ওয়েবডেস্ক: এ কথা ঠিক তিনি মুখ্য়মন্ত্রী হতে চান না। কিন্তু এটাও সত্যি যে, তিনি চাইলে এক মিনিটের মধ্যে তা হয়েও যেতে পারেন। কিন্তু নিজেকে আরও বেশি করে রাজনীতির সঙ্গে না জড়ানোর চিন্তা থেকেই তিনি মুখ্যমন্ত্রী হতে চান না।

রাজস্থানের বান্সওয়ারায় একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপির অভিনেত্রী-সাংসদ। তাঁকে সাংবাদিকরা জিজ্ঞাসা করেন, যদি সুযোগ আসে আপনি কি মুখ্যমন্ত্রী হতে চাইবেন?

Loading videos...

সেই প্রশ্নের উত্তরে হেমা বলেন, “আমি আরও বেশি করে রাজনীতির সঙ্গে নিজেকে ডড়াতে চাই না। এর ফলে আমার মুক্ত বিচরণ বন্ধ হয়ে যাবে। তবে আমি চাইলে এক মিনিটের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারি”।

প্রায় দেড় দশক ধরে সংসদীয় রাজনীতিতে রয়েছে হেমা। ২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ী সরকারের আমলে তিনি রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হন। তবে মৌখিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়ে তিনি ২০০৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে ঝাঁপান। ২০১০ সালে দলীয় রাজনীতিতে তাঁর পদোন্নতি নিয়ে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। তিনি ওই সময় বিজেপির সাধারণ সম্পাদিকা পদ লাভ করেন। ফের ২০১১ সালে রাজ্যসভার সাংসদ মনোনীত হন।

তবে ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি সরাসরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে উত্তরপ্রদেশ থেকে সাংসদ নির্বাচিত হন। সে বার তিনি রাষ্ট্রীয় লোকদল নেতা অজিত সিংহের পুত্রকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন।

আরও পড়ুন: বাজারের ‘মধুর’ সময়ে স্বল্প মেয়াদি বিনিয়োগকারীরা কী করবেন?

যদিও হেমা বলেন, তাঁর যত পরিচিতি সবই চলচ্চিত্র কেন্দ্রিক। অভিনেত্রী হিসাবেই মানুষ তাঁকে চেনে। রাজনীতিক হেমা মালিনীর থেকে অনেক এগিয়ে রয়েছে ‘ড্রিমগার্ল’ হেমা মালিনী। এটা একান্ত ভাবে তাঁর বিশ্বাস।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.