অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ভাবে দূরপাল্লার ট্রেন চালু হবে ১৫ এপ্রিল থেকে?

প্রতীকী ছবি

খবর অনলাইনডেস্ক: অত্যন্ত নিয়ন্ত্রিত ভাবে কি দূরপাল্লার ট্রেন চলাচল শুরু হবে ১৫ এপ্রিল থেকে? রেলের (Indian Railways) তরফ থেকে এখনও বিষয়টা নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু না বলা হলেও, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ট্রান চালু করার ব্যাপারে চূড়ান্ত প্রস্তুতি সেরে রেখেছে রেল।  

পূর্ব এবং দক্ষিণ-পূর্ব রেলও রয়েছে এই তালিকায়। সম্ভাব্য পরিষেবার জন্য রেলের নানা বিভাগের কর্মীদের তৈরি থাকতে বলা হয়েছে। তবে এই প্রস্তুতি শুধুই দূরপাল্লার ট্রেনের জন্য। লোকাল ট্রেন বা মেট্রো রেল এখনই কোনো ভাবেই চালু হবে না।

গত ২৪ মার্চ গোটা দেশে আচমকা লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা করে দেওয়ায় বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়েছেন অন্য রাজ্যের বাসিন্দারা। এই তালিকায় পরিযায়ী শ্রমিকরা যেমন রয়েছেন, তেমনই পর্যটকও রয়েছেন।

এই মুহূর্তে চেন্নাইয়ে আটকে পড়েছেন অনিতা চক্রবর্তী। খবর অনলাইনকে তিনি জানান, “আমরা ২৪ জন আটকে পড়েছি চেন্নাইয়ে। ফেরার ট্রেন বাতিল হয়েছে, প্লেনও নেই। এখানকার খাবার খেতে অসুবিধা হচ্ছে। খুব সমস্যার রয়েছি।”

তাঁর আবেদন ছিল, “অন্তত সাত দিনের জন্য লকডাউন তুলে ট্রেন চালু করা হোক, যাতে আমরা বাড়ি ফিরে যেতে পারি।”

বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, ঠিক সাত দিনের জন্যই ট্রেন চালানোর পরিকল্পনা করা হচ্ছে। যদিও রেলের কর্তারা সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলতে নারাজ। কারণ গোটাটাই নির্ভর করছে সামনের ক’ দিনের পরিস্থিতি এবং সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপর। এখানে শুধু কেন্দ্রীয় সরকারই নয়, আন্তঃরাজ্য ট্রেন চলাচল করতে গেলে রাজি করাতে হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্য সরকারগুলিকেও।

আগামী শনিবার সকাল ১১টায় সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে ভিডিও বৈঠকে করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)। সেখান থেকেই ১৪ এপ্রিল পরবর্তী পদক্ষেপের রূপরেখা চূড়ান্ত হবে বলে ধরে নেওয়া যায়।

আরও পড়ুন করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার জন্য দায়ী দিল্লি পুলিশ: মহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

তবে ট্রেন চালানোর অনুমতি যদি দেওয়াও হয়, কিছু সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে রেল। সেগুলি হল

১) ট্রেনের মধ্যেও যাত্রীদের মধ্যে যথেষ্ট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। ফলে মিডিল বার্থ আর সাইডের বার্থগুলোতে টিকিট দেওয়া হবে না।

২) শুধু মাত্র থ্রি-টায়ার স্লিপার কামরা থাকবে ট্রেনে। কোনো এসি কামরা থাকবে না।

৩) সব স্টেশনে ঢোকার সময় থার্মাল স্ক্রিনিং।

৪) ৬০ বছরের বেশি বয়সি অর্থাৎ প্রবীণ নাগরিকদের ট্রেন ভ্রমণের নিরুৎসাহ করা।

৫) ট্রেনে মাস্ক পরে থাকা বাধ্যতামূলক। না পরলে জরিমানা বা অন্যান্য শাস্তি।

৬) শুধুমাত্র কনফার্মড টিকিট যাঁদের রয়েছে, তাঁদেরই প্ল্যাটফর্মে ঢুকতে দেওয়া।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*


This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.