Connect with us

দেশ

ভেঙে গেল সব বাধা! পাক কিশোরের দেহ ফেরাতে নিয়ন্ত্রণরেখা পেরোল ভারতীয় সেনা

ওয়েবডেস্ক: এক সাত বছর বয়সি পাক শিশুর দেহ নদীতে ভাসতে ভাসতে ভারতে চলে এল। ভারতীয় সেনা তিন দিন ধরে সেই দেহকে বরফের সাহায্যে সংরক্ষণ করল। তার পর নিয়ন্ত্রণরেখা পেরিয়ে সেই দেহ পাক সেনার হাতে তুলে দিল।

যে কাশ্মীর নিয়ে ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে এত সমস্যা, সেই কাশ্মীরে দুই দেশের সেনা মানবতার এক অনন্য নজির সৃষ্টি করলেন। এই ঘটনার পর কাশ্মীরের গুরেজের বিধায়ক নাজির আহমেদ গুরেজি বললেন, “জীবনে প্রথম আমি এই ধরনের ঘটনার সাক্ষী থাকলাম।”

ঘটনাটির সূত্রপাত মঙ্গলবার। নিয়ন্ত্রণরেখার এ পারে আচুরা গ্রামের বাসিন্দারা দেখতে পান কৃষ্ণগঙ্গা নদী দিয়ে একটি দেহ ভেসে আসছে। এর পরেই ফেসবুক দেখতে গিয়ে নজর যায় একটি ‘নিখোঁজ শিশু’ সংক্রান্ত পোস্টে। পাক অধিকৃত কাশ্মীরের গিলগিট-বাল্টিস্তান প্রদেশের মিনিমার্গ-আস্তুর গ্রামের এক বাসিন্দাকে ওই পোস্টের মধ্যে দিয়ে তাঁর ছেলের দেহ ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য কাতর আবেদন করতে দেখা যায়।

ওই ভিডিও পোস্টে আবিদ শেখ নামক ওই শিশুর বাবা নাজির শেখকে বলতে দেখা যায়, “ভারতের কাছে আমার একমাত্র আবেদন আমাদের ছেলের দেহ ফিরিয়ে দিক। আমি আপনাদের কাছে চিরঋণী থাকব।”

এই ভিডিও প্রসঙ্গে বন্দিপোরার উপ-কমিশনার শাহবাজ মির্জা বলেন, “এই ভিডিওটি দেখার পরেই আমরা আমাদের সেনাবাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা যাতে পাকিস্তানি সেনার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করে এই দেহটি ফিরিয়ে দেয় তার আবেদন করি আমরা।”

এ দিকে সমস্যা তৈরি হয় অন্য দিকে। আচুরায় কোনো মর্গ নেই। ফলে দেহটিকে কী ভাবে গলে যাওয়া থেকে রক্ষা করা হবে সেই নিয়ে চিন্তা শুরু হয়। গুরেজের স্টেশন হাউজ অফিসার তারিক আহমেদ বলেন, “পাহাড়ের গা থেকে বরফের চাঁই ভেঙে এনে দেহ সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।”

আরও পড়ুন গৌরীব্রত উপলক্ষে হিন্দু-মুসলমান সম্প্রীতির অনন্য নজির

কিন্তু তার পরেও দেহ কোথায় হস্তান্তর হবে, সেই নিয়ে ভারত এবং পাক সেনার মধ্যে টানাপোড়েন তৈরি হয়। দেহ গলে যাওয়ার আগে যাতে পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া হয়, সে কারণে গুরেজের সীমান্তেই পাক সেনার হাতে দেহ তুলে দিতে চাইছিল ভারত। অন্য দিকে গুরেজের একাধিক জায়গায় ল্যান্ডমাইন রয়েছে, এই কারণ দেখিয়ে পাকিস্তান চাইছিল কুপওয়ারার টিটওয়ালে সরকারি যে ক্রসিং পয়েন্ট রয়েছে, সেখানে দেহ হস্তান্তর হোক। কিন্তু গুরেজ থেকে টিটওয়াল ২০০ কিমি। এতটা পথ দেহ নিয়ে গেলে, তাকে সংরক্ষণ করা যে যাবে না, সেটা ভালো করেই বুঝতে পারে ভারতীয় সেনা।

এর পর গুরেজ থেকেই দেহ নেওয়ার জন্য পাক সেনাকে বারবার বোঝানোর চেষ্টা করে ভারত। অবশেষে সে চেষ্টা সফল হয়। ভারতীয় সেনার এক আধিকারিক বলেন, “বৃহস্পতিবার সকালে পাকিস্তানের থেকে ইতিবাচক জবাব আসে। ভারতীয় সেনা এবং সরকারি আধিকারিকের একটি দল গুরেজের ‘মাইন-ফিল্ড’ পেরিয়ে পাক সেনার আধিকারিকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।”

ভারতের তরফ থেকে যে দল ওই দেহ দিতে গিয়েছিল, তারই এক সদস্য বলেন, “দুপুর ১২:৩৯-এ আমরা দেহ হস্তান্তর করি। পাকিস্তান কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা করে সেই দেহ গ্রহণ করে।”

গুরেজ আপাতত আবিদময়। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা গুলাম মহম্মদ বলেন, “এই ঘটনা নিয়ন্ত্রণরেখা দিয়ে বিভাজিত দু’টি গ্রামকে আবার এক করে দিল। মানবতার জন্য আজ দুই দেশ নিজেদের মধ্যে তিক্ততা ভুলে গেল।”

পড়তে থাকুন
মন্তব্যের জন্য ক্লিক করুন

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

দেশ

এনআইএ-র চার্জশিট মতে, ফেসবুকে ‘লাল সেলাম’, ‘কমরেড’ লেখা অসমে অপরাধ

খবরঅনলাইন ডেস্ক: সোশ্যাল মিডিয়ায় লেনিনের ছবি আপলোড করা বা ‘লাল সেলাম’, ‘কমরেড’ লেখা অসমের বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) (UAPA) আইন অনুসারে অপরাধ বলে গণ্য হতে পারে।

কৃষক নেতা অখিল গগৈয়ের (Akhil Gogoi) ঘনিষ্ঠ সহযোগী বিট্টু সনোয়ালের (Bittu Sonowal) বিরুদ্ধে চার্জশিট দিতে গিয়ে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (NIA) বলেছে, তাঁর বেশ কিছু বন্ধুকে তিনি ‘কমরেড’ বলে উল্লেখ করেছেন এবং অন্যান্য শব্দের সঙ্গে ‘লাল সেলাম’ শব্দ ব্যবহার করেছেন।

বিট্টূ এবং অখিলের আরও দুই সহযোগীকে এ বছরের গোড়ার দিকে ইউএপিএ-র বেশ কিছু ধারায় গ্রেফতার করা হয়। গত ডিসেম্বরে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) বিরুদ্ধে গোটা অসম জুড়ে যখন বিশাল বিক্ষোভ-প্রতিবাদ চলছিল তখন অখিল গগৈকে গ্রেফতার করা হয়।

ভারতীয় দণ্ডবিধির ১২০খ, ২৫৩ক, ১৫৩খ এবং ইউএপিএ-র ১৮ ও ৩৯ ধারা মোতাবেক অখিল গগৈ আটক রয়েছেন।

২৯ মে-তে পেশ করা চার্জশিটে আরও বলা হয়েছে, সনোয়াল লেনিনের একটি ছবি আপলোড করেন এবং তাতে লেখা আছে, “পুঁজিবাদীরা আমাদের দড়ি বিক্রি করবে, যা দিয়ে আমরা ওদের ঝুলিয়ে দেব।”

গগৈয়ের সংগঠন কৃষক মুক্তি সংগ্রাম কমিটি (KMSS) অভিযোগ করেছে, এনআইএ যে ৪০ পাতার চার্জশিট পেশ করেছ, তাতে তাদের নেতাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করার মতো কোনো জোরদার সাক্ষ্যপ্রমাণ নেই।

কেএমএসএস-এর সভাপতি ভাসকো সইকিয়া বলেন, এনআইএ তাঁদের নেতাদের মাওবাদী প্রমাণ করতে চাইছে। খোলা বাজারে যে বই পাওয়া যায় তা পড়াটা মাওবাদী হওয়ার সাক্ষ্যপ্রমাণ হতে পারে না। তিনি বলেন, “এনআইএ যে সব বই আটক করেছে তার মধ্যে রয়েছে ‘অ্যান ইন্ট্রোডাকশন টু সোশ্যালিজম’ আর ‘কমিউনিস্ট ম্যানিফেস্টো’। এই বইগুলো তো খোলা বাজারে কেনা। গোটা ব্যাপারটাই হাস্যকর।”

গুয়াহাটিতে সিএএ-বিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভ হিংসাত্মক চেহারা নিলে অখিল গগৈকে জোরহাট থেকে ১২ ডিসেম্বর অসম পুলিশ গ্রেফতার করে। আদালত তাঁর জামিন মঞ্জুর করা সত্ত্বেও নতুন নতুন মামলা এনে তাঁকে আটকে রাখা হয়েছে।

সইকিয়া বলেন, সিএএ-বিরোধী প্রতিবাদ বিক্ষোভ জনগনের আন্দোলন। “জনগণ প্রতিবাদ করছেন, কারণ তাঁরা মনে করেন, এতে তাঁদের অস্তিত্ব ও সংস্কৃতি বিপন্ন হবে। এনআইএ বলছে হিংসায় কেএমএসএস নেতাদের হাত আছে, মাওবাদী আক্রমণের সঙ্গে এই হিংসার মিল আছে। কিন্তু আমরা হিংসায় বিশ্বাস করি না।”

পড়তে থাকুন

দেশ

হোটেল, রেস্তোঁরা, শপিং মল এবং ধর্মীয়স্থানের জন্য কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের নির্দেশিকা

নয়াদিল্লি: বৃহস্পতিবার ধর্মীয়স্থান, হোটেল, রেস্তোঁরা পুনরায় খোলার বিষয়ে গাইডলাইন বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) প্রকাশ করল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক। কর্মী এবং অতিথিদের সমন্বয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা মেনে চলার কথা জানানো হয়েছে ওই নির্দেশিকায়।

করোনাভাইরাস লকডাউনের (Coronavirus lockdown) কড়াকড়ি শিথিল করে আগামী ৮ জুন থেকেই ধর্মীয়স্থান, হোটেল এবং রেস্তোঁরা খোলার অনুমতি দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তবে কনটেনমেন্ট জোনে এই স্থানগুলি আগের মতোই বন্ধ থাকছে।

শপিং মলে জন্য নির্দেশিকা

১. প্রবেশপথে হ্যান্ডসানিটাইজেশন এবং থার্মাল স্ক্রিনিং বাধ্যতামূলক।

২. উপসর্গ নেই এমন ক্রেতাকে ঢোকার অনুমতি দেওয়া হবে।

৩. সমস্ত কর্মী, ক্রেতা, দর্শনার্থী ফেস কভার অথবা মাস্ক ব্যবহার করবেন।

৪. কোভিড-১৯ পোস্টার, স্ট্যান্ডি অথবা অডিও ভিস্যুয়াল মিডিয়া প্রদর্শন করতে হবে।

৫. শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৬. কার পার্কিংয়েও সমস্ত নিয়ম মানতে হবে।

৭. ভিতরে ঢোকা এবং বেরনোর জন্য পৃথক পথ ব্যবহার করতে হবে, ইত্যাদি।

রেস্তোঁরার জন্য নির্দেশিকা

১. বসে খাওয়ার থেকে বাড়িতে খাবার পৌঁছে দেওয়ার উপর জোর দিতে হবে।

২. সরাসরি ক্রেতার হাতে খাবারের প্যাকেট হস্তান্তর করা যাবে না।

৩. হোম ডেলিভারিতে যুক্ত কর্মীদের থার্মাল স্ক্রিনিং করতে হবে।

৪. উপসর্গ রয়েছে, এমন কর্মীকে নিয়োগ করা যাবে না।

৫. কর্মীদের মাস্ক, স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

৬. শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৭. ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিতে হবে, ইত্যাদি।

ধর্মীয়স্থানের জন্য নির্দেশিকা

১. প্রবেশপথে স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

২. উপসর্গহীন দর্শনার্থীদের ঢুকতে দেওয়া হবে।

৩. প্রত্যেক দর্শনার্থীকে ফেস কভার অথবা মাস্ক পরতে হবে।

৪. জুতো গাড়িতে রাখতে হবে। অথবা নির্দিষ্ট পরিবারের দর্শনার্থীদের জুতো পৃথক ভাবে রাখতে হবে।

