নয়াদিল্লি : কুইক রিঅ্যাকসন সারফেস টু এয়ার মিসাইল (কিউআর-এসএএম) অর্থাৎ দ্রুত প্রতিক্রিয়া করতে সক্ষম ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হল। রবিবার বেলা ১২টা ৩৯ মিনিটে ওড়িশার চাঁদিপুর লঞ্চপ্যাড-৩ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। ভারতীয় সেনার জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) ও ভারত ইলেকট্রনিক লিমিটেড যৌথ ভাবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ৩০ কিলোমিটার। যে কোনো আবহাওয়াতেই কাজ করতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।

আরও পড়ুন : প্রথম মানববাহী রকেটের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করবে ইসরো

ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকেই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম পৃথ্বী-২-এর  পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এর  ঠিক দু’ দিন আগেই শুক্রবার। এই উৎক্ষেপণটা ছিল নিয়মমাফিক ব্যাপার, সশস্ত্রবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য এই জাতীয় উৎক্ষেপণ করা হয়ে থাকে। পৃথ্বী-২-এর পরীক্ষাটি করেছিল স্ট্র্যাটেজিক ফোর্স কমান্ড (এসএফসি)। এই উৎক্ষেপণটি করার ক্ষেত্রে গোটা বিষয়টা পরিচালনায় ছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যন্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর বৈজ্ঞানিকরা।

৫০০ থেকে ১০০০ কিলোগ্রাম টর্পাডো বহন করতে সক্ষম পৃথ্বী-২। এতে দু’টি ইঞ্জিন রয়েছে। লম্বায় ৯ মিটার। তরল জ্বালানিতে চলে এই পৃথ্বী-২। ইন্টিগ্রেটেড গাইডেড মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-এর অধীনে ডিআরডিও এটা তৈরি করেছিল। আর ২০০৩ সালে সশস্ত্রবাহিনীর কাছে এটি হস্তান্তরিত করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে প্রথম বার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here