ওয়াশিংটন: দু’দিকে দুই পরমাণু অস্ত্রধারী দেশ চিন এবং পাকিস্তান। এই অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে পরমাণুরোধী পোশাক কিনতে চলেছে ভারত। বৃহস্পতিবার এই ব্যাপারে অনুমোদন দিয়েছে ওয়াশিংটন। এতে ভারতের খরচ হবে ৪৮০ কোটি টাকা।

বৃহস্পতিবার মার্কিন কংগ্রেসে দেওয়া একটি বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা নিরাপত্তা সহযোগিতা সংস্থা (ডিএসসিএ) বলে, “ভারতকে রাসায়নিক, জীবাণু, তেজস্ক্রিয়তা এবং পরমাণু প্রতিরোধী সামগ্রী বিক্রি করার জন্য অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।” ভারতের হাতে এই সামগ্রী এলে, ভারত যেমন রাসায়নিক এবং পরমাণু আক্রমণ রোধ করতে পারবে তেমনই বানচালও করে দিতে পারবে।

ডিএসসিএ-এর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ভারতকে যা দেওয়া হবে তা হল, ৩৮,০৩৪টি এম ৫০টি মুখোশ, ৩৮,০৩৪টি জয়েন্ট সার্ভিস লাইটওয়েট ইন্টেগ্রেটেড স্যুট টেকনোলজি (জেএসএলআইএসটি), যার মধ্যে রয়েছে বিশেষ ধরণের স্যুট, প্যান্ট, গ্লাভস, জুতো এবং এনবিসি ব্যাগ। এ ছাড়াও দেওয়া হবে ৮৫৪টি অ্যাপ্রন, ৮৫৪টি বিকল্প অ্যাপ্রন, ৯৫০৯টি কুইক ডফ হুডস এবং ১১৪,১৬১টি এম৬১ ফিল্টার।

বিবৃতিতে সংস্থাটি কংগ্রেসকে জানিয়েছে, এর ফলে ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও উন্নত হবে। ভারতকে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশ আখ্যা দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক স্থায়িত্ব এবং অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ভারত। এর পাশাপাশি কংগ্রেসকে আশ্বাসবাণী দিয়ে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই প্রতিরক্ষা সামগ্রী ভুল হাতে পড়বে না এবং এর ফলে মার্কিন স্বার্থেও আঘাত পড়ার কোনো সম্ভাবনা নেই।

নিজেদের নিরাপত্তাবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করার জন্যই যে ভারত এই সামগ্রী কিনছে, তা জানিয়েছে সংস্থাটি তাদের বিবৃতিতে বলেছে, “ভারত সরকার নিজেদের নিরাপত্তাবাহিনীকে শক্তিশালী এবং উন্নত করতে এই নিরাপত্তাসামগ্রী কিনছে। এর ফলে এক দিকে নিরাপত্তাবাহিনী যেমন আরও উন্নত হবে তেমনই ভারত-মার্কিন সম্পর্ক আরও মজবুত হবে।” পাশাপাশি এই সামগ্রী ব্যবহারে ভারতের কোনো অসুবিধা হবে না সে ব্যাপারেও আশ্বাস দিয়েছে ডিএসসিএ।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here