Connect with us

দেশ

সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আইআইটি মাদ্রাজ, সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় কলকাতা, যাদবপুর কত নম্বরে

university of kolkata-

ওয়েবডেস্ক: ২০১৯-এ দেশের সর্বশ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সম্মান অর্জন করল আইআইটি মাদ্রাজ। ব্যাঙ্গালোরের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্সকে (আইআইএসসি) টপকে এই স্থান অর্জন করল তারা। সোমবার দেশের সেরা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলির (ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনাল র‍্যাঙ্কিং ফ্রেমওয়ার্ক, এনআইআরএফ ) তালিকা প্রকাশ করলেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ওই তালিকায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম স্থানে রয়েছে যথাক্রমে আইআইটি দিল্লি, আইআইটি পোয়াই (মুম্বই) এবং আইআইটি খড়গপুর।

এনআইআরএফ তালিকা বাছাইয়ে দেশের ৩২০০ কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় যোগ দিয়েছিল। ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট, মেডিসিন সহ মোট ন’টি শাখায় এই তালিকা প্রকাশ করে হয়েছে।

ম্যানেজমেন্ট শাখায় প্রথম তিনটি স্থান অধিকার করেছে যথাক্রমে আইআইএম ব্যাঙ্গালোর, আইআইএম অমদাবাদ এবং আইআইএম কলকাতা।

আরও পড়ুন স্টেডিয়ামের মাঠে সভা করা কি ঠিক? মুখ্যমন্ত্রীর সভাস্থল নিয়ে চাপা ক্ষোভ

প্রথম দশটি সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে পঞ্চম স্থানে রয়েছে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। এই তালিকায় প্রথম চারটি স্থানে রয়েছে আইআইএসসি (ব্যাঙ্গালোর), জেএনইউ (দিল্লি), বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি এবং হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়।

দেশের সেরা যে ১০টি কলেজের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে তাতে এই রাজ্যের দু’টি কলেজ আছে। সেই দু’টি কলেজ হল রহড়ার রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ সেন্টিনারি কলেজ (অষ্টম) এবং সেন্ট জেভিয়ার্স (দশম)। এই তালিকায় শীর্ষ স্থানে রয়েছে দিল্লির মিরান্দা হাউস।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্বের এই তালিকা প্রসঙ্গে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সহ-উপাচার্য প্রদীপ ঘোষ বলেন, “র‍্যাঙ্কিং-এ আমরা ভালোই করেছি। আশা করি আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়াতে এই জাতীয় র‍্যাঙ্কিং আমাদের সাহায্য করবে। তবে আমরা এ-ও মনে করি প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যে অনন্য বৈশিষ্ট্য আছে তাকে সম্মান জানানো উচিত। দৃষ্টান্তস্বরূপ বলা যায়, একটি পিওর সায়েন্স ইউনিভার্সিটির সঙ্গে লিবারেল আর্টসে বিশেষত্ব আছে এমন একটি ইউনিভার্সিটির লড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়।”

দেশ

দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড, তবে মৃত্যুহারে উল্লেখযোগ্য পতন

স্বস্তি দিচ্ছে মৃত্যুহারের বড়োরকমের পতন। বর্তমানে সেই হার নেমে এসেছে ২.৬৩ শতাংশে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এক দিনে সংক্রমিত হলেন ২৮,৭০১ জন। অর্থাৎ আক্রান্তের সংখ্যায় দৈনিক রেকর্ড হল সোমবার। যদিও মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছে। পাশাপাশি স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হারও।

দেশের করোনা-তথ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) সোমবারের হিসেব বলছে, এই মুহূর্তে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৫২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ১ হাজার ৬০৯। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৩,১৭৪ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংক্রমণের পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন ১৮,৮৪৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০০ জনের।

বর্তমানে ভারতে সুস্থতার হার রয়েছে ৬৩.০১ শতাংশে। তবে স্বস্তি দিচ্ছে মৃত্যুহারের বড়ো রকমের পতন। বর্তমানে সেই হার নেমে এসেছে ২.৬৩ শতাংশে।

দিল্লিতে কমছে সংক্রমণ, বাড়ছে সুস্থতা

গোটা দেশের কাছেই এখন মডেল হয়ে উঠেছে দিল্লি (Delhi)। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক হলেও দিন দিন রাজধানীতে কমছে নতুন সংক্রমণ। একই সঙ্গে বাড়ছে সুস্থতা। দিল্লিতে এই মুহূর্তে সুস্থতার হার ৭৯.৯৭ শতাংশ হয়ে গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, দিল্লির বর্তমান প্রবণতা যদি আরও দেড় থেকে দুই সপ্তাহ চলে, তা হলে কোভিড কার্ভ সমান তথা ‘ফ্ল্যাটেন’ হয়ে যাবে সেখানে।

যে রাজ্যগুলি এখন মূল চিন্তার কারণ

বর্তমানে, মহারাষ্ট্র, দিল্লি বা তামিলনাড়ুর থেকেও বেশি চিন্তা রয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যকে নিয়ে। তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও পড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে ১৫৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, যা খুবই উদ্বেগজনক।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও তেলঙ্গানা, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, বিহার চিন্তা বাড়াচ্ছে। এই পাঁচ রাজ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। কর্নাটকে তো আড়াই হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে উত্তরপ্রদেশে রোগী-বৃদ্ধির হার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নমুনা-পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে এখনও পর্যন্ত মত এক কোটি ১৮ লক্ষ ৬ হাজার ২৫৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে দেশে।

Continue Reading

দেশ

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৮৭০১, সুস্থ ১৮৮৪৯

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় কোনো রকম লাগাম না টানা গেলেও লকডাউনের কড়াকড়ি অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই এখন আক্রান্তের সংখ্যা আগের থেকে অনেকটাই বাড়বে। মঙ্গলবার, তথা ১ জুলাই থেকে নতুন করে কোভিড আপডেট শুরু করল খবরঅনলাইন। ৩০ জুন পর্যন্ত যাবতীয় আপডেট পড়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে

==================================================================

১৩ জুন, সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) সোমবারের হিসেব বলছে, এই মুহূর্তে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৫২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ১ হাজার ৬০৯। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৩,১৭৪ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৮,৭০১ জন। রেকর্ড সংক্রমণের পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন ১৮,৮৪৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০০ জনের।

১২ জুলাই, সকাল ১০টা

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ৪৯ হাজার ৫৫৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৯২ হাজার ২৫৮। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬২১। মৃত্যু হয়েছে ২২ হাজার ৬৭৪ জনের।

এ দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, শনিবার সকাল ৮টার পর থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৬৩৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজার ২৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫৫১ জনের।

১১ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য বলছে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ২০ হাজার ৯১৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪০৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৮৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ২২,১২৩ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৭,১১৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়েছেন ১৯,৮৭৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫১৪ জনের। সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬২.৭৮ শতাংশ।

১০ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৯৩ হাজার ৮০২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৮৫। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫১৩। মারা গিয়েছেন ২১,৬০৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬,৫০৬ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,১৩৪ জন। মারা গিয়েছেন ৪৭৫ জন। দেশে বর্তমানে সুস্থতার হার আরও কিছুটা বেড়ে ৬২.৪২ শতাংশ হয়েছে। মৃত্যুহার আরও কিছুটা কমে ২.৭২ শতাংশে এসেছে।

৯ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৬৭ হাজার ২৯৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৭৮৯। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৭৮। মারা গিয়েছেন ২১,১২৯ জন।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,৮৭৯ জন। এই রেকর্ডের পাশাপাশি সুস্থতার সংখ্যাও বেড়েছে। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ১৯,৫৪৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪৭ জনের। সুস্থতার হার মঙ্গলবারের থেকে কিছুটা বেড়ে ৬২.০৮ শতাংশ হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী বেড়েছে ৩.৩৫ শতাংশ।

৮ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৪১৭। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৪৪। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮৩১। মারা গিয়েছেন ২০,৬৪২ জন।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,৭৫২ জন গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৬,৮৮৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৮২ জনের। সুস্থতার হার মঙ্গলবারের থেকে কিছুটা বেড়ে সাড়ে ৬১ শতাংশ হয়েছে।

৭ জুলাই, সকাল সাড়ে দশটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫৫৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৪৮। মারা গিয়েছেন ২০,১৬০।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,২৫২ জন। ৩ জুলাইয়ের পর নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় এতটা পতন দেখা গেল। এর ফলে রোগী বৃদ্ধির হার এখন কমে এসেছে মাত্র ৩.১৯ শতাংশে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৫,৫১৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৬৬ জনের। সুস্থতার হার আরও কিছুটা বেড়ে ৬১.১৩ শতাংশ হয়েছে। মৃত্যুহার কমে এসেছে ২.৮০ শতাংশে।

৬ জুলাই, সকাল সাড়ে দশটা

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪১৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৮৭। সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৪৩৩। মৃত্যু হয়েছে ১৯,৬৯৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,২৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৩৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪২৫ জনের। রবিবার মৃত্যু হয়েছিল ৬০৮ জনের।

৫ জুলাই, সকাল দশটা

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৭৩ হাজার ১৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮১৪। সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৯ হাজার ৮৩। মৃত্যু হয়েছে ১৯২৬৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,৮৫০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৩৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬১৩ জনের। দেশে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬০.৭৭ শতাংশ।

