traffic police

ওয়েবডেস্ক: যদি ট্রাফিকের প্রশ্ন ওঠে, তবে তার নিয়ম-কানুন মেনে চলার ব্যাপারে অনেক ভারতীয়র গায়েই ‘বেয়াড়া’ তকমাটা লেগে যাবে! এ নিয়ে বেশি শব্দ খরচ না করলেও চলে! লোকজন কী ভাবে ট্রাফিকের নিয়ম ভাঙছেন এবং ভেঙেই চলেছেন, এ তো আমরা সবাই নিত্য পথে দেখে থাকি!

দেখি না কেবল রঞ্জিত সিংয়ের মতো ট্রাফিক পুলিশ অফিসারকে! তাঁর কেরামতিতে অতি বেয়াড়া ট্রাফিক না-মানা মানুষও থমকে দাঁড়াতে বাধ্য হবে! কেন না, মাইকেল জ্যাকসনের ঢঙে নেচে নেচে রঞ্জিতের ট্রাফিক শাসনের কৌশল যে কারও চক্ষু চড়কগাছ করার পক্ষে যথেষ্ট!

স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠবে- ইনদওরের ব্যস্ত সড়কপথে এ রকম ভাবে কেন নেচে বেড়ান বছর ৩৮-এর এই ট্রাফিক পুলিশ অফিসার? মাইকেল জ্যাকসনের বিখ্যাত মুনওয়াক বা পিছনে হাঁটা তো বিপদের মুখে ফেলতে পারে তাঁর জীবনকেই!

“খুব ছোটো থেকেই আমি মাইকেল জ্যাকসনের ভক্ত। মুনওয়াক দেখে তা রপ্ত করেছি অল্প বয়সেই! ফলে, ওটা নিয়ে এখন আর কোনো বিপদের আশঙ্কা নেই! তবে সত্যি বলতে কী, পরিকল্পিত ভাবে ব্যাপারটা শুরু হয়নি। বছর ১২ আগে আচমকাই একদিন খুব জটিল এক ট্রাফিক শাসন করতে গিয়ে ব্যাপারটা ঘটিয়ে ফেলি! তাতে কাজ হয় মন্ত্রের মতো! তার পর আর ব্যাপারটা থামাইনি”, জানিয়েছেন রঞ্জিত।

রঞ্জিত আরও জানিয়েছেন, পরিকল্পনা মাফিক এ ভাবে নেচে নেচে ট্রাফিক শাসনের ব্যাপারটি আরও এক দিক থেকে তাঁকে উদ্বুদ্ধ করে। “আপনারা সবাই জানেন, ট্রাফিক নিয়ম না মানায় পথ দুর্ঘটনা কোনো নতুন ব্যাপার নয় এ দেশে। আমি এযাবৎ ৪০টি রক্তাক্ত দেহ নিজে হাতে পথ থেকে তুলে হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছি। আর প্রতিবারই নিজেকে দাঁড় করিয়েছি প্রশ্নের মুখোমুখি- আমি যদি দুর্ঘটনাটা আটকাতে পারতাম, তবে ওই ব্যক্তিরা পথের বলিতে পরিণত হতেন না! পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর হার কমানোর জন্যও আমার এই উদ্যোগ”, দাবি তাঁর!

বিশ্বাস না হলে নিজেই ভিডিওয় দেখে নিন তাঁর কীর্তিকলাপ!

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here