ওয়েবডেস্ক: দেশের সব থেকে কঠিন তীর্থ অভিযানটির ব্যাপারে অনেকেই জানেন না। আগামী ১৫ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে সেই অভিযান। চলবে ২৫ তারিখ পর্যন্ত।

সব থেকে কঠিন এই তীর্থ অভিযান কিন্তু অমরনাথ নয়। এমনকি কঠিনের তালিকায় মণিমহেশ অভিযানও পড়ে না। হিমাচলের কুলু অঞ্চলে শ্রীখণ্ড মহাদেব অভিযানকেই সব থেকে কঠিন অভিযান বলা হয়। সমুদ্রতল থেকে ১৯ হাজার ফুট উচ্চতায় অবস্থিত শ্রীখণ্ড মহাদেবকে ছুঁতে তীর্থযাত্রীদের ৩২ কিমি হেঁটে উঠতে হয়।

জাও নামক অনামি এক জায়গা থেকে ট্রেকের সূচনা। হিমাচলের রামপুর থেকে জাও ৪০ কিমি। উচ্চতা ৬ হাজার ফুট। এখান থেকে ৩২ কিমি পথ পায় হেঁটে পৌঁছোতে হয় ১৯ হাজার ফুট উচ্চতায় শ্রীখণ্ড মহাদেবে। ট্রেক রুটটি যথেষ্ট দুর্গম। এই পথ পাড়ি দিতে গিয়ে প্রতি বছরই অনেক তীর্থযাত্রীর মৃত্যু হয়। প্রশাসনের আশঙ্কা এ বার বেশি করে সতর্কতা অবলম্বন করে না গেলে মৃত্যু কোনো ভাবেই ঠেকানো যাবে না। কারণ এখনও এই ট্রেক রুটের বিভিন্ন জায়গা পুরু বরফে মুড়ে রয়েছে।

শ্রীখণ্ড মহাদেব।

তাই এ বার বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করেছে প্রশাসন। সব তীর্থযাত্রীকে চিকিৎসকের সই করা ‘ফিট সার্টিফিকেট’ নিয়ে আসতে হবে। ১৫ বছরের নীচে কেউ এই ট্রেক করতে পারবেন না। আর কোনো তীর্থযাত্রীর পায়ে যদি চটি থাকে তা হলে তৎক্ষণাৎ তাঁকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হবে। কারণ প্রশাসনের সাফ নির্দেশ জুতো ছাড়া এই দুর্গম পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়।

আরও পড়ুন জামিন নিয়ে রাহুল বললেন, “দশ গুণ বেশি পরিশ্রম করব”

ট্রেক শেষে তীর্থযাত্রীরা পৌঁছে যাবেন শিবলিঙ্গরুপী এক বৃহদাকার পাথরের সামনে। এর উচ্চতা ৭২ ফুট। একেই শ্রীখণ্ড মহাদেব হিসেবে পুজো করেন স্থানীয় এবং তীর্থযাত্রীরা। পঞ্জাব, গুজরাত এবং মহারাষ্ট্র থেকে বেশি তীর্থযাত্রী এই শ্রীখণ্ড মহাদেব দর্শনে আসেন বলে জানিয়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা।

মাত্র দশ দিনের জন্য এই তীর্থযাত্রা হলেও, মাঝে প্রবল বৃষ্টি হলে তৎক্ষণাৎ এই যাত্রা মাঝপথেই বাতিল করে দেওয়া হতে পারে।

dailyhunt

খবরের সব আপডেট পড়ুন খবর অনলাইনে। লাইক করুন আমাদের ফেসবুক পেজ। সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল

বিজ্ঞাপন