

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন