Connect with us

দেশ

ভারতীয় জলসীমায় সন্দেহজনক চিনা জাহাজ, তাড়া করল নৌবাহিনী

নয়াদিল্লি: ভারতীয় নৌবাহিনী পোর্ট ব্লেয়ারের কাছে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়া একটি সন্দেহজনক চিনা জাহাজকে তাড়িয়ে দিল।

জানা যায়, চিনা গবেষণা জাহাজ ‘শি ইয়ান ১’ আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের পোর্ট ব্লেয়ারের কাছে ভারতীয় জলসীমা নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম চালাচ্ছিল। সরকারি সূত্র সংবাদ সংস্থা এএনআইকে জানিয়েছে, সেখানে সামুদ্রিক নজরদারি বিমান চালিয়ে ওই গবেষণার কাজে পাঠানো চিনা জাহাজটিকে শনাক্ত করা হয়।

সূত্রটি জানায়, এই জাহাজটি ভারতীয় দ্বীপপুঞ্জের কার্যকলাপের উপর নজরদারি চালানোর কাজে চিনারা ব্যবহার করতে পারে। যেখান থেকে ভারত মহাসাগর অঞ্চল (আইওআর) এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় অঞ্চলে সামুদ্রিক গতিবিধি সম্পর্কে গভীর নজর রাখতে পারে।

তবে এজেন্সিগুলি জাহাজটি শনাক্ত করার পরে এবং এটি ভারতীয় এক্সক্লুসিভ অর্থনৈতিক অঞ্চলে (ইইজেড) গবেষণা কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে জানতে পারার পরে, ভারতীয় নৌবাহিনীর একটি যুদ্ধ জাহাজকে সেটির পর্যবেক্ষণের জন্য সেখানে পাঠানো হয়।

যেহেতু আইন বিদেশি দেশগুলিকে ভারতীয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (ইইজেড)-তে কোনো গবেষণা বা অনুসন্ধান কর্মসূচি পরিচালনা করতে দেয় না, তাই ভারতীয় নৌবাহিনী চিনা গবেষণা জাহাজটিকে ভারতের জলসীমা বাইরে চলে যেতে বলেছিল।

সূত্র জানিয়েছে, ভারতীয় নৌবাহিনী সতর্ক করার পরে, চিনা জাহাজ শি ইয়ান ১ ভারতীয় জলসীমা ছেড়ে দিয়ে সম্ভবত তার অন্য গন্তব্যে চলে গিয়েছে, সম্ভবত সেটি চিনের দিকেই গিয়েছে বলে সূত্র জানিয়েছে।

[ আরও পড়ুন: অযোধ্যা মামলা থেকে সরানো হল মুসলিম দলগুলির আইনজীবী রাজীব ধাওয়ানকে ]

ভারতীয় নৌবাহিনীর দায়িত্ব প্রাপ্ত একটি দল ভারত মহাসাগর অঞ্চলে যে চিনা জাহাজ প্রবেশ করে, তার উপর অবিচ্ছিন্ন নজরদারি রাখে। সম্প্রতি, ভারতীয় নৌবাহিনীর পি -৮ আই সামুদ্রিক নজরদারি বিমানটি ভারত মহাসাগর অঞ্চলে এবং তার আশেপাশে চিন নৌবাহিনীর সাতটি যুদ্ধজাহাজ শনাক্ত করেছে।

দেশ

সুপ্রিম কোর্ট কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচ বেঁধে দিতে পারে না: প্রধান বিচারপতি

নয়াদিল্লি: দেশের বিভিন্ন রাজ্যে কোভিড-১৯ (Covid-19) চিকিৎসা ব্যয়ের তারতম্যের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court) হস্তক্ষেপ করতে পারে না বলে মঙ্গলবার সাফ জানিয়ে দিলেন প্রধান বিচারপতি শরদ অরবিন্দ বোবডে (Sharad Arvind Bobde)। একই সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রক এবং রাজ্য সরকারগুলির উদ্দেশেও নির্দিষ্ট পরামর্শ দিল সর্বোচ্চ আদালত।

এ দিন প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এ বিষয়ে প্রয়োজনে নির্দেশিকা জারি করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখার পাশাপাশি স্বাস্থ্য এবং পরিবারকল্যাণ মন্ত্রককে আবেদনকারীর সঙ্গে বৈঠকের নির্দেশ দেন।

সর্বোচ্চ আদালতের পর্যবেক্ষণ

প্রধান বিচারপতি বলেন, বিভিন্ন রাজ্যে কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচ পৃথক। তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিকদের এই বিষয়ে আবেদনকারীদের সঙ্গে একটি বৈঠকের পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালে কোভিড -১৯ চিকিৎসার খরচের ক্ষেত্রে নির্দেশিকা জারি করা যেতে পারে কিনা, সে বিষয়ে রাজ্যগুলিকে বিবেচনা করে দেখতে বলেন।

সচিন জৈন নামে এক ব্যক্তি সর্বোচ্চ আদালতে আবেদনটি দাখিল করেছিলেন। তাঁর আবেদনে বলা হয়েছিল, আদালত যেন বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচের মাপকাঠি বেঁধে দেওয়ার নির্দেশ দেয়। আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের অধীনে যেন নির্দিষ্ট একটি টাকার অঙ্ক বেঁধে দেওয়া হয়।

হাসপাতালগুলির যুক্তি

একাধিক বেসরকারি হাসপাতালের পক্ষে সওয়ালকারী আইনজীবী হরিশ সালভে বলেন, প্রতিটি রাজ্যেরই নির্দিষ্ট একটি কাঠামো রয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচ সারা দেশে একই হওয়া কোনো মতেই সম্ভব নয়।

অন্য দিকে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জমা দেওয়া হলফনামাতেও স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, তারা সারা দেশের বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে এই খরচের পরিমাণ বেঁধে দিতে পারে না।

নমুনা পরীক্ষার খরচ

কোভিড-১৯ নমুনা পরীক্ষার খরচ বেঁধে দেওয়া নিয়েও এর আগে একটি আবেদন জমা পড়ে সর্বোচ্চ আদালতে। নমুনা পরীক্ষার জন্য বেসরকারি ল্যাবরেটরিগুলি বিভিন্ন রাজ্যে ভিন্ন ভিন্ন চার্জ ধার্য্য করে। গত জুন মাসে এই আবেদনের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট একই রকম ভাবে বলে,আদালতে এ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে পারে না। গোটা দেশের জন্য করোনা পরীক্ষার খরচ বেঁধে দিক কেন্দ্রীয় সরকার।

ওই শুনানিতে বিচারপতি অশোক ভূষণ, এসকে কৌল ও এমআর শাহের বেঞ্চ সারা দেশের জন্য করোনা পরীক্ষার ফি বেঁধে দেওয়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, “কেন্দ্র সর্বাধিক খরচ বেঁধে দেওয়ার পর রাজ্য সরকারগুলি বাকিটা দেখে নিক”। এর পর বিভিন্ন রাজ্য সরকারের তরফে বেসরকারি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার ঊর্ধ্বসীমা বেঁধে দেওয়া হয়।

Continue Reading

দেশ

ফুঁসছে কোশী, বিহারে হুড়মুড়িয়ে নদীগর্ভে তলিয়ে গেল স্কুল বাড়ি

খবরঅনলাইন ডেস্ক: বিহারে (Bihar) বন্যা পরিস্থিতি ক্রমশ উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে। এরই মধ্যে চাঞ্চল্যকর একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে, যেখানে দেখা যাচ্ছে যে ফুঁসে ওঠা কোশীর (Koshi) গর্ভে হুড়মুড় করে তলিয়ে গেল একটি স্কুলবাড়ি।

গত কয়েক দিন ধরেই অতি বৃষ্টি হয়েছে বিহারে। ফলে রাজ্যের নদীগুলিতে জল এমনিতেও বাড়ছিল। এর পাশাপাশি নেপালেও অতি বৃষ্টির প্রভাব এসে পড়েছে রাজ্যে। এর ফলে আরও বেশি করে ফুলেফেঁপে উঠেছে নদীগুলিতে।

এমনিতেই বিহারের দুঃখ হিসেবে পরিচিত কোশী। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এই নদীর জল বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। এ ছাড়া দ্বারভাঙা জেলায় কমলা আর শেওহর জেলায় বাগমতি নদীও বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে।

শুধুমাত্র দ্বারভাঙা জেলাতেও বন্যায় দুর্গত হয়েছেন ৫৫ হাজার মানুষ। এরই মধ্যে ওই স্কুলবাড়িটির তলিয়ে যাওয়ার ভিডিও-ও প্রকাশ্যে এসেছে। সোমবার ঘটনাটি ঘটেছে ভাগলপুর জেলার নৌগাছিয়া এলাকায়। তবে ওই ঘটনায় কেউ হতাহত হননি।

তবে এরই মধ্যে স্বস্তির খবর যে আপাতত বৃষ্টির দাপট কিছুটা কমেছে। ফলে নদীগুলিতে জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে।

Continue Reading

দেশ

করোনায় স্বস্তির খবর, ১.১৩ থেকে আর নম্বর কমে এখন ১.১১

খবরঅনলাইন ডেস্ক: দ্বিতীয় পর্যায়ের আনলকে (Unlock 2) এখন রোজ রোজ বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। তবে রোগী বৃদ্ধির হার এখন আগের থেকে অনেকটাই কম। এরই মধ্যে আশা এবং স্বস্তির খবর শোনালেন বিজ্ঞানীরা।

ভারতে করোনার ‘এফেক্টটিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর’ (Effective Reproduction Number) তথা ‘আর নম্বর’ এখন কমে এসেছে ১.১১-এ।

এমনই জানিয়েছন চেন্নাইয়ের ইন্সটিটিউট অব ম্যাথামেটিকাল সায়ান্সেসের (আইএমএস) গবেষক অধ্যাপক সীতভ্র সিনহা জানিয়েছেন। এই ‘আর নম্বর’ (R Number) যদি এমনই থাকে তা হলে ২৯ জুলাই ভারতে করোনায় (Coronavirus) চার লক্ষ সক্রিয় রোগী থাকতে পারে।

উল্লেখ্য, জুনের শেষ সপ্তাহে এই আর নম্বর ১.১৩ হয়েছিল। তার পর জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে সেটা বেড়ে ১.১৯ হয়ে যায়। আবার সেটা বেশ কিছুটা কমে এসেছে বলে জানিয়েছেন অধ্যাপক সিনহা।

এই আর নম্বরটি আদতে কী?

এটি হল সংক্রমণের হার মাপার একটি গাণিতিক হিসেব। এক জন করোনা রোগী কত জন সুস্থ মানুষকে সংক্রমিত করছেন আর সেই সংখ্যার হিসেবে হার কতটা বাড়ছে, সেটাই হিসেব হয় এই নম্বরটি দিয়ে।

এই আর নম্বরটি তিনটে ফ্যাক্টরের ওপরে নির্ভর করে। প্রথমত, এক জন করোনা পজিটিভ রোগীর মধ্যে দিয়ে অন্য জনে সংক্রমণ ছড়িয়ে যাওয়ার ঝুঁকি কতটা, দ্বিতীয়ত, আক্রান্ত ও সংক্রমণের সন্দেহে থাকা ব্যক্তিরা কত জনের সংস্পর্শে আসছেন তার গড় হিসেব, তৃতীয়ত, এক জনের থেকে সংক্রমণ কত জনের মধ্যে এবং কত দিনে ছড়াচ্ছে তার গড় হিসেব।

সিনহা জানাচ্ছেন গত এপ্রিলে এই আর নম্বর ছিল ১.৮৩।

উল্লেখ্য, এপ্রিলে ভারতে করোনা রোগীর বৃদ্ধির হার ১৫ থেকে কুড়ি শতাংশের মধ্যে ছিল। কিন্তু এখন তা ৩ শতাংশের আশেপাশে নেমে এসেছে। রোগীবৃদ্ধির হার কমাই, এই আর নম্বর কমে যাওয়ার প্রমাণ।

