Salt

ওয়েবডেস্ক: আইআইটির একটি গবেষণায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নুন বা লবণে পাওয়া গিয়েছে ৬২৬ ধরনের মাইক্রোপ্লাস্টিকের কণার অস্তিত্ব। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) বম্বের একটি গবেষণা তেমনই বলছে।

ওই গবেষণা থেকে প্রাপ্ত হিসাবে দেখা গিয়েছে, কোনো ভারতীয়র শরীরে প্রতি বছরে গড়ে ১১৭ মাইক্রোগ্রাম বা .১১৭ মিলিগ্রাম মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করছে প্রতিদিন ন্যূনতম ৫ গ্রাম নুন খাওয়ার কারণে। কী এই মাইক্রোপ্লাস্টিক?

বৈজ্ঞানিক ধারণা অনুযায়ী, মাইক্রোপ্লাস্টিক হল প্লাস্টিকের ছোটো কণা বিশেষ। এর ব্যাস ৫ মিলিমিটারের কম। মূলত সমূদ্র থেকে উত্থিত বস্তুর সঙ্গেই মিশে থাকে এই মাইক্রোপ্লাস্টিক।

গত ২৫ আগস্ট বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকা এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড পলিউশন রিসার্চ নামের আন্তর্জাতিক গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। যুগ্ম ভাবে যেটি লিখেছেন অধ্যাপক অমৃতাংশু শ্রীবাস্তব এবং সিইএসসির চন্দনকৃষ্ণ শেঠ।

অধ্যাপক শ্রীবাস্তব পিটিআই-কে জানিয়েছেন, ভারত নুন উৎপাদন এবং ঘরোয়া ও শিল্পে ব্যবহৃারের দিক থেকে তৃতীয় স্থানে রয়েছে। তবে এই গবেষণা এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। আন্তর্জাতিক স্তরেও এই গবেষণাকে প্রসারিত করতে হবে। শুধু মাত্র ভারতে গড় ব্যবহৃত নুনের পরিমাণ থেকেই এই হিসাব তুলে ধরা হয়েছে।

পড়তে পারেন: অনাবৃষ্টিতে শুকিয়ে যাচ্ছে খালবিল-নদীনালা, বন্যার পর কেরলে নতুন বিপদ

নুনের মধ্যে এই প্লাস্টিক প্রবেশের কারণ হিসাবে বিজ্ঞানীরা দায়ী করছেন প্লাস্টিক বর্জ্যের সঠিক অপসারণকেই। অপ্রয়োজনীয় প্লাস্টিক সামগ্রী যে ভাবে অপসারণ করা প্রয়োজন, তা যথাযথ ভাবে মেনে চলে হচ্ছে না। ফলে সমুদ্রের জলে সেগুলির স্থান পাওয়া অবিশ্বাস্য নয়।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন