mamata-2

ওয়েবডেস্ক: ২০১৯ লোকসভার ভোটকে সামনে রেখে বদলে যেতে চলেছে জাতীয় রাজনীতির চেনা সমীকরণ। দীর্ঘ দিন ধরেই  একাধিক ইস্যুতে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগছেন বিজেপি সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা। গত মার্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরেও যশবন্ত সিনহা, অরুণ শৌরির মতো প্রবীণ বিজেপি নেতাদের সঙ্গে তাঁকে দেখা গিয়েছিল তৃণমূলনেত্রীর সঙ্গে মত বিনিময়ে। তবে এত দ্রুত যে রাজনৈতিক পটপরিবর্তন করে ফেলবেন, তা ঘূণাক্ষরেও টের পাওয়া যায়নি। দিল্লি জুড়ে জল্পনা, সব কিছু ঠিকঠাক চললে শত্রুঘ্ন বিজেপির সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে যোগ দিতে পারেন তৃণমূল কংগ্রেসে।

mamata

দিল্লির রাজনৈতিক মহলের একাংশ এখন শত্রুঘ্নর দলবদল নিয়েই উত্তপ্ত। আগামী লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এগোতে চাইছেন মমতা। যে কারণে তিনি সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপি-বিরোধী শক্তিগুলিকে একত্রিত করার পরিকল্পনা নিয়েছেন। আগামী বুধবার কর্নাটকের জেডি(এস) নেতা কুমারস্বামীর মুখ্যমন্ত্রীপদে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়াও সেই পরিকল্পনারই অংশ বিশেষ। পটনা সাহিবের সাংসদ শত্রুঘ্নও কর্নাটকে বিজেপির অগণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে মুখ্যমন্ত্রী পদ ছিনিয়ে নেওয়ার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। তবে শত্রুঘ্ন সিনহার সঙ্গে তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে মমতার যে কথাবার্তা হয়েছে তা এখনও পর্যন্ত গোপনই রয়েছে।

জানা গিয়েছে, শত্রুঘ্ন তৃণমূলে যোগ দিলে তাঁকে লোকসভায় পশ্চিমবঙ্গ থেকেই প্রার্থী করা হবে। সে ব্যাপারে দলনেত্রী সম্ভবত তাঁকে কোনো হিন্দিভাষী অধ্যুষিত এলাকা থেকে টিকিট দিতে পারেন। তৃণমূলের একটি মহলের জল্পনা, শত্রুঘ্নকে হয়তো আসানসোলের বিজেপি সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় বিরুদ্ধে প্রার্থী করা হতে পারে।

তবে পুরো বিষয়টিতে সিদ্ধান্ত নেবেন এক মাত্র মমতাই। বিষয়টি হয়তো আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যেতে পারে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here