Connect with us

খবর

প্রতিরক্ষা অস্ত্র কেনার তালিকায় শীর্ষে ভারত, জানাল স্টকহোলমের সংস্থা

নয়াদিল্লি: সাতাশ বছরে সর্বোচ্চ মাত্রায় পৌঁছোল বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা অস্ত্র কেনার পরিমাণ। অস্ত্র কেনা দেশগুলির তালিকার শীর্ষে রয়েছে ভারত। এমনই জানা গিয়েছে স্টকহোলমের একটি কেন্দ্রের প্রকাশ করা একটি রিপোর্টে।

এই রিপোর্টে ‘স্টকহোলম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (এসআইপিআরআই) জানিয়েছে, ২০১২ থেকে ২০১৬-এর মধ্যে আমদানি হওয়া মোট অস্ত্রের তেরো শতাংশই আমদানি করেছে ভারত। তালিকায় ভারতের পরে রয়েছে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, চিন এবং আলজেরিয়া। উল্লেখ্য, ২০০৭ থেকে ২০১১ পর্যন্ত মোট আমদানি হওয়া অস্ত্রের ৯.৭ শতাংশ কিনেছিল ভারত। সেই সময়কার তালিকাতেও শীর্ষ স্থানেই ছিল ভারত।

আইসিস দমন হোক কি সিরিয়া-ইয়েমেনে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, মধ্য প্রাচ্যের অধিকাংশ দেশই কোনো না কোনো ভাবে দ্বন্দে জড়িত। রিপোর্টে দেখা গেছে, ২০০৭ থেকে ’১১-এর নিরিখে ২০১২ থেকে ’১৬ পর্যন্ত প্রায় ২১২ শতাংশ বেড়েছে সৌদি আরবের অস্ত্র কেনার পরিমাণ।

এক দিকে পাকিস্তান এবং অন্য দিকে চিন। ভারতের সীমান্তে নজরদারি রাখতে হয় সব সময়েই। চিনের সঙ্গে ছায়াযুদ্ধ তো লেগেই আছে। সার্জিকাল স্ট্রাইক থেকে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদ, পাকিস্তানের সঙ্গে ঝামেলাও নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। এ জন্যই প্রতিরক্ষা-সামগ্রী কেনার তালিকার ভারত শীর্ষে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।

এসআইপিআরআইয়ের গবেষণাবিদ সাইমন ওয়েজম্যান মনে করেন, নিজস্ব দ্রব্য কেনার জন্য যতই ভারতে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ প্রকল্প চালু করা হোক, প্রতিরক্ষা-সামগ্রীর জন্য ভারতকে এখনও বিদেশের ওপরই ভরসা করে থাকতে হচ্ছে। তিনি বলেন, “ভারতীয় কোম্পানিকে দিয়ে অস্ত্র তৈরির জন্য অনেক টাকা খরচ করলেও, সেটা ফলপ্রসূ হয় না।”

নিজেদের অস্ত্র ভারত নিজেরা কেন তৈরি করতে পারে না, তার প্রসঙ্গও তুলেছেন ওয়েজম্যান। মূলত লাল ফিতে, রাষ্ট্রীয় কোম্পানির ওপরে অত্যধিক ভরসার ফলেই নিজের অস্ত্র নিজেরা তৈরি করতে পারে না ভারত। এই জন্যই প্রতিরক্ষা-সামগ্রীর জন্য বিদেশের ওপর বেশি ভরসা করতে হয় ভারতকে। মূলত রাশিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইজরায়েলের কাছ থেকেই প্রতিরক্ষা-সামগ্রী আমদানি করে ভারত। অন্য দিকে প্রতিরক্ষা-সামগ্রীর ক্ষেত্রে চিন বাইরে থেকে আমদানি না করে ক্রমে নিজেদের ওপরই নির্ভরশীল হয়ে উঠছে।

ভারতের প্রতিরক্ষার মূল চ্যালেঞ্জ দু’টি — সন্ত্রাসবাদ দমন এবং সীমান্তে নজরদারি। তার জন্য যে প্রতিরক্ষা সামগ্রী প্রয়োজন, তা তৈরি করার মতো পরিস্থিতি এখনও ভারতের নেই, এমনই মত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রাক্তন অর্থনৈতিক উপদেষ্টা অমিত কৌশিশের। যদিও ওয়েজম্যান এবং কৌশিশ, দু’জনেরই মত, সামরিক অস্ত্র তৈরি করার ক্ষেত্রে যদি ভারতীয় সংস্থাগুলির ওপর ভরসা করা যায় তা হলে তা ভারতের ক্ষেত্রেই ভালো হবে।

দেশ

কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র

কোভিড-১৯ সন্দেহজনক যে কোনো ব্যক্তি ল্যাবে গিয়ে নিজের নমুনা পরীক্ষা করাতে পারবেন।

coronavirus

ওয়েবডেস্ক: করোনাভাইরাস (Coronavirus) সংক্রমণ প্রতিরোধে এখন তিনটি বিষয়েই গুরুত্ব দিতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। নমুনা পরীক্ষা, চিহ্নিতকরণ এবং চিকিৎসা, এই তিনটি পদ্ধতিকে জোরদার করতে একাধিক পদক্ষেপ নিল কেন্দ্র। যেগুলির মধ্যে অন্যতম যে কোনো চিকিৎসককে করোনার নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া এবং প্রেসক্রিপশন ছাড়াই কোনো একক ব্যক্তিকে নমুনা পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক বুধবার জানিয়েছে, ‘টেস্ট-ট্র্যাক-ট্রিট’ করোনাভাইরাস মহামারি থেকে জীবন বাঁচাতে এগিয়ে যাওয়ার পথ।

সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে পরামর্শ দিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছে, সমস্ত চিকিৎসক ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিকেল রিসার্চ (ICMR)-এর গাইডলাইন অনুসারে কোভিড-১৯ (Covid-19) সন্দেহজনক যে কোনো ব্যক্তি ল্যাবে গিয়ে নিজের নমুনা পরীক্ষা করাতে পারবেন।

কী বলা হয়েছে গাইডলাইনে?

নির্দেশ বলা হয়েছে, “সরকারি স্বাস্থ্যসেবা সুবিধাগুলির উপর ক্রমবর্ধমান চাপের পরিপ্রেক্ষিতে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নমুনা পরীক্ষা করা একটি বাধ্যতামূলক প্রয়োজনীয়তা। অপ্রয়োজনীয় বিলম্বের কারণ কখনো কখনো নমুনা পরীক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। এই মুহূর্তে, আইসিএমআরের নির্দেশিকা অনুসারে মানদণ্ড পূরণ করা যে কোনো ব্যক্তিকে দ্রুত নমুনা পরীক্ষার অনুমতি দিতে পারবেন সমস্ত চিকিৎসক”।

আইসিএমআরের নির্দেশিকায় আরও বলা হয়েছে, গাইডলাইন মেনে যে কোনো একক ব্যক্তি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা করাতে যেতে পারেন। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারি কোনো কর্তৃপক্ষই তাঁকে বাধা দিতে পারবেন না। দ্রুত নমুনা পরীক্ষায় সহায়তার মাধ্যমে সংক্রমণ রুখতে সমস্ত রকমের পদক্ষেপ নিতে হবে।

জানা গিয়েছে, নতুন এই নির্দেশিকা প্রতিটি রাজ্যের মুখ্যসচিবকে পাঠানো হয়েছে। তবে নতুন নির্দেশিকা কার্যকর করতে হলে রাজ্য সরকারকেও নতুন করে বিজ্ঞপ্তি জারি করতে হবে।

বর্তমানে ল্যবরেটরির সংখ্যা

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এ মুহূর্তে দেশের বিভিন্ন জায়গায় ১,০৪৯টি ল্যাবে কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষা চলছে। এর মধ্যে ৭৬১টি সরকারি এবং ২৮৮টি বেসরকারি ল্যাব। তবে আনুপাতিক ভাবে কয়েকটি রাজ্যে ল্যাবের সংখ্যা কম থাকায়, ওই রাজ্যগুলিকে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।

Continue Reading

দেশ

চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধকরণ ছিল ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ

গত সোমবার রাতেই ডিজিটাল স্ট্রাইক করেছে ভারত। কী কারণে এটা একটা ‘স্ট্রাইক’?

