pnb fraud

নয়াদিল্লি: ‘পিএনবি অর্থ তছরুপ কাণ্ডে প্রমাণ হয়ে গেল কী ভাবে দেশের প্রধানমন্ত্রীর সহযোগিতায় অসাধু ব্যবসায়ীরা সাধারণ মানুষের অর্থ লুঠ করছে। প্রায় ১১,৫০০ কোটি টাকার ওই জালিয়াতি ঘটনার মূল অভিযুক্তের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীর সম্পর্ক আর কারও কাছে অজানা নেই। স্বাভাবিক ভাবেই ওই বিশাল পরিমাণ টাকা লুঠ করে সস্ত্রীক নীরব মোদীকে বিদেশে পালিয়ে যেতে যে প্রধানমন্ত্রী সাহায্য করেননি, তারও কোনো নিশ্চয়তা নেই।’ কংগ্রেস-তৃণমূল-সিপিএম-আপ নেতৃত্বের এমন বিক্ষিপ্ত কিছু মন্তব্যকে একত্রিত করলেন রাহুল গান্ধী।

শনিবার জাতীয় কংগ্রেসের স্টিয়ারিং কমিটি মিটিংয়ের পর সাংবাদিকদের সামনে সভাপতি রাহুল গান্ধী বলেন, মোদী দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছেন। এ বার একে একে প্রকাশ্যে আসছে টাকা লুঠের ঘটনা। তিনি দাবি করেন, এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে দেশবাসীর সামনে জবাবদিহি করতে হবে। উচ্চ পর্যায়ের সুরক্ষা না থাকলে এই বিশাল পরিমাণ অর্থের জালিয়াতি কোনো মতেই সম্ভব নয়। ফলে যে জনগণের টাকা ব্যাঙ্কগুলিতে সঞ্চিত হয়, তাঁদের কাছে মোদীকে উত্তর দিতেই হবে।

রাহুলের অভিযোগ, ব্যাঙ্কং ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থাকে ভেঙে দিচ্ছে মোদীর একের পর এক নীতি। তার উপর প্রকাশ্যে আসছে এ রকম দুর্নীতির ঘটনা। মোটবন্দি করে সাধারণ মানুষের পকেট থেকে সমস্ত টাকা বের করে নেওয়া হয়েছে। মানুষের গচ্ছিত সমস্ত সম্পদই চালান করে দেওয়া হয়েছে ব্যাঙ্কে। আর পরে সেই ব্যাঙ্ক থেকেই জালিয়াতদের দিয়ে টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে অন্যত্র।

গত বৃহস্পতিবার এই একই কথা শোনা গিয়েছিল তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্যে। তিনি ঝাড়গ্রামের সভায় বলেছিলেন, জালিয়াতরা তো টাকা নিয়ে বিদেশে পালাচ্ছে। সাধারণ মানুষ কী করবেন? এই টাকা সাধারণ মানুষের আর তা খাচ্ছে অন্য কেউ। এর সঠিক তদন্ত চাই।

সিপিএম সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরিও দাবি করেন, কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করে কীভাবে গ্রহরত্ন ব্যবসায়ী নীরব মোদী বিদেশে পালিয়ে গেলেন, তার যথাযথ উত্তর দিক কেন্দ্র।

উত্তর দিন

আপনার মন্তব্য দিন !
আপনার নাম লিখুন