Connect with us

দেশ

বর্ষা নিয়ে স্বস্তির খবর শোনাল কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর

monsoon forecast 2019

নয়াদিল্লি: এ বছর বর্ষা নিয়ে বেসরকারি আবহাওয়া সংস্থা স্কাইমেটের পূর্বাভাসের উলটো দিকে হাঁটল কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতর। জানিয়ে দিল বর্ষা মোটামুটি স্বাভাবিকই হবে, অযথা আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই।

নববর্ষের দিন সবার নজর ছিল কেন্দ্রীয় আবহাওয়া দফতরের দিকে। বর্ষার কী পূর্বাভাস তারা দেয় সেই দিকে তাকিয়ে ছিল গোটা দেশ। কারণ বর্ষার ওপরেই নির্ভর করে সবকিছু। আর কিছুদিন আগে স্কাইমেটের পূর্বাভাসে আরও আতঙ্কিত হয়ে গিয়েছিলেন দেশের মানুষজন। কারণ সেই পূর্বাভাসে পূর্ব ভারত-সহ দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে খরার কথা বলে ছিল। যদিও সেই আশঙ্কার কথা এ দিন উড়িয়ে দিয়েছে আবহাওয়া দফতর।

সোমবার বিকেলে প্রেস বিজ্ঞপ্তির মধ্যে দিয়ে আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে এ বার বর্ষা স্বাভাবিকের ৯৬ শতাংশ হবে। অর্থাৎ স্বাভাবিক মাত্রার থেকে মাত্র চার শতাংশ কম হতে পারে বর্ষা। যদিও এখানে পাঁচ শতাংশ এ দিক-ও দিকের ‘মডেল এরর’ ধরা হয়েছে। অর্থাৎ, আবহাওয়া দফতরের মতে সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১০১ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে এ বার ভারতে।

আরও পড়ুন বছরের প্রথম দিন থেকেই উত্তরোত্তর বাড়বে গরম, স্বস্তির ঝড়বৃষ্টি কবে?

আবহাওয়া দফতরের পরিভাষায় স্বাভাবিকের ৯৬ শতাংশ থেকে ১০৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃষ্টি হলে তাকে স্বাভাবিকই ধরা হয়। ৯০ থেকে ৯৬ শতাংশ পর্যন্ত হলে স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টি বলা হয়। যদি ৯০ শতাংশের কম বৃষ্টি হয়, তা হলে বলা হয় অপর্যাপ্ত। আর যদি ১০৪ শতাংশের বেশি হয়, তাকে বলা হয় বেশি বৃষ্টি।

এ দিন আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে স্বাভাবিক বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ৩৯ শতাংশ। স্বাভাবিকের থেকে কম বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে ৩২ শতাংশ। অপর্যাপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা ১৭ শতাংশ এবং স্বাভাবিকের বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা ১২ শতাংশ। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, এ বার এল-নিনোর সম্ভাবনা থাকলেও, দেশে তার প্রভাব খুব একটা বেশি পড়বে না।

ভারতের কোন অঞ্চলে কত বৃষ্টি হবে, সেই তথ্য এখনও প্রকাশ করেনি আবহাওয়া দফতর। তবে একটা কথা তারা জানিয়ে দিয়েছে যে এ বার গোটা দেশের সমপরিমাণে বৃষ্টি হবে। অর্থাৎ কোথাও মাত্রাতিরিক্ত বেশি বা কোথাও মাত্রাতিরিক্ত কম বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

Advertisement
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দেশ

প্রবল বর্ষণে সিকিমে ভয়াল রূপ তিস্তার, হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল প্রাক্তন সাংসদের বাড়ি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: গত কয়েকদিন ধরেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে সিকিমে (Sikkim)। সেই বৃষ্টির প্রভাবে রবিবার ব্যাপক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ল রাজ্যটা। একদিকে যেমন ভয়াল রূপ ধারন করেছে তিস্তা। তেমনই প্রাক্তন সাংসদের বাড়ি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ার মতো ঘটনাও ঘটেছে।

