khichdi

নয়াদিল্লি: ‘খিচড়ি’কে ভারতের জাতীয় খাদ্য ঘোষণা করা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে। জানা গিয়েছিল, দিল্লির বিশ্ব খাদ্যমেলায় নাকি ‘খিচড়ি’কে জাতীয় খাদ্য হিসেবে ঘোষণা করা হতে পারে। পরে অবশ্য সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়ে দেন, জাতীয় খাদ্য নয়, ‘ব্র্যান্ড ইন্ডিয়া ফুড’ হিসাবে তুলে ধরা হবে ‘খিচুড়ি’কে। এই চাপানউতোরের আবহেই বিশ্ব খাদ্যমেলায় ৯১৮ কেজি খিচড়ি বানিয়ে গিনেস বুকে নাম তুলল ভারত।

শুক্রবার রাত থেকে ‘খিচড়ি’ রান্না করা শুরু হয় খাদ্যমেলায়। প্রখ্যাত শেফ সঞ্জীব কপূর ও এনজিও পাত্রের তত্ত্বাবধানে ৫০ জনের একটি দল এই ‘খিচড়ি’ রান্না করেন। ৩৪৩ কেজি ওজনের এক কড়াইয়ে এই খিচুড়ি তৈরি হয়। রান্না হয়ে গেলে আসরে নামেন যোগগুরু রামদেব। তিনিই খিচুড়িতে শেষ মশলাটি দেন।

রান্নার পর দেখা যায়, ‘খিচড়ি’ ওজন দাঁড়িয়েছে ৯১৮ কেজি। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের প্রজেক্ট ম্যানেজার পাওলিনা স্প্যানিস্কা। তিনি বলেন, “আমরা এখনও কিছু প্রমাণের জন্য অপেক্ষা করছি। তবে আপাতত আমি এটা ঘোষণা করতে পেরে খুশি যে ৯১৮ কেজি ওজনের এটা (খিচড়ি) গিনেস বিশ্ব শিরোপা জিতেছে।”

দেশে-বিদেশের বিভিন্ন মন্ত্রী-আমলা-দূতদের সামনেই প্রদর্শিত হল ‘খিচড়ি’। চাল, মুগ ডাল, জোয়ার, বাজরা, বার্লি, নানা মশলা ও খাবারের রং দিয়ে বানানো হয়েছে ওই ‘খিচড়ি’।

আরও পড়ুন: খিচড়ি ‘ভারতের জাতীয় খাদ্য’ হতে চলেছে, দেখে নিই লোকে কী বলছে

শুধু অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের জন্যই নয়, বিভিন্ন দেশের দূতদের কাছেও এটা পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন রান্নার সঙ্গে যুক্ত একজন।

ভারতের কুড়িটি রাজ্যের ঐতিহ্যশালী খাবার প্রদর্শিত হচ্ছে এই খাদ্যমেলায়। বাংলার ডাব চিংড়ি যেমন মেলায় স্থান পেয়েছে, তেমনই পেয়েছে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারতের মাছের বিভিন্ন পদই। রয়েছে আয়ুর্বেদিক খাদ্যবস্তুও। এ সবের মধ্যেই যাবতীয় নজরের কেন্দ্রবিদুতে এখন খিচুড়ি। গত বৃহস্পতিবার এই খিচুড়িকে জাতীয় খাবারের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গ তুলে হইচই ফেলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পমন্ত্রী হরসিমরত কৌর বাদল।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here