arvind subhramanium

ওয়েবডেস্ক: বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকর্ষণ করার জন্য কর্পোরেট কর কমিয়ে আনার চাপ রয়েছে অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির ওপরে। অনেক বিশেষজ্ঞের মতে তিন বছর আগে কর্পোরেট কর কমানোর যে প্রতিশ্রুতি অর্থমন্ত্রী দিয়েছিলেন সেই প্রতশ্রুতি রক্ষার চাপ এ বার তাঁর ওপরে। এ ব্যাপারে যুক্তরাষ্ট্রের দেখানো পথ স্মরণ করা উচিত বলে মনে করেন অনেকেই।

এ বার সেই পথেই হাঁটলেন প্রধানমন্ত্রী মুখ্য অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অরবিন্দ সুব্রহ্মণ্যম। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের পথে হেঁটে ভারতের কর্পোরেট কর কমাতে হবে বলে সাফ বলে দিলেন তিনি।

উল্লেখ্য, গত ডিসেম্বরে ‘ট্যাক্স কাট অ্যান্ড জব’ আইন নিয়ে এসে কর্পোরেট কর এক ধাক্কায় ২৫ থেকে কমিয়ে ২১ শতাংশে নিয়ে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলও তারা পেয়েছে হাতেনাতে। এ মাসেই অ্যাপেল ঘোষণা করেছে, আগামী পাঁচ বছরে ৩৫ হাজার কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করবে তারা। এর ফলে সে দেশের কর্মসংস্থান আরও বাড়বে।

এই ব্যাপারে সুব্রহ্মণ্যম বলেন, “বিনিয়োগবান্ধব হতে গেলে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতেই হবে।” বৃহস্পতিবারই সংসদে বাজেট পেশ করবেন অর্থমন্ত্রী। কর্পোরেট কর কমানো নিয়ে তাঁর ওপর এ বার চাপ রয়েছে যথেষ্ট। সুব্রহ্মণ্যম বলেন, এক দিকে যখন যুক্তরাষ্ট্র এবং বাকি ইয়োরোপীয় দেশ কর কমানোর দিকে যাচ্ছে, ভারত তখন চুপ করে বসে থাকতে পারে না। তিনি বলেন, নতুন প্রত্যক্ষ কর প্রণয়ন করার জন্য একটি প্যানেল তৈরি করেছে সরকার।

সুব্রহ্মণ্যমের কথায়, জিএসটি আদায়ে সরকার একটি স্থিতিশীল অবস্থায় এলে তখনই কর কমানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে তারা। তবে সেটা বৃহস্পতিবারের বাজেটে ঘোষণা করা হবে কি না সে ব্যাপারে কিছু বলতে চাননি সুব্রহ্মণ্যম।

উল্লেখ্য, ২০১৫-১৬ সালের বাজেটে জেটলি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন আগামী চার বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে কর্পোরেট কর কমিয়ে আনা হবে। বর্তমানে কর্পোরেট করের হার ৩০ শতাংশ। সেটাকে ২৫ শতাংশে কমিয়ে আনার কথা বলেছিলেন তিনি। যদিও নতুন সংস্থা এবং এমন কোনো সংস্থা যাদের বার্ষিক আয় ৫০ কোটি টাকার কম, তাদের জন্য এই প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেছেন জেটলি। কিন্তু বড়ো বড়ো কোম্পানি চায় এই কর ব্র্যাকেটে তাদেরও নিয়ে আসা হোক।

বাজেটের আগে করার একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে বেশির ভাগ বিনিয়োগকারী মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের দেখানো পথ স্মরণ করে কর কমানোর ঘোষণা করা হবে এ বারের বাজেটে।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন