দ্রুত প্রতিক্রিয়ায় সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ চাঁদিপুর থেকে

0
429

নয়াদিল্লি : কুইক রিঅ্যাকসন সারফেস টু এয়ার মিসাইল (কিউআর-এসএএম) অর্থাৎ দ্রুত প্রতিক্রিয়া করতে সক্ষম ভূমি থেকে আকাশ ক্ষেপণাস্ত্রটির পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ সফল হল। রবিবার বেলা ১২টা ৩৯ মিনিটে ওড়িশার চাঁদিপুর লঞ্চপ্যাড-৩ থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এই ক্ষেপণাস্ত্রটি। ভারতীয় সেনার জন্য এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) ও ভারত ইলেকট্রনিক লিমিটেড যৌথ ভাবে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ৩০ কিলোমিটার। যে কোনো আবহাওয়াতেই কাজ করতে সক্ষম এই ক্ষেপণাস্ত্রটি দ্রুত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারে।

আরও পড়ুন : প্রথম মানববাহী রকেটের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করবে ইসরো

ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই উৎক্ষেপণ কেন্দ্র থেকেই দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র বহনে সক্ষম পৃথ্বী-২-এর  পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল এর  ঠিক দু’ দিন আগেই শুক্রবার। এই উৎক্ষেপণটা ছিল নিয়মমাফিক ব্যাপার, সশস্ত্রবাহিনীর প্রশিক্ষণের জন্য এই জাতীয় উৎক্ষেপণ করা হয়ে থাকে। পৃথ্বী-২-এর পরীক্ষাটি করেছিল স্ট্র্যাটেজিক ফোর্স কমান্ড (এসএফসি)। এই উৎক্ষেপণটি করার ক্ষেত্রে গোটা বিষয়টা পরিচালনায় ছিল ডিফেন্স রিসার্চ অ্যন্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও)-এর বৈজ্ঞানিকরা।

৫০০ থেকে ১০০০ কিলোগ্রাম টর্পাডো বহন করতে সক্ষম পৃথ্বী-২। এতে দু’টি ইঞ্জিন রয়েছে। লম্বায় ৯ মিটার। তরল জ্বালানিতে চলে এই পৃথ্বী-২। ইন্টিগ্রেটেড গাইডেড মিসাইল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম-এর অধীনে ডিআরডিও এটা তৈরি করেছিল। আর ২০০৩ সালে সশস্ত্রবাহিনীর কাছে এটি হস্তান্তরিত করা হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে প্রথম বার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করেছিল।

এক ক্লিকে মনের মানুষ,খবর অনলাইন পাত্রপাত্রীর খোঁজ

মতামত দিন

Please enter your comment!
Please enter your name here