৪ জুলাই, সকাল দশটা

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩১৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৪৩৩। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ২২৭। মৃত্যু হয়েছেন ১৮,৬৫৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,৭১১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৪,৩৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪২। দেশে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬০.৮০ শতাংশ।

৩ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৪৪। এর মধ্যে সুস্থতার হারই পৌঁছে গিয়েছে ৬০.৭৯ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৯২ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

দেশে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৩৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮,২১৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২০,৯০৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ২০,০৩২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৭৯ জনের। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগী বেড়েছে মাত্র ৮৯২।

২ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৪ হাজার ৬৪১। যদিও এর মধ্যে ৫৯.৫১ শতাংশ মানুষই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৬০। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৪৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭,৮৩৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯,১৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১১,৯১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৩৪ জনের। রোগীবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে এখন রয়েছে ৩.২৭ শতাংশ।

১ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে পরিসংখ্যান দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪৯৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ২০ হাজার ১১৪। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯৪৮। মৃত্যু হয়েছে ১৭,৪০০ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৬৫৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩,১২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৭ জনের।

Continue Reading

দেশ

কেরল সোনা পাচারকাণ্ড: এনআইএ-র হাতে গ্রেফতার স্বপ্না সুরেশ, উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

টানা ছ’দিন ধরে চলে ‘লুকোচুরি’ খেলা।

ওয়েবডেস্ক: বেঙ্গালুরু থেকে কেরল সোনা পাচারের ঘটনায় মূল দুই অভিযুক্ত স্বপ্না সুরেশ (Swapna Suresh) ও তাঁর সঙ্গী সন্দীপ নায়ারকে গ্রেফতার করেছে এনআইএ (National Investigation Agency)। শনিবার রাতে তাঁদের আটক করার পর এ দিন কোচিতে তাঁদের হেফাজতে নেয় তদন্তকারী সংস্থা।

গত শুক্রবার তদন্তভার হাতে নেওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই গত শনিবার রাতে স্বপ্না এবং সন্দীপ নায়ারকে (Sandeep Nair) আটক করে এনআইএ। এই দু’জন ছাড়াও কেরল সোনা পাচারের ঘটনায় (Kerala gold smuggling case) সরিৎ কুমার (আগেই গ্রেফতার) এবং ফজিল ফরিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। এনআইএ তাঁদের বিরুদ্ধে ১৯৬৭ সালের বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের ১৬, ১৭ এবং ১৮ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। তাঁদের মারফত মোটা অঙ্কের অর্থ সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে ব্যবহার করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে ইতিমধ্যেই।

তদন্তের সূত্রপাত

গত ৫ জুলাই কোচি (Kochi) শুল্ক দফতর বিমানবন্দর থেকে প্রায় ১৫ কোটি টাকা মূল্যের ৩০ কেজি সোনা (২৪ ক্যারাট) আটক করে। প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE) থেকে কূটনীতিবিদদের জিনিসপত্রের সঙ্গে লুকিয়ে ওই সোনা নিয়ে আসা হয়।

তিরুঅনন্তপুরমে (Thiruvananthapuram) সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কনস্যুলেটের এক প্রাক্তন আধিকারিকের ঠিকানায় ওই সোনা পাঠানো হয়েছিল। এই ঘটনায় স্বপ্নার নাম উঠে আসে।

সোনা পাচারের ঘটনায় স্বপ্নার নাম উঠে আসার পর থেকেই তিনি নিখোঁজ ছিলেন। হদিশ মিলছিল না সন্দীপেরও। বেঙ্গালুরু থেকে ধৃত দু’জনকে এ দিন কোচিতে এনআইএ-র কার্যালয়ে পেশ করা হয়। এর আগে টানা ছ’দিন ধরে চলে ‘লুকোচুরি’ খেলা।

কে এই স্বপ্না?

*খাতায়-কলমে জন্ম ৪ জুন, ১৯৮৪।

*ভারতীয় বংশোদ্ভূত আরব আমিরশাহির বাসিন্দা।

*শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকস্তর পর্যন্ত। তবে বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের জাল ডিগ্রি রয়েছে বলে অভিযোগ।

*এয়ার ইন্ডিয়ান স্যাটস-এর এইচআর এগজিকিউটিভ হিবেসে যোগ দেন ২০১৩ সালে।

*আরবি ভাষা জানার সুবাদে ২০১৯ সালে যোগ দেন কনস্যুলেট-জেনারেলের অফিসে।

*বর্তমানে কনস্যুলেট-জেনারেল বিভাগের প্রাক্তন এগজিকিউটিভ সেক্রেটারি স্বপ্না।

*স্বপ্নার বিরুদ্ধে উপসাগরীয় দেশ থেকে সোনা নিয়ে আসার অভিযোগ রয়েছে।

*স্বপ্নার সঙ্গে কেরলের মুখ্যমন্ত্রী পিনারই বিজয়নের প্রধান সচিব এম শিবশঙ্করের সঙ্গে যোগসূত্র পাওয়া গিয়েছে।

