Narendra Modi
ছবিতে বাঁদিকে (উপরে) অলোক বর্মা, (নীচে) এম নাগেশ্বর রাও। ডান দিকে নরেন্দ্র মোদী

নয়াদিল্লি: গত বুধবার ভোররাতে অপসারণ করা হয়েছে সিবিআই অধিকর্তা অলোক বর্মাকে। দেশের সর্বোচ্চ তদন্তকারী সংস্থার শীর্ষকর্তার ওই অপসারণ কি আদৌ বৈধ, এমন প্রশ্নই তুলতে শুরু করল কেন্দ্রের বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।

যত দূর জানা গিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অনাকাঙ্ক্ষিত জরুরি পদক্ষেপ হিসাবে সিবিআই অধিকর্তাকে অপসারণ করেছেন নিজের ক্ষমতাবলে। সেই জায়গায় অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্ব দিয়ে নিয়ে আসা হয়েছে এম নাগেশ্বর রাও-কে। এই সিবিআই আধিকারিকের বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এমনটাও জানা গিয়েছে, যেগুলির তদন্ত শুরু করেছিলেন অপসারিত অলোক। দুইয়ে মিলে যুক্তির ঘুঁটি সাজিয়ে কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, ফ্রান্সের সঙ্গে ভারতের রাফাল যুদ্ধবিমান কেনার পক্ষপাতদুষ্ট চুক্তির তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত অলোককে সরানোই ছিল শাসক দল বিজেপির এক মাত্র লক্ষ্য। তবে একই সঙ্গে উঠে এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ।

কংগ্রেসের তরফে দাবি করা হয়েছে, সিবিআই অধিকর্তার অপসারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী একক সিদ্ধান্তে নিয়েছেন। সিবিআই অধিকর্তার অপসারণের বিষয়ে আরও দুই সদস্যের কোনো মতামত নেননি। তাদের দাবি, এ ব্যাপারে সংস্থার গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি অথবা সংসদের বিরোধী দলনেতার সঙ্গে কোনো আলোচনা করেননি।

যদিও বিজেপির তরফে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলি রাফাল তদন্ত সংক্রান্ত বিষয়টিকে পাগলের প্রলাপ হিসাবে উল্লেখ করে দাবি করেছেন, অলোক বর্মার অপসারণ চিফ ভিজিল্যান্স কমিশন (সিভিসি)-র প্রস্তাব সাপেক্ষে বাস্তবায়িত হয়েছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here