৫. ধর্মীয়স্থান চত্তরে কোনো দোকান থাকলে সেগুলিতেও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৬. বিগ্রহ অথবা ধর্মগ্রন্থ স্পর্শ করা যাবে না।

৭. বড়ো জমায়েত নিষিদ্ধ, ইত্যাদি।

সর্বসাধারণের জন্য নির্দেশিকা

১. কো-মর্বিডিটি রয়েছে এমন ৬৫ বছরের বেশি বয়স্ক, অন্ত:সত্ত্বা মহিলা এবং ১০ বছরের কম বয়সি শিশুদের বাড়িতে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

২. কম পক্ষে ছ’ফুটের দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

৩. ফেস কভার অথবা মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

৪. হাতে নোংরা না লাগলেও নিয়মিত হাত ধুতে হবে। অ্যালকোহল-ভিত্তিক হ্যান্ড স্যানিটাইজার ব্যবহার করতে হবে।

৫. যত্রতত্র থুতু ফেলা যাবে না।

৬. শারীরিক অসুস্থতায় হাসপাতালে যেতে হবে অথবা হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করতে হবে।

৭. আরোগ্যসেতু অ্যাপ ডাউনলোড করতে হবে, ইত্যাদি।

পড়তে থাকুন

দেশ

কেরল হাতি-হত্যা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক

ওয়েবডেস্ক: কেরলের পালাক্কড়ে গর্ভবতী একটি হাতিকে বাজি ভরতি আনারস খাইয়ে হত্যার ঘটনায় এ বার ‘সাম্প্রদায়িক’ রূপ দেওয়ার অভিযোগ।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকর বাজি খাইয়ে হত্যার ঘটনাটিকে ‘এটা ভারতের সংস্কৃতি নয়’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি ঘটনাস্থল হিসাবে যে জায়গার নাম উল্লেখ করেন, সমালোচনার ঝড় ওঠে সেটা নিয়েই। মন্ত্রীর মন্তব্যের পর হাতি-হত্যার ঘটনাকে সাম্প্রদায়িক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

এর কয়েক ঘণ্টা পরেই মুখ্যমন্ত্রী পিনারই বিজয়ন জানান, এখনও পর্যন্ত তিন জন সন্দেহভাজনকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এই ঘটনাটিকে সাম্প্রদায়িক রং দেওয়ার চেষ্টা চলছে। কেরল এবং মালাপ্পুরমকে নিশানা করে প্রচার চলছে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরাও সেই প্রচারে নিজেদের জড়িয়েছেন। তিনি নিজের বর্ণনায় ধর্মান্ধতা আমদানির চেষ্টা করেছেন। আসলে এটা ইচ্ছাকৃত ভাবেই করেছেন। ভুল হয়ে গেলে সংশোধন করে নিতেন”।

গত ২৭ মে মৃত্যু হয় বিস্ফোরণে জখম হাতিটির। প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গেলেও এই মর্মান্তিক ঘটনার কোনো কিনারা করতে পারেনি বন দফতর। দিন দুয়েক আগে ঘটনাটি নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক তোলপাড় শুরু হতেই একাধিক পদক্ষেপের কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী।

বৃহস্পতি বার তিনি টুইটারে জানান, “তিন জন সন্দেহভাজনকে কেন্দ্রে রেখে তদন্ত চলছে। পুলিশ এবং বন দফচর যৌথ ভাবে তদন্ত করবে। আজ জেলা পুলিশকর্তা এবং জেলা বনকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। অভিযুক্তদের শাস্তি দেওয়ার জন্য আমরা প্রয়োজনীয় সমস্ত পদক্ষেপ নেব”।

এ দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভাড়েকরও এই ঘটনার একটি কেন্দ্রীয় তদন্তের কথা জানান।

জাভাড়েকর টুইটারে লিখেছেন, “সরকার হাতি হত্যার বিষয়টিকে গুরুতর বিষয় হিসাবেই দেখছে। আমরা তদন্ত এবং অপরাধীকে গ্রেফতার করতে কোনো রকমের ত্রুটি রাখব না”।

পড়তে থাকুন

নজরে