*কেরলের সরকারি দফতরে ছিল অবাধ বিচরণ। এমনকী মুখ্যমন্ত্রী পিনারই বিজয়নের (Pinarayi Vijayan) কার্যালয়েও তাঁর ঘনঘন যাতায়াত ছিল বলে জানা যায়।

*খাতায়-কলমে অবিবাহিত উল্লেখ করলেও সূত্রের খবর, দু’বার বিয়ে হয়েছে স্বপ্নার। একটি কন্যাসন্তানও রয়েছে।

রাজনৈতিক যোগসাজশের অভিযোগ

কেরলের বিরোধী দলগুলি অভিযোগ করেছে, মুখ্যমন্ত্রী কার্যালয়ের সঙ্গে স্বপ্নার যোগসাজশ রয়েছে। ফলে তাঁকে আত্মগোপনের জন্য সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। বিরোধী দলের বিক্ষোভের মধ্যে একজন আইএএস কর্মকর্তাকে মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে সরিয়ে নিয়ে তথ্যপ্রযুক্তিসচিব পদে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

তবে এখানেই শেষ নয়, কেরল কংগ্রেস এবং বিজেপির তরফে অভিযোগ করা হয়েছে, করোনাভাইরাস লকডাউনের মধ্যেই স্বপ্নাকে কেরল থেকে বেঙ্গালুরু পালাতে সাহায্য করেছিলেন পুলিশের উপর মহল।

শুল্ক দফতরের চাঞ্চল্যকর তথ্য

শুল্ক দফতর বলেছে. এখন পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য থেকে প্রমাণিত হয়েছে যে স্বপ্না সুরেশ কূটনৈতিক সুরক্ষার মোড়ক ব্যবহার করে সরকারি সংস্থা এবং শুল্ক বিভাগের সঙ্গে প্রতারণা করে ভারতে প্রচুর পরিমাণে সোনা পাচারের কাজে জড়িত এক চক্রের মূল সদস্য। তিনি আরও বেশ কিছু ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। চোরাচালানের কাজটি সহজ করার জন্য নিজের প্রভাব খাটিয়ে সক্রিয় ভাবে অংশ নিয়েছিলেন।

Continue Reading
Advertisement
উঃ দিনাজপুর9 mins ago

বিজেপি বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি খুন

রাজ্য38 mins ago

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমলেও স্বস্তি দিচ্ছে না আগামী তিন দিনের পূর্বাভাস

দেশ1 hour ago

দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড, তবে মৃত্যুহারে উল্লেখযোগ্য পতন

দেশ1 hour ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৮৭০১, সুস্থ ১৮৮৪৯

বিদেশ2 hours ago

কমদামী ও সহজলভ্য দুই ওষুধের সংমিশ্রণেই কমছে করোনার মারণ ক্ষমতা?

বিদেশ2 hours ago

রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সফল, দাবি বিজ্ঞানীদের

কলকাতা3 hours ago

রবিবার রাতের প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন

ক্রিকেট11 hours ago

ক্রিকেটের প্রত্যাবর্তনে ঐতিহাসিক জয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের

দেশ1 hour ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৮৭০১, সুস্থ ১৮৮৪৯

দুর্গা পার্বণ2 days ago

আজও ভিয়েন বসিয়ে হরেক রকম মিষ্টি তৈরি হয় চুঁচড়ার আঢ্যবাড়ির দুর্গাপুজোয়

ফুটবল3 days ago

এটিকে-মোহনবাগানের নতুন লোগো প্রকাশিত, জার্সির রঙ সবুজমেরুনই

কলকাতা2 days ago

সক্রিয় রোগীর নিরিখে এই মুহূর্তে কলকাতার অবস্থান কত নম্বরে?

শিক্ষা ও কেরিয়ার3 days ago

প্রকাশিত হল আইসিএসই এবং আইএসসি ফলাফল, মিলল না মেধা তালিকা!

atm
প্রযুক্তি3 days ago

এটিএম ব্যবহারের সময় কার্ড ক্লোনিং ডিভাইসগুলি থেকে সতর্ক থাকুন

দেশ3 days ago

শারীরিক দুরত্ব ভেঙে মানবিক দায়িত্ব পালন

Shaktikanta Das
দেশ2 days ago

কোভিড-১৯ স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতির সামনে শেষ একশো বছরের সব থেকে বড়ো সংকট: আরবিআই গভর্নর

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা6 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা7 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা1 week ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে