india rice export

ওয়েবডেস্ক: ভারতের চাল রফতানির পরিমাণ রেকর্ড পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে সদ্য সমাপ্ত ২০১৭-য়। প্রতিবেশী বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা-সহ অন্যান্য দেশে ভারত গত বছর চাল রফতানি করেছে প্রায় ১২.৩ মিলিয়ন টন। যা গত ২০১৬-র তুলনায় ২২ শতাংশ বেশি।পাশাপাশি ক্রেতা হিসাবে বাংলাদেশ সর্বোচ্চ পরিমাণ চাল আমদানি করেছে ভারত থেকে।

সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, ভারত চলতি ২০১৮ সালে চাল রফতানিতে আর বেশি আগ্রহী হয়ে উঠবে। বিশেষত বাংলাদেশ এবং শ্রীলঙ্কায় ভারতীয় চালের চাহিদা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে চাল রফতানিতে দ্বিতীয় স্থানে থাকা থাইল্যান্ডের সঙ্গে ব্যবধান অনেকটাই বাড়িয়ে ফেলতে সক্ষম হবে ভারত।

অন্ধ্রপ্রদেশের একটি চাল রফতানিকারী সংস্থার কার্যনির্বাহী অধিকর্তা এম আদিশঙ্কর রয়টার্সকে জানিয়েছেন, আফ্রিকার দেশগুলিতেও ভারত চাল রফতানি করে থাকে। কিন্তু ইদানীং সে সব দেশের চাহিদা তুলনামূলক ভাবে কমছে। অন্য দিকে ক্রেতা হিসাবে প্রথমের সারিতে উঠে এসেছে বাংলাদেশ।

গত ২০১৭-তে বাংলাদেশ বাসমতী-ব্যতীত চাল কিনেছে ভারতীয় রফতানির ৩৮ শতাংশ। ভারত যেখানে বিদেশে মোট রফতানি করেছে ১২.৩ মিলিয়ন টন, তার থেকে সিংহভাগ অর্থাৎ ৮.৪ মিলিয়ন টন কিনে নিয়েছে বাংলাদেশ একাই। পূর্ববর্তী রেকর্ড ঘেঁটে আধিকারিকরা জানিয়েছেন, গত ২০১৪-তে ভারতের চাল রফতানির রেকর্ড পরিমাণ ছিল ১১.৫ মিলিয়ন টন।

তবে ২০১৭-র এই হিসাব থেকে স্বাভাবিক ভাবেই বাদ পড়েছে গত ডিসেম্বর মাস। অর্থাৎ জানুয়ারি থেকে নভেম্বর মাসের হিসাবেই দেখা যাচ্ছে রেকর্ড গড়ে ফেলেছে ভারত-বাংলাদেশ। ডিসেম্বরের পরিসংখ্যান পাওয়া যেতে পারে চলতি জানুয়ারিতেই।

উল্লেখ্য, ভারত সচরাচর বাসমতী-ব্যতীত চাল রফতানি করে থাকে আফ্রিকা এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলিতে। এ দেশের বাসমতী চালের ক্রেতা মধ্যপ্রাচ্য, আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং ব্রিটেন। কিন্তু গত বছর দেখা গেল, বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম চাল উৎপাদক বাংলাদেশ ভারত থেকে চাল আমদানিতে সবাইকে পিছনে ফেলে দিল। গত বছর বাংলাদেশের ভয়াবহ বন্যার জন্য ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিই এর কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন