reservation chart

নয়াদিল্লি : ১০ হাজার কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের উচ্চগতির রেলপথ তৈরি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। এই ১০ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ রেলপথ তৈরির ক্ষেত্রে ব্যয় সংকোচন করার লক্ষ্যে যাবতীয় ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন রেলমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল। তিনি বলেন, রেলওয়ে করিডোর তৈরির জন্য জায়গা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সচেতন হতে হবে। তার জন্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। প্রয়োজনে রেলের অধিকৃত জমি ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়াও তিনি বলেন, জাতীয় সড়কগুলির ওপর দিয়েও রেল লাইন সম্প্রসারণের কাজ করা যেতে পারে। এতে করে নতুন জমি কিনে রেলপথ তৈরি করতে যে পরিমাণ অর্থ খরচ হবে সেই ব্যয়ও কমিয়ে অর্ধেক করা সম্ভব হবে।

একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পথে যাতায়াতকারী ট্রেনের গতি হতে পারে প্রায় ২০০ থেকে ২৫০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। এই উচ্চগতির ট্রেন দ্রুত যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে দেবে। এই রেলপথ তৈরি করা হবে একস্তম্ভ সেতুর ওপর। দু’ দিকের জন্য একটি করে রেললাইন থাকবে নতুন এই পথে। আকাশপথের পরিবর্তে এই রেলপথ অনেকটাই সাশ্রয়ী ও সুবিধাজনক হয়ে উঠতে পারে।

প্রসঙ্গত, রাজধানী আর শতাব্দীর পরিবর্তে নামানো হবে টেন-১৮ আর ট্রেন-২০। তার জন্যই এই নতুনপথ তৈরির কথা চিন্তাভাবনা করছে মন্ত্রক।

উল্লেখ্য, বর্তমানের সব থেকে দ্রুতগামী ট্রেনের নাম গতিমান। এর গতি ১৬০ কিলোমিটার প্রতিঘণ্টা। এইচ নিজামুদ্দিন থেকে আগ্রা পর্যন্ত এই ট্রেন নামানো হয় ২০১৬ সালে। এর পূর্ববর্তী দ্রুতগামী ট্রেন হল রাজধানী আর শতাব্দী এক্সপ্রেস। ২০২২ সালে বুলেট ট্রেন নামানোর কথা ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার আগেই দেশীয় প্রযুক্তির এই ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here