উত্তর সিকিমের মঙ্গনে চার-তলা বিশাল বাড়ি রাজ্যসভার প্রাক্তন সাংসদ লেওনার্ড সোলোমান শারিংয়ের। সেই বাড়ির একটা বড়ো অংশ রবিবার ভেঙে পড়ে।

স্থানীয় প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে তিস্তার জলস্তর ব্যাপক ভাবে বেড়ে যাওয়া আর সেই কারণে ভূমিধসের ফলে বাড়িটি ভেঙে পড়ে। বাড়িটির অবস্থা বিপজ্জনক ছিল। সেই কারণে আগে থেকেই সেটি ফাঁকা করে দেওয়া হয়। সরিয়ে দেওয়া হয় আশেপাশের দোকানদারদেরও।

৭৮ বছর বয়সি শেরিং ১৯৭৫ থেকে ১৯৮৭ পর্যন্ত দুই দফায় সাংসদ ছিলেন।

তবে পাহাড়ি এই অঞ্চলে চার-তলার অট্টালিকা তৈরি করার আদৌ কোনো প্রয়োজন রয়েছে কি না, রবিবার ঘটনাটি সেই প্রশ্নই আবার তুলে দিয়ে গেল।

এ দিকে দক্ষিণ সিকিমের সিংটামে তিস্তার রূপ দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা রীতিমত আতঙ্কিত। ২০১৩ সালে উত্তরাখণ্ডে মন্দাকিনী বা অলকানন্দার যে রূপ দেখা গিয়েছিল, তিস্তাকেও সে রকমই দেখাচ্ছে।

তিস্তার জল একটি সেতুকেও ছুঁয়ে ফেলছিল। তবে সেতুটি এখনও অক্ষতই রয়েছে। যদিও সেটা আদৌ অক্ষত থাকবে কি না, সেই নিয়ে চিন্তায় প্রশাসন।

আগামী দু’তিন দিন আরও বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে সিকিমে। ফলে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Continue Reading

দেশ

দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড, তবে মৃত্যুহারে উল্লেখযোগ্য পতন

স্বস্তি দিচ্ছে মৃত্যুহারের বড়োরকমের পতন। বর্তমানে সেই হার নেমে এসেছে ২.৬৩ শতাংশে।

খবরঅনলাইন ডেস্ক: এক দিনে সংক্রমিত হলেন ২৮,৭০১ জন। অর্থাৎ আক্রান্তের সংখ্যায় দৈনিক রেকর্ড হল সোমবার। যদিও মৃত্যুহার উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছে। পাশাপাশি স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হারও।

দেশের করোনা-তথ্য

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) সোমবারের হিসেব বলছে, এই মুহূর্তে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৫২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ১ হাজার ৬০৯। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৩,১৭৪ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংক্রমণের পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন ১৮,৮৪৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০০ জনের।

বর্তমানে ভারতে সুস্থতার হার রয়েছে ৬৩.০১ শতাংশে। তবে স্বস্তি দিচ্ছে মৃত্যুহারের বড়ো রকমের পতন। বর্তমানে সেই হার নেমে এসেছে ২.৬৩ শতাংশে।

দিল্লিতে কমছে সংক্রমণ, বাড়ছে সুস্থতা

গোটা দেশের কাছেই এখন মডেল হয়ে উঠেছে দিল্লি (Delhi)। সেখানে আক্রান্তের সংখ্যা লক্ষাধিক হলেও দিন দিন রাজধানীতে কমছে নতুন সংক্রমণ। একই সঙ্গে বাড়ছে সুস্থতা। দিল্লিতে এই মুহূর্তে সুস্থতার হার ৭৯.৯৭ শতাংশ হয়ে গিয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন, দিল্লির বর্তমান প্রবণতা যদি আরও দেড় থেকে দুই সপ্তাহ চলে, তা হলে কোভিড কার্ভ সমান তথা ‘ফ্ল্যাটেন’ হয়ে যাবে সেখানে।