বিশেষজ্ঞরা আগেও বলেছেন, চিন, ইতালি, আমেরিকায় এই আর নম্বর ছিল ২ থেকে ৩-এর মধ্যে। সে কারণে ওই সব দেশে সংক্রমণ ছড়িয়েছে অতি দ্রুত। তুলনায় ভারতে সংক্রমণ ছড়ানোর গতি অনেকটাই কম।

এই আর নম্বর ১-এর নীচে চলে এলেই করোনার ওপর নিয়ন্ত্রণ চলে আসবে। কারণ সেটা হলে একজন সংক্রমিত ব্যক্তির থেকে একজন সুস্থ ব্যক্তির সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে না।

তবে আর সতর্কতা অবলম্বন না করলে আর নম্বর যে ফের বাড়তে পারে, সে ব্যাপারেও সতর্ক করে দিয়েছেন সিনহা।

Continue Reading
Advertisement
রাজ্য17 mins ago

মৃত্যুহারকে তিন শতাংশের নীচে নামিয়ে রাজ্যে আরও কমল নতুন আক্রান্তের সংখ্যা

দেশ1 hour ago

সুপ্রিম কোর্ট কোভিড-১৯ চিকিৎসার খরচ বেঁধে দিতে পারে না: প্রধান বিচারপতি

দেশ2 hours ago

ফুঁসছে কোশী, বিহারে হুড়মুড়িয়ে নদীগর্ভে তলিয়ে গেল স্কুল বাড়ি

উঃ দিনাজপুর3 hours ago

ময়নাতদন্তে বিধায়কের আত্মঘাতী হওয়ারই ইঙ্গিত, জানালেন স্বরাষ্ট্রসচিব

রাজ্য3 hours ago

আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, প্রশ্ন উঠছে চিকিৎসা পরিষেবা নিয়েও

দেশ3 hours ago

করোনায় স্বস্তির খবর, ১.১৩ থেকে আর নম্বর কমে এখন ১.১১

শিক্ষা ও কেরিয়ার5 hours ago

কাল মাধ্যমিক ও সিবিএসই দশম শ্রেণির ফলপ্রকাশ

বাংলাদেশ5 hours ago

উভয় দেশে পণ্যবাহী ট্রেন চালুর সিদ্ধান্তের পর প্রথম ভারতীয় ট্রেন বাংলাদেশে

কেনাকাটা

কেনাকাটা2 days ago

হ্যান্ডওয়াশ কিনবেন? নামী ব্র্যান্ডগুলিতে ৩৮% ছাড় দিচ্ছে অ্যামাজন

খবরঅনলাইন ডেস্ক : করোনাভাইরাস বা কোভিড ১৯ এর সঙ্গে লড়াই এখনও জারি আছে। তাই অবশ্যই চাই মাস্ক, স্যানিটাইজার ও হ্যান্ডওয়াশ।...

কেনাকাটা5 days ago

ঘরের একঘেয়েমি আর ভালো লাগছে না? ঘরে বসেই ঘরের দেওয়ালকে বানান অন্য রকম

খবরঅনলাইন ডেস্ক : একে লকডাউন তার ওপর ঘরে থাকার একঘেয়েমি। মনটাকে বিষাদে ভরিয়ে দিচ্ছে। ঘরের রদবদল করুন। জিনিসপত্র এ-দিক থেকে...

কেনাকাটা1 week ago

বাচ্চার জন্য মাস্ক খুঁজছেন? এগুলোর মধ্যে একটা আপনার পছন্দ হবেই

খবরঅনলাইন ডেস্ক : নিউ নর্মালে মাস্ক পরাটাই দস্তুর। তা সে ছোটো হোক বা বড়ো। বিরক্ত লাগলেও বড়োরা নিজেরাই নিজেদেরকে বোঝায়।...

কেনাকাটা1 week ago

রান্নাঘরের টুকিটাকি প্রয়োজনে এই ১০টি সামগ্রী খুবই কাজের

খবরঅনলাইন ডেস্ক : লকডাউনের মধ্যে আনলক হলেও খুব দরকার ছাড়া বাইরে না বেরোনোই ভালো। আর বাইরে বেরোলেও নিউ নর্মালের সব...

নজরে