নয়াদিল্লি: গত ১৫ জুন লাদাখ সীমান্তে ভারত-চিন সংঘর্ষের কয়েক দিন পর ৫৯টি চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে ভারত। এটাই ছিল ভারতের তরফে ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’, বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ (Ravi Shankar Prasad)।

সংবাদ সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির একটি ভার্চুয়াল সভায় প্রসাদ বলেন, আমরা চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধ করে দেশের মানুষের তথ্য সুরক্ষিত করেছি। এটা ছিল ডিজিটাল স্ট্রাইক (digital strike)”। একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আপনারা শুধুমাত্র দু’টো সি (C)-এর কথাই শুনতে পাবেন”।

কী এই দুই ‘সি’?

মন্ত্রী বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, আলোচনার মাধ্যমেই শান্তি এবং সমাধান খুঁজে পাওয়া সম্ভব। কিন্তু কেউ যদি ভারতের দিকে কু-নজরে তাকায়, তা হলে আমরাও তার যোগ্য জবাব দেওয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আমাদের ২০ জন বীর জওয়ান যদি আত্মোৎসর্গ করেন, তা হলে চিনের খেসারতের সংখ্যা তার দ্বিগুণ। আপনারা নিশ্চিয় লক্ষ্য করেছেন, তারা কিন্তু এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা প্রকাশ্যে নিয়ে আসেনি”।

একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় আইন, যোগাযোগ, ইলেকট্রনিক্স এবং তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী বলেন, এখন আপনারা দু’টো ‘সি’-এর কথা শুনতে পাবেন। একটা করোনাভাইরাস (Coronavirus) এবং অন্যটা চিন (China)।

কতকটা একই ধরনের মন্তব্য শোনা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) কথাতেও। গত সপ্তাহে ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনা প্রসঙ্গে এ ধরনের মন্তব্যই করেন প্রধানমন্ত্রী।

কী কারণে এটা একটা ‘স্ট্রাইক’?

সন্ত্রাসবাদী সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammed)-এর ঘাঁটি গুঁড়িয়ে দিতে বালাকোটে ‘এয়ার স্ট্রাইক’ চালায় ভারতীয় বায়ুসেনা। চিনা অ্যাপগুলি নিষিদ্ধ করার পর বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে ঘটনাটিকে ‘ডিজিটাল এয়ার স্ট্রাইক’ হিসাবে উল্লেখ করা হয়। সম্ভবত তারই রেশ ধরে সরকারি ভাবে বিষয়টিকে ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’ হিসাবে তুলে ধরা হচ্ছে।

ভারতের অবাক করা পদক্ষেপটি এমন এক সময়ে চিনা প্রযুক্তি সংস্থাগুলিকে প্রভাবিত করেছে, যখন তারা দেশের বিশাল বাজারে প্রবেশ শুরু করে জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে। ভারতের মতো দেশে মোবাইল ফোনের ব্যবহার অনেক বেশি। এমনকী অন্যান্য দেশের থেকে এখানে ডেটা তুলনামূলক ভাবে সস্তা।

স্বাভাবিক ভাবেই আচমকা বিশালাকার একটি বাজার হাতছাড়া হওয়ায় চিনা সংস্থাগুলিও বিপাকে পড়েছে। সারা বিশ্বে চিনা অ্যাপ টিকটকের (TikTOk) ব্যবহারকারী প্রায় ২০০ কোটি। এর ৩০ শতাংশই ভারতে। টিকটকের মূল সংস্থা বাইটডান্স (ByteDance) ভারতে ব্যবসা বাড়াতে ১০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের পরিকল্পনা নেয়।

কারণ হিসাবে কী বলেছিল কেন্দ্র?

গত সোমবার রাতে চিনা মোবাইল অ্যাপ নিষিদ্ধ করে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে বলা হয়েছে, “ভারতের সার্বভৌমত্ব ও সংহতি, প্রতিরক্ষা, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা এবং জনশৃঙ্খলার পক্ষে ক্ষতিকর” ৫৯টি অ্যাপ নিষিদ্ধ করা হল।”

অ্যাপগুলির মধ্যে অন্যতম টিকটক (TikTok), ইউসি ব্রাউজার (UC Browser), হ্যালো (Helo), লাইকি (Likee), ক্যাম স্ক্যানার (Cam Scanner), শেয়ারইট (SHAREit), উইচ্যাট (WeChat), ক্লাব ফ্যাক্টরি (Club Factory) ইত্যাদি।

তবে শুধু চিনা অ্যাপ নয়, রেল, বিএসএনএল, জাতীয় সড়ক-সহ বিভিন্ন প্রকল্পে চিনা সংস্থাগুলির বিনিয়োগ এবং পণ্য বর্জনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।

সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদনগুলি দেখতে পারেন-

চিনা সংস্থার ফোর-জি টেন্ডার বাতিল করল বিএসএনএল

জাতীয় সড়ক প্রকল্পে চিনা সংস্থাগুলিকে নিষিদ্ধ করছে কেন্দ্র

Continue Reading

দঃ ২৪ পরগনা

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: তাঁর শরীরে করোনা ধরা পড়ার পর পরিজনরা তাঁর বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়েই দিয়েছিলেন। কারণ করোনার সঙ্গেও বার্ধক্যজনিত আরও অসুস্থতা তো রয়েছে।

কিন্তু সবাইকে কার্যত চমকে দিয়ে করোনাকে হেলায় হারালেন ৯৯ বছরের বৃদ্ধ। কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন করোনা আক্রান্ত ওই বৃদ্ধ শ্রীপতি ন্যায়বান সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। রাজ্য তো বটেই, দেশের মধ্যে সব থেকে প্রবীণ ব্যক্তি তিনি, যিনি করোনাকে হারালেন।

ওই বৃদ্ধর দুই ছেলেও করোনায় আক্রান্ত। ৭২ বছর বয়সি বড়ো ছেলে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি রয়েছেন। আরও এক ছেলে মুকুন্দপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

জানা গিয়েছে, বৃদ্ধের এক ছেলের প্রথম কোভিড ধরা পড়ে। নিউমোনিয়ার উপসর্গ নিয়ে গত ১১ জুন রাতে তাঁকে মুকুন্দপুরের বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। করোনা পরীক্ষা হলে তার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। দশ দিন পর তাঁর আরও এক ছেলেও করোনায় আক্রান্ত হন।

দুই সন্তান আক্রান্ত হওয়ার মধ্যে গত সপ্তাহে অসুস্থ বোধ করেন বৃদ্ধ। গত ২৪ জুন তাঁর নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। বৃদ্ধের মৃদু হাইপারটেনশন ছিল। শীর্ণকায় শরীরে অক্সিজেনের মাত্রাও স্বাভাবিকের থেকে কম ছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা।

এই অবস্থায় বৃদ্ধকে ডায়মন্ড হারবার থেকে কাঁকুড়গাছির বেসরকারি নার্সিংহোমে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে প্রায় সপ্তাহখানেক চিকিৎসাধীন থাকার পরে অবশেষে তাঁকে ছুটি দেওয়া হয়। করোনাকে হারিয়ে বৃদ্ধ বলেন, ‘‘ভালো আছি। শরীরে এখন কোনো অসুবিধা নেই।’’

করোনা যে মারণ ভাইরাস নয় আর করোনা নিয়ে কারও অতিরিক্ত আতঙ্কিত হওয়ারও যে দরকার নেই, এই বৃদ্ধই সেটা বুঝিয়ে দিলেন।

Continue Reading
Advertisement
coronavirus
দেশ44 mins ago

কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র

দেশ2 hours ago

চিনা অ্যাপ নিষিদ্ধকরণ ছিল ‘ডিজিটাল স্ট্রাইক’: কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ

দঃ ২৪ পরগনা3 hours ago

দেশের মধ্যে প্রবীণতম, করোনাকে হেলায় হারালেন ডায়মন্ড হারবারের ৯৯ বছরের বৃদ্ধ

ভ্রমণের খবর4 hours ago

খুলে গেল পশ্চিমবঙ্গ পর্যটন আর বনোন্নয়ন নিগমের আরও কয়েকটি লজ

দেশ5 hours ago

ভারতে আক্রান্তের সংখ্যা ৬ লক্ষের গণ্ডি ছাড়াল, কিছুটা কমল রোগীবৃদ্ধির হার

দেশ6 hours ago

কোভিড আপডেট: নতুন করে আক্রান্ত ১৯,১৪৮, সুস্থ ১১,৯১২

বিদেশ6 hours ago

আমেরিকায় আরও ভয়াবহ ভাবে জাল বিস্তার করছে করোনা, এক দিনেই আক্রান্ত ৫২ হাজার

ক্রিকেট6 hours ago

চলে গেলেন ‘থ্রি ডব্লু’-এর শেষ জন স্যার এভার্টন উইকস, শেষ হল একটা অধ্যায়

নজরে