ওয়েবডেস্ক: পকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ৩২২টি আসনের মধ্যে প্রত্যক্ষ নির্বাচন হয় ২৭২টি আসনে। এর মধ্যে থেকে নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করতে হলে কোনো রাজনৈতিক দলকে জিততে হয় ১৩৭টি আসনে। এ বার দু-টি আসনে ভোট স্থগিত রয়েছে। তবে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসান (পিটিআই) এখনও পর্যন্ত জিতেছে (বা এগিয়ে রয়েছে) ১১৮টি আসনে।

অন্য দিকে মূল প্রতিদ্বন্দ্বী পিএমএলএনের দখলে রয়েছে ৬৪টি আসন। ফলে সংখ্যার দিক থেকে ইমরানের দল অনেকটাই এগিয়ে থাকলেও সরকার গঠনের জন্য অন্য কোনো ছোটো রাজনৈতিক দল বা নির্দলদের উপরই নির্ভর করতে হবে।

এ বারের পাকিস্তানের নির্বাচনে নির্দল হিসাবে জিতেছেন ১২ জন প্রার্থী। কিন্তু এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে সরকার গড়তে হলে ইমরানের প্রয়োজন আর ১৯টি আসন। সে ক্ষেত্রে সরকারি দল হিসাবে পিএমএলকিউ-র ৫ জন এবং ৯ জন অন্যান্যকে পাশে টেনে নেওয়ায় পিটিআইয়ের প্রতিনিধি সংখ্যা দাঁড়াবে ১৪৪, যা নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার থেকে অনেকটাই বেশি। যে কারণে এ মুহূর্তে এই বিষয়টি নিয়ে খুব একটা মাথা ঘামাচ্ছেন না পিটিআই প্রধান ইমরান।

পড়তে পারেন: পুরনো প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন, খুশিতে ডগমগ প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক

অন্য দিকে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ ভোটে কারচুপির অভিযোগে প্রথম থেকেই সরব। একই ভাবে  পিএমএলএন সভাপতি শাহবাজ জানিয়েছেন, ভোট মিটে গেলেও তাঁদের প্রতিবাদ শেষ হবে না। ভোটে ব্যাপক কারচুপির বিরুদ্ধে তাঁরা প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন।

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন