কুড়ানকুলামের ২টি ইউনিট নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষর করলেন পুতিন-মোদী

0
355

সেন্ট পিটার্সবার্গ:  মূলত ‘ক্রেডিট প্রোটোকল’-এর জটে আটকে ছিল কুড়ানকুলাম পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের ৫ এবং ৬ নম্বর ইউনিটের কাজ। অবশেষে সেই জট কাটল। বৃহস্পতিবার এই দুটি ইউনিট বসানো নিয়ে চুক্তি সই করল ভারত ও রাশিয়া। এর ফলে প্রাথমিক বাধা কাটিয়ে তামিলনাড়ুকে এই দু’টি ইউনিট বসানোয় সাহায্য করতে পারবে রাশিয়া।

এই পরমাণু চুক্তি ছাড়াও এ দিন দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্য, রেল এবং সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান সহ ১২টি চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং নরেন্দ্র মোদী। এই প্রথমবার রাজধানী মস্কোর বদলে সেন্ট পিটার্সবাগে বৈঠকে বসেন দু’দেশের রাষ্ট্রনেতা।

মোদী-পুতিন বৈঠকে কুড়ানকুলামের ৫ এবং ৬ ইউনিটের জন্য ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট (জিএফএ)’ এবং ক্রেডিট প্রোটোকল চুক্তি বড় পাওনা বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এর ফলে পরমাণু চুল্লি তৈরি করবে, নিউক্লিয়ার পাওয়ার কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেড এবং রাশিয়ার এটমাস্ট্রয়েক্স এক্সপোর্ট কোম্পানি। এই দু’টি ইউনিটের প্রতিটির বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা হবে ১০০০ মেগাওয়াট।


দু’দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংক্রান্ত নথি , ‘একবিংশ শতাব্দীর ভিশন’-এ বলা হয়েছে, শক্তি সংক্রান্ত সহযোগিতার ক্ষেত্রে ‘এনার্জি ব্রিজ’ গড়ে তুলবে দু’দেশ।

২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে মোদী-পুতিন যৌথ বিবৃতি দিয়ে বলেন, ২০১৬ –র ডিসেম্বরের মধ্যে এই দুটি নিউক্লিয়ার ইউনিটের জন্য জিএফএ সাক্ষর হয়ে যাবে। আন্ত‌ঃমন্ত্রী গোষ্ঠী একে অনুমোদন দিলে, অনুমোদনের জন্য ফাইলটি প্রধানমন্ত্রী অফিসে পাঠানো হয়। সূত্র জানা গিয়েছে, ক্রেডিট প্রোটকলের গেরোয় আটকে যায় ওই দুটি চুল্লি অনুমোদনের কাজ।

কুড়ানকুলামে পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিরুদ্ধে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন চলছে। এই চুক্তির পর ফের নতুন করে আন্দোলন শুরু হবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here