যে রাজ্যগুলি এখন মূল চিন্তার কারণ

বর্তমানে, মহারাষ্ট্র, দিল্লি বা তামিলনাড়ুর থেকেও বেশি চিন্তা রয়েছে বেশ কয়েকটি রাজ্যকে নিয়ে। তাদের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গও পড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ রাজ্যে ১৫৬০ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন, যা খুবই উদ্বেগজনক।

পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও তেলঙ্গানা, কর্নাটক, অন্ধ্রপ্রদেশ, অসম, বিহার চিন্তা বাড়াচ্ছে। এই পাঁচ রাজ্যেই গত ২৪ ঘণ্টায় এক হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। কর্নাটকে তো আড়াই হাজারের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।

তবে উত্তরপ্রদেশে রোগী-বৃদ্ধির হার কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নমুনা-পরীক্ষা সংক্রান্ত তথ্য

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এর ফলে এখনও পর্যন্ত মত এক কোটি ১৮ লক্ষ ৬ হাজার ২৫৬টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে দেশে।

Continue Reading

দেশ

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৮৭০১, সুস্থ ১৮৮৪৯

খবরঅনলাইন ডেস্ক: ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যায় কোনো রকম লাগাম না টানা গেলেও লকডাউনের কড়াকড়ি অনেকটাই শিথিল করা হয়েছে। শুরু হয়েছে আনলক পর্ব। মানুষ রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন। স্বাভাবিক ভাবেই এখন আক্রান্তের সংখ্যা আগের থেকে অনেকটাই বাড়বে। মঙ্গলবার, তথা ১ জুলাই থেকে নতুন করে কোভিড আপডেট শুরু করল খবরঅনলাইন। ৩০ জুন পর্যন্ত যাবতীয় আপডেট পড়ার জন্য ক্লিক করুন এখানে

==================================================================

১৩ জুন, সকাল ১০টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) সোমবারের হিসেব বলছে, এই মুহূর্তে দেশে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ৭৮ হাজার ২৫২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৩ লক্ষ ১ হাজার ৬০৯। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৫৩ হাজার ৪৭০ জন। মৃত্যু হয়েছে ২৩,১৭৪ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৮,৭০১ জন। রেকর্ড সংক্রমণের পাশাপাশি সুস্থ হয়েছেন ১৮,৮৪৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০০ জনের।

১২ জুলাই, সকাল ১০টা

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ৪৯ হাজার ৫৫৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৯২ হাজার ২৫৮। সুস্থ হয়েছেন ৫ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬২১। মৃত্যু হয়েছে ২২ হাজার ৬৭৪ জনের।

এ দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানায়, শনিবার সকাল ৮টার পর থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে করোনাভাইরাস আক্রান্ত হয়েছেন ২৮ হাজার ৬৩৭ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৯ হাজার ২৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫৫১ জনের।

১১ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য বলছে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৮ লক্ষ ২০ হাজার ৯১৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪০৭ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৫ লক্ষ ১৫ হাজার ৩৮৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ২২,১২৩ জনের।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ২৭,১১৪ জন আক্রান্ত হয়েছেন। সুস্থ হয়েছেন ১৯,৮৭৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫১৪ জনের। সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬২.৭৮ শতাংশ।

১০ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে রিপোর্ট দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৯৩ হাজার ৮০২। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৭৬ হাজার ৬৮৫। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫১৩। মারা গিয়েছেন ২১,৬০৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৬,৫০৬ জন। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৯,১৩৪ জন। মারা গিয়েছেন ৪৭৫ জন। দেশে বর্তমানে সুস্থতার হার আরও কিছুটা বেড়ে ৬২.৪২ শতাংশ হয়েছে। মৃত্যুহার আরও কিছুটা কমে ২.৭২ শতাংশে এসেছে।

৯ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী বৃহস্পতিবার দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৬৭ হাজার ২৯৬। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৭৮৯। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৭৬ হাজার ৩৭৮। মারা গিয়েছেন ২১,১২৯ জন।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,৮৭৯ জন। এই রেকর্ডের পাশাপাশি সুস্থতার সংখ্যাও বেড়েছে। এই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ১৯,৫৪৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪৭ জনের। সুস্থতার হার মঙ্গলবারের থেকে কিছুটা বেড়ে ৬২.০৮ শতাংশ হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী বেড়েছে ৩.৩৫ শতাংশ।

৮ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ৪২ হাজার ৪১৭। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৯৪৪। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৫৬ হাজার ৮৩১। মারা গিয়েছেন ২০,৬৪২ জন।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,৭৫২ জন গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৬,৮৮৩ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৮২ জনের। সুস্থতার হার মঙ্গলবারের থেকে কিছুটা বেড়ে সাড়ে ৬১ শতাংশ হয়েছে।

৭ জুলাই, সকাল সাড়ে দশটা

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী মঙ্গলবার দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৭ লক্ষ ১৯ হাজার ৬৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫৫৭। সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৯৪৮। মারা গিয়েছেন ২০,১৬০।

অর্থাৎ গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,২৫২ জন। ৩ জুলাইয়ের পর নতুন আক্রান্তের সংখ্যায় এতটা পতন দেখা গেল। এর ফলে রোগী বৃদ্ধির হার এখন কমে এসেছে মাত্র ৩.১৯ শতাংশে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১৫,৫১৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৬৬ জনের। সুস্থতার হার আরও কিছুটা বেড়ে ৬১.১৩ শতাংশ হয়েছে। মৃত্যুহার কমে এসেছে ২.৮০ শতাংশে।

৬ জুলাই, সকাল সাড়ে দশটা

সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে ভারতে এখন মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৯৭ হাজার ৪১৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ২৮৭। সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ২৪ হাজার ৪৩৩। মৃত্যু হয়েছে ১৯,৬৯৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,২৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৩৫০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪২৫ জনের। রবিবার মৃত্যু হয়েছিল ৬০৮ জনের।

৫ জুলাই, সকাল দশটা

রবিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৭৩ হাজার ১৬৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৪৪ হাজার ৮১৪। সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৯ হাজার ৮৩। মৃত্যু হয়েছে ১৯২৬৮ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২৪,৮৫০ জন। সুস্থ হয়েছেন ৯৩৮১ জন। মৃত্যু হয়েছে ৬১৩ জনের। দেশে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬০.৭৭ শতাংশ।

৪ জুলাই, সকাল দশটা

শনিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) তথ্য অনুযায়ী ভারতে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩১৫। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ৩৫ হাজার ৪৩৩। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৪ হাজার ২২৭। মৃত্যু হয়েছেন ১৮,৬৫৫ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় ভারতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২২,৭১১ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৪,৩৩৫ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৪২। দেশে সুস্থতার হার বর্তমানে রয়েছে ৬০.৮০ শতাংশ।

৩ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্ট অনুযায়ী ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৪৪। এর মধ্যে সুস্থতার হারই পৌঁছে গিয়েছে ৬০.৭৯ শতাংশ মানুষ। অর্থাৎ ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৯২ মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

দেশে বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ লক্ষ ২৭ হাজার ৪৩৯ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮,২১৩ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ২০,৯০৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ২০,০৩২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৩৭৯ জনের। উল্লেখযোগ্য বিষয় হল গত ২৪ ঘণ্টায় সক্রিয় রোগী বেড়েছে মাত্র ৮৯২।

২ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) রিপোর্টে দেখা গিয়েছে যে এই মুহূর্তে ভারতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৬ লক্ষ ৪ হাজার ৬৪১। যদিও এর মধ্যে ৫৯.৫১ শতাংশ মানুষই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়ে ওঠা মানুষের সংখ্যা ৩ লক্ষ ৫৯ হাজার ৮৬০। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ২ লক্ষ ২৬ হাজার ৯৪৭ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৭,৮৩৪ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৯,১৪৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ১১,৯১২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪৩৪ জনের। রোগীবৃদ্ধির হার কিছুটা কমে এখন রয়েছে ৩.২৭ শতাংশ।

১ জুলাই, সকাল সাড়ে ন’টা

বুধবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক (Ministry of Health and Family Welfare) যে পরিসংখ্যান দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে যে এই মুহূর্তে ভারতে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫ লক্ষ ৮৫ হাজার ৪৯৩। এর মধ্যে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ২ লক্ষ ২০ হাজার ১১৪। সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৪৭ হাজার ৯৪৮। মৃত্যু হয়েছে ১৭,৪০০ জনের।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৬৫৩ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩,১২৬ জন। মৃত্যু হয়েছে ৫০৭ জনের।

Continue Reading
Advertisement
দেশ37 seconds ago

প্রবল বর্ষণে সিকিমে ভয়াল রূপ তিস্তার, হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ল প্রাক্তন সাংসদের বাড়ি

উঃ দিনাজপুর22 mins ago

বিজেপি বিধায়কের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার, পরিবারের দাবি খুন

রাজ্য52 mins ago

উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমলেও স্বস্তি দিচ্ছে না আগামী তিন দিনের পূর্বাভাস

দেশ1 hour ago

দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যায় রেকর্ড, তবে মৃত্যুহারে উল্লেখযোগ্য পতন

দেশ2 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৮৭০১, সুস্থ ১৮৮৪৯

বিদেশ2 hours ago

কমদামী ও সহজলভ্য দুই ওষুধের সংমিশ্রণেই কমছে করোনার মারণ ক্ষমতা?

বিদেশ2 hours ago

রাশিয়ার করোনা ভ্যাকসিনের ট্রায়াল সফল, দাবি বিজ্ঞানীদের

কলকাতা3 hours ago

রবিবার রাতের প্রবল বৃষ্টিতে কলকাতার বিস্তীর্ণ অঞ্চল জলমগ্ন

দেশ2 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ২৮৭০১, সুস্থ ১৮৮৪৯

দুর্গা পার্বণ2 days ago

আজও ভিয়েন বসিয়ে হরেক রকম মিষ্টি তৈরি হয় চুঁচড়ার আঢ্যবাড়ির দুর্গাপুজোয়

ফুটবল3 days ago

এটিকে-মোহনবাগানের নতুন লোগো প্রকাশিত, জার্সির রঙ সবুজমেরুনই

কলকাতা2 days ago

সক্রিয় রোগীর নিরিখে এই মুহূর্তে কলকাতার অবস্থান কত নম্বরে?

শিক্ষা ও কেরিয়ার3 days ago

প্রকাশিত হল আইসিএসই এবং আইএসসি ফলাফল, মিলল না মেধা তালিকা!

দেশ3 days ago

শারীরিক দুরত্ব ভেঙে মানবিক দায়িত্ব পালন

Shaktikanta Das
দেশ2 days ago

কোভিড-১৯ স্বাস্থ্য এবং অর্থনীতির সামনে শেষ একশো বছরের সব থেকে বড়ো সংকট: আরবিআই গভর্নর

Harsh Vardhan
দেশ3 days ago

করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় আমরা উদ্বিগ্ন নই: কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী

কেনাকাটা

কেনাকাটা4 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা6 days ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা7 days ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

কেনাকাটা1 week ago

হ্যান্ড স্যানিটাইজারে ৩১ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

অনলাইনে খুচরো বিক্রেতা অ্যামাজন ক্রেতার চাহিদার কথা মাথায় রেখে ঢেলে সাজিয়েছে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের সম্ভার।

নজরে